জাতীয় নাগরিক পার্টি-র (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন আজ এক স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে—এই আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এককভাবে তারা অংশগ্রহণ করবে। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন: ‘এই ঐতিহাসিক নির্বাচন এনসিপি নিজস্ব সক্ষমতায় লড়বে। কোন সমঝোতা করা হবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’
এর আগে এনসিপি-র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেছেন, “আমরা এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। তবে যারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন; তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা কিছু আসনে প্রার্থী দেব না।”
তিনি আরো বলেন, “আমরা দেখি যারা টাকা আছে, যাদের গডফাদার আছে—they তারা নির্বাচনে দাঁড়ায়। আমরা এই সংস্কৃতিকে চ্যালেঞ্জ করতে চাই। আমরা গ্রহণযোগ্য মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষ, শিক্ষক, ইমাম, সামাজিক নেতৃবৃন্দকেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদে দেখতে চাই।”
যদিও এনসিপি বলছে এককভাবে নির্বাচনে যাবে, কিন্তু রাজনৈতিক মতভেদ ও সমঝোতার দিকেও তারা দরজা পুরো বন্ধ করেনি। “সমঝোতা বা জোট শুধুমাত্র আদর্শিক অবস্থান থেকে হবে; যদি কোনো দল ‘জুলাই সনদ’-র সংস্কার দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে, তাহলে আমরা জোটের বিষয়ে ভাবব,” বলছেন নাহিদ ইসলাম।
সংক্ষেপে, এনসিপি বর্তমান নির্বাচনকে নিজেদের সুযোগ হিসেবে দেখছে—নিজস্ব শক্তিতে প্রার্থী দেওয়া, ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নেওয়া, এবং বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে নতুন রাজনৈতিক সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে। আগামী নির্বাচনের ধরণ ও জোট-কৌশলে তাদের অবস্থান নজরকাড়া হবে।