বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বলেছেন, “জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমরা গণভোটে রাজি হয়েছি। কিন্তু সেটা একই দিনে হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে গণভোট করল তখন সেটি কোত্থেকে আসবে? কি এটি ইসলামী ব্যাংক থেকে আসছে? না কি এটি জামায়াত দেবে?”
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনের আনন্দ ভবন কমিউনিটি সেন্টারে … তার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “এোত জনসংখ্যার দেশে এত বড় খরচ কি জনগণের পকেট থেকেই যাবে? অথচ তাদের এই চিন্তা হয় না। মানুষ না খেয়ে মরলেও তাদের কিছু আসে-যায় নেই।”
সালাম বলেন, “দীর্ঘদিন একটি রাজনৈতিক দল আমাদের ওপর ভর করে ছিল। ৫ আগস্টের পর হঠাৎ তাদের চেহারা পাল্টে গেছে। তাদের যখন প্রতীকও ছিল না, দলীয় নিবন্ধন বাতিল ছিল, তখন বিএনপি তাদের ধানের শীষ প্রতীক এনে দেই। আর আজ তারা আমাদের বিরোধী হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
তিনি জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “তারা দেশে আবার অস্থিরতা আনতে চায়। ৭২–৭৫ সালের দুঃশাসনের কারণে মানুষ তাদের গ্রহণ করেনি। কিন্তু আজ তারা বিএনপির বিরুদ্ধে লড়ছে— আসলে বাংলাদেশের বিরোধিতা করছেন।”
সমাবেশে বলেন, “বাংলাদেশ যেন স্থির না হয়— সেই উদ্দেশ্যে কিছু শক্তি লড়ছে। তাদের আন্দোলনের হুমকি ও ধমকিই জনগণের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে।”
আলোচনা সভা আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি। সভাপতিত্ব করেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেন ও অন্যান্য নেতারা।