জোহরান মামদানি ৩৪ বছর বয়সে ইতিহাস গড়েছেন — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত মহানগর নিউইয়র্ক সিটি-র প্রথম মুসলিম মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি স্বাধীন প্রার্থী বাহিরে থেকে লড়াই করে জয়ী হয়েছেন — প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো্ নির্বাচনি ফল অনুযায়ী মামদানির ভোট পাওয়া হয়েছে প্রায় ১০ লাখ ১৮ হাজার ১৯০ ভোট, যা মোট ভোটের ৫০.৩ শতাংশ।
অন্যদিকে কুওমো পেয়েছেন আট লাখ ৪১ হাজার ৪৭৬ ভোট (৪১.৬ শতাংশ) এবং রিপাবলিকান প্রার্থী পেয়েছেন এক লাখ ৪৪ হাজার ৫৫৪ ভোট (৭.১ %)।
ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল ৮টা)। বেশ উত্সাহী ভোটার উপস্থিতির কারণে শহরের নির্বাচন বোর্ড জানিয়েছে ভোটার উপস্থিতি এ সময়ে একদৃষ্টে ইতিহাস গড়েছে।
বেশ বহুজাতিক এবং বহু-ধর্মীয় এই নগরীতে মামদানির জয়ের তাৎপর্য বিশাল। তিনি শুধু মুসলিম নয়, দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত এবং আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া প্রথম such নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার জয়কে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দিচ্ছেন একটি নতুন যাত্রার সূচনা হিসেবে — একটি মহানগর যেখানে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ-বাড়ানোর উদ্বেগ, বাস, ভাড়া, রেঁট প্রয়োজনের বিষয়গুলো নির্বাচনী বার্তার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
তার নির্বাচনী প্রচারণা মূলত ছিল সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা — ভাড়া স্থিতিকরণ, সাশ্রয়ী বাস সার্ভিস, পরিবার-ভিত্তিক সেবা এবং আয়ুষ্কালীন প্রতিরোধমূলক পরিকল্পনা। ভোটের বয়সী তরুণরা, প্রথম-ভোটাররা এবং সকল গোষ্ঠীর মানুষ ছিলেন তার শক্ত ভিত্তি।
সংক্ষেপে বললে — এই নির্বাচনে শুধু এক মানুষ জয় পাননি; এটি এক বড় রাজনৈতিক সংকেত যে, পরিবর্তনের অভিলাষীরা মহানগর-রাজনীতিতে এখন সক্রিয়। মামদানির জয়ের সঙ্গে উঠে এসেছে অভিজ্ঞতার পরিবর্তে সংস্কার, উপরন্তু পরিচয়ের পরিবর্তে নীতিমূলক নির্বাচন-এর ভাবনা। আগামী দিনগুলো তিনি কীভাবে এই আশা পূরণ করবেন, তা বিশ্বের নজরে থাকবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?