মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রোগীর চাপে হিমশিম গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; ১০০ শয্যের দাবি

চলনবিল অধুষ্যিত গুরুদাসপুর উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এটি চলনবিলের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে গুরুদাসপুর সহ বড়াইগ্রাম, চাটমোহর, সিংড়া, তাড়াশ উপজেলার শত শত রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এই হাসপাতালে।  ভৌগলিক কারণে আশপাশের বৃহৎ একটি অংশ এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। ফলে হাসপাতালটি ৫০ শয্যের হলেও রোগীর আনাগোনা হয় ১০০ শয্যের বেশি। প্রতিনিয়ত গুরুদাসপুর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৪২

চলনবিল অধুষ্যিত গুরুদাসপুর উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এটি চলনবিলের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে গুরুদাসপুর সহ বড়াইগ্রাম, চাটমোহর, সিংড়া, তাড়াশ উপজেলার শত শত রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এই হাসপাতালে। 

ভৌগলিক কারণে আশপাশের বৃহৎ একটি অংশ এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। ফলে হাসপাতালটি ৫০ শয্যের হলেও রোগীর আনাগোনা হয় ১০০ শয্যের বেশি।

প্রতিনিয়ত গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলছে এমন পরিস্থিতি। দুর্ভোগ লাঘবে হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যে উন্নীতের দাবি চিকিৎসক ও রোগীদের। হাসপাতাল সূত্র বলছে, ২০০৯ সালে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্য থেকে ৫০ শয্যে উন্নীত করা হয়। সুযোগ সুবিধা বাড়ায় তখন থেকেই রোগীর চাপ বাড়তে থাকে। 

জ¦র-সর্দি থেকে শুরু করে হৃদরোগ। রয়েছে স্বাভাবিক জন্মদান, সিজারিয়ান, হার্নিয়া অপারেশনও। এসব রোগ নিয়ে ২৪ ঘন্টা অনরগল হাসপাতালে আসছেন রোগীরা। রোগীর তুলনায় হাসপাতালের জনবল-অবকাঠামো কম হওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। দুর্ভোগ বাড়ছে রোগীরও।

হাসপাতালের হিসেব অনুযায় গেল বছরের জুন ২০২৪ থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক বছরে জরুরী, ভর্তি ও বহির্বিভাগ মিলিয়ে ২ লাখ ৮০ হাজার ৫১৯ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। একই সময়ে আল্ট্রা করিয়েছেন ২ হাজার ৬০০। 

এছাড়া ই সি জি ২২৬৩ ও বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা করিয়েছেন ১২ হাজার ৬৪৫ জন রোগী। তবে ৩৫৯টি এক্সের পর অকেজো হয়ে পড়ে আছে পুড়নো এক্স-রে মেশিন।

হিসেব মতে, এই সময়ে হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়েছে অন্তত ২০০ প্রসূতির। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্ম দিয়েছেন ৬০০জন প্রসূতি।

হাসপাতালের কয়েকজন সেবিকা (নার্স) এর সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তারা বলেন, প্রতি মাসে ১ হাজার থেকে ১হাজার ৫০০ পর্যন্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। ডায়রীয়া বা ঠান্ডাজণিত রোগের প্রকোপ বাড়লে হাসপাতালের বাড়ান্দায় রোগীদের বিছানা দিতে হয়।

তারা বলেন, হাসপাতালে ওষুধ এবং জনবল বরাদ্দ রয়েছে ৫০ শয্যের। কিন্তু রোগী বাড়ায় একই জনবল নিয়ে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। অনেক সময় সরকারি ওষুধ সংকট পড়ায় রোগীর স্বজনদের কাছে তিরস্কারের শিকারও হতে হচ্ছে। তারা চান রোগীর কথা বিবেচনায় এনে এই হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যে উন্নীত করা হোক।  

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানিয়েছে, ৫০ শয্যের এই হাসপাতালে মোট ২৮ জন চিকিৎসকের পদ রয়েছে। হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়লেও সপ্তাহে দুইদিন হাসপাতালে রোগী দেখছেন হৃদরোগ, মেডিসিন, নাক-কান-গলা, গাইনী ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তাছাড়া ইউনানি চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে ডেপুটেশনে আছেন। পর্যাপ্ত সেবীকা (নার্স) থাকলেও তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির জনবলও সংকট রয়েছে।

মেডিকেল অফিসার অহিদুজ্জামান রুবেল, চৈতি মুন্সি, রাজিব হোসেন বলেন, একজন চিকিৎসক প্রতিদিন অন্তত শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।

বেশিরভাগ দিনেই দুপুর ৩টা পর্যন্ত রোগী দেখতে হচ্ছে। এছাড়া সিজারিয়ান অপারেশন রয়েছে। এতো রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ৫০ শয্যের এই কাঠামো বদলে হাসপাতালটিকে ১০০ শয্য করার দাবি চিকিৎসকদেরও।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগীদের দীর্ঘ লাইন। আন্তঃবিভাগেও শয্য না থাকায় মেঝে এবং বাড়ান্দায় রোগীদের বিছানা দেওয়া হয়েছে। এনসিডি কর্ণারেও শ’দুয়েক রোগী উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিকের চিকিৎসা নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।

তাড়াশ থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আনোয়ারা বেওয়া ও বড়াইগ্রামের আমেনা বেগম, সিংড়ার গুটিমহিষমাড়ির সেলেনা আক্তারসহ অন্তত ১০-১৫ জন রোগী ‘‘দৈনিক সকাল’’ কে জানান- আশপাশের অন্যান্য হাসপাতালের তুলনায় এখানে ভালো চিকিৎসা পাওয়া যায়।

একারণে তারা অনেক সকালে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। কষ্ট হলেও চিকিৎসা নিয়ে ফিরবেন। তবে রোগীদের স্বার্থে চিকিৎসক ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ানোর দাবি করছেন তারা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলমাছ হোসেন ‘‘দৈনিক সকাল’’ কে বলেন, সীমিত জনবল নিয়ে বৃহৎ পরিসরে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অন্য হাসপাতাল থেকে অ্যানেসথেশিয়া এনে সিজারিয়ান অপারেশন চালু রেখেছেন তিনি।

সার্বিকভাবে রোগীর চাপ বাড়ায় চিকিৎসকরা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। সার্বিকভাবে বিবেচনা করলে হাসপাতালটি ১০০ শয্যে উন্নীত করা উচিত। ১০০ শয্যা ‍উন্নীত হলে চিকিৎসাসেবা সহ আরও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন চলনবিলের লাখো মানুষ। 

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।