বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে প্রার্থী ঘোষণা করার পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। সারা এলাকায় শুরু হয়েছে আনন্দ মিছিল, প্রচার-প্রচারণা আর নতুন স্লোগানের ঢল— “পুত্রবধূ খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গাবতলী ও শাজাহানপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটি ঐতিহ্যগতভাবেই বিএনপির শক্ত ঘাঁটি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি গাবতলী— তাই এখানকার মানুষ খালেদা জিয়াকে শুধু রাজনৈতিক নেত্রী নয়, পরিবারের অংশ হিসেবেও দেখেন।
খালেদা জিয়া ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে জাতীয় পার্টি এবং ২০১৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হলেও, বিএনপি সমর্থকদের প্রভাব এখানকার রাজনীতিতে বরাবরই অটুট ছিল।
স্থানীয় নেতারা বলছেন, খালেদা জিয়া প্রার্থী হওয়ায় সবাই এখন ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছেন। গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক নতুন বলেন, “স্থানীয় রাজনীতিতে মতভেদ থাকলেও এবার কোনো বিভাজন নেই, সবাই ধানের শীষের বিজয়ের জন্য কাজ করবে।”
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এমআর হাসান পলাশ বলেন, “দেশের সবচেয়ে নির্যাতিত ও মজলুম নেত্রীকে প্রার্থী ঘোষণা করায় আমরা গর্বিত। ইনশাআল্লাহ, এবার বগুড়া-৭ আসন থেকে তিনি রেকর্ড ভোটে বিজয়ী হবেন।”
বগুড়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি মোরশেদ মিল্টন বলেন, “বেগম জিয়াকে এ আসনে মনোনীত করে বিএনপির হাইকমান্ড ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। জনগণের ভালোবাসা এবারও তাকে বিপুল ভোটে জয়ী করবে।”
উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামের পুত্রবধূ। তাই এখানকার জনগণের মুখে মুখে এখন একটাই স্লোগান— “পুত্রবধূ খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা।”