শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

আরাশ ২: সীমানা ছাড়িয়ে শত্রুর ঘাঁটি তছনছ করে দেয়া ইরানি ড্রোন

আরাশ ২ নামে পরিচিত ড্রোনটি আরাশ ১-এর একটি নতুন ও আরও উন্নত সংস্করণ, যা প্রথমবার জনসম্মুখে প্রদর্শিত হয় ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ইরানের সামরিক মহড়ায়। ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প বিশেষজ্ঞরা এটি নকশা ও খণ্ডাংশে প্রস্তুত করেছেন এবং ব্যাপক মাত্রায় উৎপাদন চালানো হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

১৮ অক্টোবর ২০২৫, ০২:২৫

আরাশ ২ নামে পরিচিত ড্রোনটি আরাশ ১-এর একটি নতুন ও আরও উন্নত সংস্করণ, যা প্রথমবার জনসম্মুখে প্রদর্শিত হয় ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ইরানের সামরিক মহড়ায়। ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প বিশেষজ্ঞরা এটি নকশা ও খণ্ডাংশে প্রস্তুত করেছেন এবং ব্যাপক মাত্রায় উৎপাদন চালানো হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শাহেদ ১৩৬-কে ছাড়াও আরাশ ২ দ্রুত মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। পার্সটুডে অনুসারে এর দীর্ঘ পাল্লা, লক্ষ্যনিরূপণ ক্ষমতা ও রাডার ব্যবস্থাকে বাইপাস করার সক্ষমতার কারণে এটি আক্রমণাত্মক ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। সামরিক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, আরাশ ২ তৈরি করা হয়েছে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলা এবং নির্দিষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য ধ্বংসের জন্য।

আরাশ ২-র নকশা ডেল্টা আকৃতির ডানা বহন করে যা দ্রুতগতির জন্য উপযোগীভাবে তৈরি। এই ধরনের নকশা ড্রোনটিকে দীর্ঘতর সহনশীলতা এবং জ্বালানি সংরক্ষণে সহায়তা করে। ড্রোনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪.৫ মিটার এবং ডানার বিস্তার প্রায় ৪ মিটার। চেহারায় এটি দেখতে কিছুটা কিয়ান-২ ড্রোনের অনুরূপ, তবে ক্ষমতা ও ব্যাপ্তিতে এটি আলাদা। ইরানের স্থল বাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিওমারস হেইদারি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বলেন, আরাশ ২-কে ইসরায়েলের উপকূলীয় শহর তেল আবিব ও হাইফা লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে।

আরাশ ২-কে একটি দূরপাল্লার আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর কার্যকর পাল্লা প্রায় ২০০০ কিলোমিটার, ফলে এটি মধ্যপ্রাচ্যীয় বিস্তারের অনেক স্থানে কৌশলগত হুমকি তৈরি করতে সক্ষম। ড্রোনটিতে সাধারণত পিস্টন ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়, যা ঘণ্টায় প্রায় একশো আশি থেকে দুইশো কিলোমিটারের মধ্যে গতিবেগ প্রদান করে এবং হাজারের ওপর উচ্চতায় অভিযান চালাতে সক্ষম করে। এর বহুমুখী ক্ষমতার কারণে ইরানি কমান্ডাররা এটিকে নির্ভুল আঘাত, শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের একটি কার্যকর উপকরণ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। লক্ষ্য আক্রমণের আগ পর্যন্ত এটি বারবার তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, ফলে নির্ভুলতা ও ধ্বংসাত্মক ফলাফল বাড়ে।

ছাত্রসামগ্রী ও লঞ্চ ব্যবস্থার দিক থেকেও আরাশ ২-কে দ্রুত মোতায়েনযোগ্য হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এটি ট্রাক-ভিত্তিক প্যাকেজ লঞ্চ বা জেট সহায়তা প্রস্থান ব্যবস্থার মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ বিভিন্ন ভূখণ্ডে স্থাপন করে উৎক্ষেপণ করা যায়, ফলে অপারেশনাল নমনীয়তা বৃদ্ধি পায়। ইরানি সামরিক সূত্র দাবি করে, সাম্প্রতিক সংঘাতকালে আরাশ-শ্রেণির ড্রোনগুলো পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করে কর্মদক্ষতা প্রদর্শন করেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে শত্রু ভূখণ্ডে প্রবেশ করে কাঙ্খিত ফলও অর্জন করেছে।

কৌশলগত দিক থেকে আরাশ ২-র উত্থান ইরানের ড্রোন প্রযুক্তিতে দ্রুত উন্নয়নকে প্রতিফলিত করে এবং দেশটিকে দূরপাল্লার ড্রোন প্রযুক্তি গঠনে একটি শক্তিধর অবস্থানে নিয়ে এসেছে। এই ড্রোনের ব্যাপ্তি ও আঘাত ক্ষমতা কেবল আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ভারসাম্যেই বদল আনছে না, তা আমেরিকা ও তার মিত্রশক্তির সামরিক উপস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি দেশীয় ও স্বল্পমূল্যের ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়ন ইরানকে প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী প্রতিউত্তর গঠনে সহায়তা করছে এবং ভবিষ্যতে খরচ কার্যকর রাস্তা ধরে শক্তিশালী প্রতিযোগীদের বিরুদ্ধে কৌশলগত স্বাধীনতা অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে আরাশ ২-কে কেন্দ্র করে বিতর্ক ও প্রশ্নও উঠছে। এর বিস্তৃত পাল্লা ও লক্ষ্যক্ষমতা যেকোনো অস্থিতিশীল অবস্থায় স্থিরতা বিরাজ করার চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করতে পারে এবং বেসামরিক প্রাণহানি বা অবাঞ্ছিত বিস্তারে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা শাসনে এ ধরনের ড্রোন প্রযুক্তির বর্ধিত ব্যবহার উত্তেজনা বৃদ্ধি করে অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

চূড়ান্তভাবে, আরাশ ২ বিশ্বের আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির এক শক্তিশালী উদাহরণ। এটি ইরানের সামরিক কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতে আঞ্চলিক সঙ্কট ও কৌশলগত ভারসাম্যের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখবে—এমনটাই সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

‘ভারত যদি বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে মিসাইল ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’ : পাকিস্তানি নেতা

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।

ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।

তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ২০১৯ সালেই ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেন চেয়েছিল রাশিয়া

২০১৯ সালে ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক ধরনের ‘সমঝোতার ইঙ্গিত’ দিয়েছিল রাশিয়া—এমন তথ্য সামনে এসেছে সম্প্রতি। সে সময় ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–এর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল মস্কো। বিনিময়ে শর্ত ছিল, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন থেকে তাদের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন সরিয়ে নেয়। ঘটনাটি ঘটে ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর প্রথম মেয়াদে। তৎকালীন রাশিয়া ও […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৫

২০১৯ সালে ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক ধরনের ‘সমঝোতার ইঙ্গিত’ দিয়েছিল রাশিয়া—এমন তথ্য সামনে এসেছে সম্প্রতি। সে সময় ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–এর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল মস্কো। বিনিময়ে শর্ত ছিল, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন থেকে তাদের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন সরিয়ে নেয়।

ঘটনাটি ঘটে ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর প্রথম মেয়াদে। তৎকালীন রাশিয়া ও ইউরোপ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ফিওনা হিল মার্কিন কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিয়ে জানান, রুশ কর্মকর্তারা ভেনেজুয়েলা ও ইউক্রেনকে ঘিরে একটি ‘অদ্ভুত বিনিময় কাঠামো’ প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনে অবাধ প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেলে ভেনেজুয়েলায় মাদুরোর প্রতি সমর্থন ছেড়ে দিতে রাজি ছিল রাশিয়া।

ফিওনা হিল আরও জানান, রুশ কূটনৈতিক ও গণমাধ্যমের বিভিন্ন বার্তায় ‘মনরো ডকট্রিন’–এর প্রসঙ্গ টেনে এই ধারণা ছড়ানো হয়েছিল। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি, তবে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত একাধিকবার এই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে হিল স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তখন এই প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি এবং ইউক্রেন ও ভেনেজুয়েলার বিষয়কে আলাদা হিসেবেই দেখেছিল। সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪