রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জামায়াতসহ চার দলের ১২ দিনের গণমিছিল কর্মসূচি

‘সংবিধান আদেশ’ জারি করে জুলাই জাতীয় সনদের বিধিগুলো নিশ্চিত করা এবং দ্বিতীয়টি নির্বাচনের আগে গণভোট করিয়ে জুলাই সনদকে অধিক আইনি ভিত্তি দেওয়া। তাদের বিবেচনায়, যদি এসব না করা হয় তবে ছাত্র-জনতার রক্তে অর্জিত অভ্যুত্থানের অর্জন সংগ্রহশূন্য হয়ে পড়বে।

নিউজ ডেস্ক

০১ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:৩৯

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামীসহ চারটি দল আবারও একযোগে ১২ দিনের অভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে নিয়ে ওই কর্মসূচি আগামী ১ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন গণসংযোগ, গণমিছিল ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক অনুষ্ঠান আকারে চলবে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার পৃথক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির খুঁটিনাটি উপস্থাপন করা হয় এবং নেতারা দৃঢ়ভাবে বলেন, জনগণের দাবি বাস্তবায়ন না করলে আন্দোলন থামবে না।

সংগঠিত কর্মসূচির মধ্যে ১ থেকে ৯ অক্টোবর পাঁচ দফা দাবির পক্ষে জনমত গড়ার লক্ষ্যে গণসংযোগ থাকবে; ১০ অক্টোবর ঢাকা এবং বিভাগীয় শহরে একযোগে গণমিছিল, এবং ১২ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান রয়েছে। পাশাপাশি মতবিনিময় সভা, গোলটেবিল বৈঠক ও সেমিনারের আয়োজনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। দলের নেতারা উল্লেখ করেছেন, আগের মাসে তিন দিনের কর্মসূচিই পর্যাপ্ত প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছিল—তাই এবার আরও বড় স্তরে আন্দোলন তীব্র করা হবে।

মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিন ধরেই জুলাই সনদকে আইনগত ভিত্তি দেওয়ার কার্যক্রমে জোর দিয়েছে। ‘ডকট্রিন অব নেসেসিটি’কে উদাহরণ হিসেবে টেনে তারা দাবি করছেন, অতীতের নানা নজিরকে সামনে রেখে জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে হবে। জটিলতা এড়াতে জামায়াত ইতোমধ্যে সরকারের কাছে আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতামতাবলম্বে দুটি প্রস্তাবও পাঠিয়েছে—প্রথমটি ‘সংবিধান আদেশ’ জারি করে জুলাই জাতীয় সনদের বিধিগুলো নিশ্চিত করা এবং দ্বিতীয়টি নির্বাচনের আগে গণভোট করিয়ে জুলাই সনদকে অধিক আইনি ভিত্তি দেওয়া। তাদের বিবেচনায়, যদি এসব না করা হয় তবে ছাত্র-জনতার রক্তে অর্জিত অভ্যুত্থানের অর্জন সংগ্রহশূন্য হয়ে পড়বে।

জামায়াতের সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমির আবদুর রহমান মূসা প্রমুখ—যারা সকলেই দাবি করেন, ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকার তৎপর না হলে জনগণের অধিকার প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

পুরনো পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মাহসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ একই ধারার বক্তব্য তুলে ধরেন; তিনি বলেন, ধারাবাহিক কর্মসূচি ও সংলাপ সত্ত্বেও সরকারের অংশগ্রহণ বা ইতিবাচক সাড়া নেই, যা জনগণের রক্তে প্রতিষ্ঠিত সরকারের নৈতিক ও আইনগত বৈধতা ক্ষুণ্ন করতে পারে। খেলাফত মজলিস তাদের বিবৃতিতে দেশের ‘ভয়াবহ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট’ সম্পর্কে সতর্ক করে জানান, জুলাই সনদের বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা থাকায় জাতি আজ বিপর্যয়ের মধ্যে পতিত হচ্ছে—তারা দাবি করেন, পুরোনো স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরায় চাপিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে। একই সঙ্গে জাগপা ৭ দফার নিজেদের দাবি সম্বল করে সমন্বিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এবং দলটির কর্মকর্তারা মিটিংয়ে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করেছেন।

এভাবে আন্দোলন ফের সড়কে নামার ঘোষণাই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার বওয়া শুরু করেছে; বিশেষত যখন দাবি-দাওয়া কেন্দ্রীয় বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, নির্বাচন পিআর পদ্ধতিতে আয়োজন করার দাবি, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, গণহত্যার বিচারের দৃশ্যমানতা ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালে নির্দিষ্ট দলগুলোর (জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলের কিছু অংশ) কার্যক্রমের ওপর নিহতার বিধানসহ বিচারাভিযান চালানো। এগুলো বাস্তবায়ন না হলে রাজনীতির মঞ্চে কেবলই উত্তেজনা বাড়বে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন।

নেতাদের হুঁশিয়ারি—সরকার যদি জনগণের যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করে, তবে সুশৃঙ্খল হলেও বৃহৎ স্তরে ধারাবাহিক আন্দোলন তীব্র হবে; এবং কেবল কথায় নয়, মাঠের গণযোগাযোগ ও সুশৃঙ্খল কর্মসূচির মাধ্যমে তারা তাদের দাবি বাস্তবায়ন করানোর সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আগামী দুই সপ্তাহে যে জনজমায়েত ও মিছিল-সমাবেশগুলো হবে সেগুলো ভবিষ্যৎ নির্বাচনী ভূ-রাজনীতিকে প্রভাবিত করবে এবং তা ছাড়া ক্ষমতাসীন ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ারও প্রবল শঙ্কা রয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬০

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২০