বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

রিজার্ভ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগ প্রশংসনীয়: আইএমএফ

বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ‘প্রশংসনীয়’ বলে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, রিজার্ভ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক যে পদক্ষেপ নিয়েছে, সেগুলো দেশের বিনিময় হার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা তারা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করবে।

নিউজ ডেস্ক

২৫ অক্টোবর ২০২৫, ২২:৫০

বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ‘প্রশংসনীয়’ বলে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, রিজার্ভ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক যে পদক্ষেপ নিয়েছে, সেগুলো দেশের বিনিময় হার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা তারা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করবে।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) হংকংয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের উপপরিচালক টমাস হেলব্লিং বলেন, “রিজার্ভ বৃদ্ধি আইএমএফ-সমর্থিত কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য ছিল। চলমান বৈদেশিক লেনদেন ঘাটতির মধ্যেও বাংলাদেশ সেই লক্ষ্য পূরণে সাফল্য দেখিয়েছে।”

তিনি আরও জানান, আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল চলতি মাসেই বাংলাদেশ সফরে আসবে। সফরকালে সংস্থাটি বাংলাদেশের সঙ্গে চলমান ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচির পঞ্চম পর্যালোচনা সম্পন্ন করবে।

আইএমএফের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এক বছর আগের ১৯ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় উন্নতি, ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম থাকা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বাজার থেকে ডলার কেনার পদক্ষেপ।

২০২১ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। ওই সময় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করে। পরে ২০২৫ সালের মে মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থা চালু করে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে এখন পর্যন্ত টাকার মান প্রায় ৪৩ শতাংশ কমেছে। তবে বর্তমান অর্থবছরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ইতিমধ্যে ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার কিনেছে।

অর্থনীতি

হঠাৎ বাংলাদেশিদের বিজনেস ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, সীমিত জনবল ও সক্ষমতার মধ্যেও বাংলাদেশের আবেদনকারীদের জন্য আবারও ব্যবসায়িক ভিসা ইস্যু শুরু হয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনের ভিসাগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।

হঠাৎ বাংলাদেশিদের বিজনেস ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত

ছবি :সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৫, ০৫:২৯

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, সীমিত জনবল ও সক্ষমতার মধ্যেও বাংলাদেশের আবেদনকারীদের জন্য আবারও ব্যবসায়িক ভিসা ইস্যু শুরু হয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনের ভিসাগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান বিনিময় আয়োজন ‘ফার্মা কানেক্ট’ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য দেন। প্রণয় ভার্মা বলেন, সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও কর্মীসংখ্যার সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু ভিসা আবেদন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। তবে এখন সীমিত জনবল নিয়েই প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আবেদন প্রক্রিয়ায় আনা হচ্ছে।

হাইকমিশনার বলেন, বিজনেস ভিসা ইস্যুর কার্যক্রম আবারও চালু হয়েছে এবং জরুরি আবেদনের ক্ষেত্রে দ্রুত সাড়া দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, ব্যবসায়িক ভিসার জন্য প্রয়োজন হলে আবেদনকারীরা সরাসরি হাইকমিশনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল উদ্যোক্তা ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে ভিসা প্রাপ্তিতে জটিলতা থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সড়কপথে পণ্য পরিবহন আরও সহজ ও কার্যকর করার দাবি তুলেন।

ভারতের আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল প্রদর্শনী ‘সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫’–এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে সামনে রেখে এই আয়োজন করা হয়। আগামী ২৫ থেকে ২৭ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে প্রদর্শনীটি।

অর্থনীতি

সরকারি অফিসের হয়রানি কমাবে নতুন ‘অ্যাপ’ : আশিক চৌধুরী

দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা এখনও হয়রানির শিকার হন—এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে নতুন ডিজিটাল ‘অ্যাপ’ চালু হলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে সাতদিনব্যাপী জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা […]

সরকারি অফিসের হয়রানি কমাবে নতুন ‘অ্যাপ’ : আশিক চৌধুরী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২১

দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা এখনও হয়রানির শিকার হন—এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে নতুন ডিজিটাল ‘অ্যাপ’ চালু হলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে সাতদিনব্যাপী জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা উদ্বোধনকালে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

আশিক চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করাই একটি কঠিন কাজ। নিবন্ধন জটিল, সেবা নিতে গেলে সরকারি অফিসে হয়রানির মুখে পড়তে হয়। এসব সমস্যা কমাতে আগামী বছর থেকেই উদ্যোক্তারা অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন।”

অনুষ্ঠানে তিনি শিল্প উপদেষ্টা, বিসিক ও বিভিন্ন শিল্প পার্কে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে কৃষিজমি রক্ষা করা সম্ভব হবে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা মেলায় অংশ নিয়েছে প্রায় ৪০০ এসএমই প্রতিষ্ঠান।

বক্তারা জানান, এসএমই খাতে বর্তমানে সুদহার ১৫ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে বেশি। এনজিও থেকে ঋণ নিলে সুদ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দিতে হয়, ফলে উদ্যোক্তাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যায়। তারা বলেন, এসএমই ক্রেডিট কার্ড চালু হলেও বাস্তবে এটি পরিচালনা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আলোচনায় আরও উঠে আসে যে নির্বাচনের কারণে সব খাতেই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, ফলে এসএমই–খাতে ঋণ কমছে। ব্যাংক খাতে এখন দেড় লাখ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। বক্তারা মনে করেন, চাহিদা বাড়লেই অর্থনীতির চাকা আবার সচল হবে।

এসময় রপ্তানির জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউসের কঠোর প্রক্রিয়া এসএমই খাতের জন্য আরও সহজ করার দাবি তোলা হয়।