মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

বিশ্বের সব দেশ ইরানি ‘শাহেদ’ ড্রোন কপি করার চেষ্টা করছে: মার্কিন পত্রিকা

ইরানি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়া ধ্বংসাত্মক আক্রমণ চালানোর কারণে আমেরিকা ও তার মিত্ররা এখন এই সস্তা ও দূরপাল্লার ড্রোনের মতো ড্রোন তৈরি করতে চায় এবং এ ধরণের ড্রোনের অধিকারী হতে প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

নিউজ ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২২:৩৬

বিশ্বজুড়েই বিভিন্ন দেশের সামিরক বাহিনী শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যর্থ করতে সস্তা ও সহজ উপায় খোঁজ করছে। এজন্য দেশগুলো ইরানের উন্নত “শাহেদ ড্রোন” কপি করতে চায়। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিটি দেশ ইরানের “শাহেদ” ড্রোন কপি করতে আগ্রহী। আমেরিকা, চীন, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডও এর ব্যতিক্রম নয়।

পত্রিকাটি আরও দাবি করেছে, ইউক্রেনে ইরানি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়া ধ্বংসাত্মক আক্রমণ চালানোর কারণে আমেরিকা ও তার মিত্ররা এখন এই সস্তা ও দূরপাল্লার ড্রোনের মতো ড্রোন তৈরি করতে চায় এবং এ ধরণের ড্রোনের অধিকারী হতে প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ প্রমাণ করেছে, ড্রোন একইসাথে সস্তা ও নিখুঁত হতে পারে। কিছু হিসাব অনুযায়ী, ইরানি শাহেদ ড্রোনের দাম মাত্র সস্তা এবং এটি দেড় হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে উড়ে যেতে সক্ষম। ইরানে তৈরি এই ড্রোন বিশেষভাবে শত্রুর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চাপে ফেলতে এবং ফাঁকি দিতে অত্যন্ত কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে নেদারল্যান্ডসের বিমান ও মহাকাশ বাহিনীর কমান্ডার আন্দ্রে স্টোর বলেছেন, “ইউক্রেন যুদ্ধ প্রমাণ করেছে, সাশ্রয়ী ও দূরপাল্লার ড্রোন কতটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলো এই ক্ষেত্রে ভালো অবস্থায় নেই। যুদ্ধের জন্য বিপুল অর্থের দরকার।”

বর্তমানে আমেরিকা, চীন, ফ্রান্স, ইংল্যান্ডসহ বহু দেশের কোম্পানি শাহেদ এর মতো ড্রোন নিয়ে কাজ করছে। ইউক্রেনও অন্তত গত দুই বছর ধরে দূরপাল্লার ড্রোন দিয়ে রাশিয়ায় হামলা চালাচ্ছে এবং সম্প্রতি শাহেদের মতো ড্রোন ব্যবহার করছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখনো এ ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছে এবং তারা উচ্চ ব্যয়ের মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের তৈরি “শাহেদ ড্রোন” এখন বিশ্বের সামরিক অঙ্গনে আলোচনার শীর্ষে, আর প্রায় সব দেশই এই ড্রোনের কপি করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বজুড়ে সামরিক বাহিনী সস্তা ও কার্যকর উপায়ে শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার পথ খুঁজছে, আর সেজন্যই ইরানি ড্রোনের নকশা নকল করতে আগ্রহী তারা। এমনকি আমেরিকা, চীন, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মতো পরাশক্তিগুলোও এর বাইরে নয়।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ইউক্রেনে রাশিয়া ইরানি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর পর আমেরিকা ও তার মিত্ররা এই দূরপাল্লার ড্রোনের মতো অস্ত্র তৈরি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ দেখিয়েছে, ড্রোন একদিকে যেমন তুলনামূলকভাবে সস্তা, অন্যদিকে আবার ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক হতে পারে। হিসাব অনুযায়ী, একটি শাহেদ ড্রোনের দাম খুবই কম হলেও তা দেড় হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম। বিশেষ করে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অচল করে দিতে এবং ফাঁকি দিতে ইরানি এই প্রযুক্তি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের বিমান ও মহাকাশ বাহিনীর কমান্ডার আন্দ্রে স্টোর মন্তব্য করেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ দেখিয়ে দিয়েছে সাশ্রয়ী ও দীর্ঘপাল্লার ড্রোনের গুরুত্ব কতটা বেশি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, পশ্চিমা দেশগুলো এই খাতে এখনও অনেক পিছিয়ে আছে এবং যুদ্ধ চালাতে তাদের বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। বর্তমানে আমেরিকা, চীন, ফ্রান্স, ইংল্যান্ডসহ একাধিক দেশের কোম্পানি শাহেদের মতো ড্রোন তৈরির প্রকল্পে কাজ করছে। ইউক্রেনও অন্তত দুই বছর ধরে দূরপাল্লার ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার ভেতরে হামলা চালাচ্ছে এবং সম্প্রতি শাহেদ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিমারা এখনও ব্যয়, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং ধীরগতির কারণে ইরানের তুলনায় পিছিয়ে আছে; ফলে শাহেদ ড্রোন বিশ্বে সাশ্রয়ী অথচ ভয়ঙ্কর কার্যকর সামরিক প্রযুক্তির প্রতীক হয়ে উঠেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৬৬

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৬৬

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৬৬

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৬৬