ময়মনসিংহের দুর্গাপুরের দরিদ্র রিকশাচালকের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার এখন নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছে। দীর্ঘদিন ধরে ‘অরবিটাল সেলুলাইটিস’ নামের জটিল চক্ষুরোগে ভুগছিল এই দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। একসময় তার ডান চোখ ফুলে যায়, দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কাও তৈরি হয়। কিন্তু বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মানবিক উদ্যোগে সেই অন্ধকারে আলো ফিরতে শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চরপাড়া শাখায় সফলভাবে তার চোখের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকরা জানান, অপারেশন সফল হয়েছে এবং শিশুটিকে এখন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
সুমাইয়া দুর্গাপুর উপজেলার চক লেঙ্গুরা মধ্য বাগান গ্রামের রিকশাচালক সুলতান মিয়ার কন্যা। তিনি বলেন, “আমি গরিব মানুষ, মেয়ের চিকিৎসা করাতে পারছিলাম না। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্যারের সহযোগিতা না পেলে হয়তো মেয়েকে অন্ধ হয়ে যেতে হতো। আল্লাহ যেন তাকে উত্তম প্রতিদান দেন।”
এলাকাবাসী ও চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি। সুমাইয়ার অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, ইনশাআল্লাহ সে দ্রুত সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য। এমন প্রতিটি শিশুর মুখে হাসি ফিরিয়ে আনাই আমাদের দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সুমাইয়ার চোখের অবস্থা এখন স্থিতিশীল। সঠিক যত্ন ও নিয়মিত ফলোআপ চললে সে অচিরেই পুরোপুরি দৃষ্টি ফিরে পাবে। এই ঘটনার পর দুর্গাপুরের গ্রামজুড়ে এখন শুধু একটাই প্রার্থনা— ছোট্ট সুমাইয়া যেন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে আবার বই হাতে স্কুলে ফিরে যেতে পারে।