মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সখীপুরে ছয় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অধিকাংশই অচল

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ছয়টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অধিকাংশই কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এর মধ্যে দুইটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোনো স্থাপনাই নেই, আর চারটির তিনটিতেই নেই কোন ডাক্তার। স্থাপনাবিহীন দুই কেন্দ্রের ডাক্তার প্রেষণে রয়েছেন অন্য জায়গায়।  বর্তমানে যে কয়টি কেন্দ্র সচল আছে, সেগুলোতে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো), প্রসূতিবিদ্যা কর্মী ও ফার্মাসিস্ট দিয়ে সীমিত […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৩১

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ছয়টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অধিকাংশই কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এর মধ্যে দুইটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোনো স্থাপনাই নেই, আর চারটির তিনটিতেই নেই কোন ডাক্তার। স্থাপনাবিহীন দুই কেন্দ্রের ডাক্তার প্রেষণে রয়েছেন অন্য জায়গায়। 

বর্তমানে যে কয়টি কেন্দ্র সচল আছে, সেগুলোতে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো), প্রসূতিবিদ্যা কর্মী ও ফার্মাসিস্ট দিয়ে সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যসেবা চালু রয়েছে। 

সরেজমিনে গত মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বড়চওনা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভবনটির অবস্থা খুবই নাজুক। চারপাশে কাদা, আবর্জনা ও দুর্গন্ধ। পাশেই হাটের বর্জ্য ফেলা হয়, ফলে পরিবেশ একেবারেই অস্বাস্থ্যকর।

টিনের ছাউনি মরিচা ধরে ফুটো, দেয়ালে ফাটল, দরজা-জানালা ভাঙা, বিদ্যুৎ সংযোগ ও পানি সরবরাহ বন্ধ। শৌচাগার সম্পূর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী। আবাসিক ভবনটি ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে আছে।

উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আবদুল মালেক সিদ্দিকী বলেন, ডাক্তার ও অফিস সহায়ক না থাকায় আমাকে ও ফার্মাসিস্টকে সব কাজ করতে হয়। পরিত্যক্ত ভবনে থাকা সম্ভব না হওয়ায় ১২ কিলোমিটার দূরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে হচ্ছে। প্রতিদিন ৭০-৮০ জন রোগী সেবা নিতে আসেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বড়চওনা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ৮০ শতাংশ জমি প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে। বাকি জমিতে নেই কোনো সীমানা প্রাচীর। আবাসিক ভবনও বসবাস অযোগ্য অবস্থায় পড়ে আছে।

স্থানীয় বাসিন্দা নূরুল ইসলাম বলেন, জমিটি উদ্ধার করে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি আমাদের। গত ৮-১০ বছরে এখানে কোনো ডাক্তারকে দেখিনি।

উপজেলার ছয় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মধ্যে দুটি স্থাপনাবিহীন যাদবপুর ও হাতিবান্ধা। যাদবপুরের চিকিৎসক জান্নাত আরা জ্যোতি বর্তমানে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রেষণে আছেন। হাতিবান্ধার চিকিৎসক শামীমা আক্তার কর্মরত আছেন সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

বড়চওনা কেন্দ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ইমরুল কায়েস কর্মরত আছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঢাকায়, বহেড়াতৈল কেন্দ্রের ডা. মরিয়ম আক্তার আছেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

সদর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক জামিনি আক্তার চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। কেবল বাঘেরবাড়ি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসক শামসুল আলম নিজ কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ছালেহা বেগম (৪৫) বলেন, আমি নিয়মিত এখানে আসি। কিন্তু ডাক্তার না থাকায় অন্য রোগে চিকিৎসা নিতে সখীপুর হাসপাতাল যেতে হয়। গরিব মানুষ, বারবার দূরে যাওয়া সম্ভব না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহানা পারভীন বলেন, বড়চওনা কেন্দ্রের দখলকৃত জমি উদ্ধারের বিষয়টি উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় তোলা হয়েছে। প্রেষণে থাকা চিকিৎসকদের সংযুক্তি বাতিলের আবেদন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী বলেন, সম্প্রতি বিষয়টি অবগত হয়েছি। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত জমি উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।