শান্তি চুক্তি অনুযায়ী গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ইসরাইল। স্থানীয় সময় বেলা ১২টা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়। এদিকে, গাজার উত্তরাঞ্চলের দিকে ফিরতে শুরু করেছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা। খবর আল জাজিরার।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, যুদ্ধবিরতি চুক্তির রূপরেখা অনুযায়ী সবশেষ নির্ধারিত এলাকায় সেনাদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। সেখানেই অবস্থান করবেন তারা।
গাজার সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে যে, আইডিএফ সেনা প্রত্যাহারের পর থেকে শত শত মানুষ গাজা সিটিতে তাদের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন, যেখান থেকে তাদের জোর করে বাস্তুচ্যত করা হয়েছিল। যদিও তাদের বাড়িঘর টিকে আছে কিনা তা নিশ্চিত নন তারা।
তবে ভোর থেকেই ইসরায়েলি ড্রোন, যুদ্ধবিমান এমনকি যুদ্ধজাহাজের তৎপরতা বেড়েছে। সকালে যেসব জায়গায় মানুষ বাড়ি ফেরার জন্য জড়ো হয়েছিল, সেসব জায়গায় হামলারও খবর এসেছে। আল-আহলি হাসপাতালের বরাত দিয়ে আল জাজিরা লিখেছে, সকাল থেকে গাজা সিটির বিভিন্ন এলাকা থেকে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এরআগে আজ (শুক্রবার) সকালে গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও জিম্মি মুক্তি নিয়ে চুক্তি অনুমোদন দেয় ইসরাইল সরকার। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভা গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির পক্ষে ভোট দিয়েছে। চুক্তিতে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিনিময়ে জিম্মিদের মুক্তি এবং যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
এরআগে বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তার দেয়া ২০ শান্তি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নে রাজি হয়েছে হামাস ও ইসরাইল। যুদ্ধিবিরতি চুক্তির খবেরে স্বস্তি নেমেছে গাজায়। ইসরাইলে উল্লাস করেছেন জিম্মিদের পরিবারের সদস্যরা।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?