সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

পিআর-শাপলা ছাড়া নির্বাচন হবে না, এই অবস্থান বিপজ্জনক : সাকি

পিআর পদ্ধতি বা শাপলা প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সময় সংবাদের সম্পাদকীয়তে তিনি এ কথা বলেন। জোনায়েদ সাকি বলেন, কোনো কোনো রাজনৈতিক দল যে জায়গায় যাচ্ছে, তাতে তারা বলতে চায় ‘আমি এটা না হলে ওটা করবো না, অথবা […]

পিআর-শাপলা ছাড়া নির্বাচন হবে না, এই অবস্থান বিপজ্জনক : সাকি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:৪৯

পিআর পদ্ধতি বা শাপলা প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সময় সংবাদের সম্পাদকীয়তে তিনি এ কথা বলেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, কোনো কোনো রাজনৈতিক দল যে জায়গায় যাচ্ছে, তাতে তারা বলতে চায় ‘আমি এটা না হলে ওটা করবো না, অথবা আমার ওমুক জিনিস না পেলে কীভাবে নির্বাচন হয়, তা দেখে নেবো’। কিন্তু এই ভাষাগুলো ভালো না; এগুলো ইতিবাচক না; গণতান্ত্রিকও না। সবাইকেই একটা যুক্তি সঙ্গত জায়গায় দাঁড়ানো দরকার।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, জামায়াত ইসলামী নিম্ন কক্ষে পিআর দাবি করছে, সেটা তারা করতেই পারে। পিআর ইস্যুটা তারা জোর দিয়ে সামনে এনেছে। তারা জনমত তৈরি করছে। সেই অধিকার তাদের আছে।

‘কিন্তু পিআর না হলে নির্বাচন হবে না’- সেই অবস্থান অত্যন্ত বিপজ্জনক। এই অবস্থান দায়িত্বশীল হবে না। এই অবস্থানে কেউ গেলে বলতে হবে আপনি শক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মীমাংসা চাইছেন এবং আপনি পরিস্থিতি সংঘাতের দিকে ঠেলছেন। কিংবা হঠাৎ সারজিস আলম বলে উঠলো যে শাপলা না পেলে হবে না। কিন্তু এটা কোনো দায়িত্বশীল বক্তব্য নয়।

তিনি বলেন, অভ্যুত্থান কোনো একক শক্তির নেতৃত্বে হয়নি। এখন শক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মীমাংসা করতে গেলে সেটা অনিবার্য সংঘাত আনবে’।

জোনায়েদ সাকি বলেন, প্রথম ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে আমাদের মধ্যে একটা পদ্ধতিগত জায়গা তৈরি হয়েছিল। বিষয়টা এমন ছিল যে, যা কিছু ঐকমত্য হবে না, সেটা জনগণ মীমাংসা করবে; নির্বাচন মীমাংসা করবে। এটা পদ্ধতি হিসেবে না নিয়ে শক্তি পরীক্ষার জায়গায় গেলে সংঘাত টেনে আনা হবে। কারণ শক্তি পরীক্ষায় এক দল শক্তি দেখাতে গেলে তো আরেক দল শক্তি দেখাতে যাবে। কাজেই অনিবার্য সংঘাত তৈরি হবে।

প্রশ্ন রেখে জুনায়েদ সাকি বলেন, ‘কী পদ্ধতিতে আমরা উত্তরণকে দেখবো, শক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে নাকি জনগণের হাতে ছেড়ে দেবো।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ যাকে ভোটে বিজয়ী করবে, সেটার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সেটাকে পদ্ধতিগতভাবে গ্রহণ করতে হবে।’

আনুষ্ঠানিকভাবে আর্টিক্যাল ৭০ ইস্যুতে ৪টি একসেপশনের কথা বলা হয়েছিল জানিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, প্রথম ২টি একসেপশনে সবাই রাজি। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে আরও ২টি একসেপশনের কথা বলা হয়। তখন মীমাংসাটা হলো যে এই ২টি এমনভাবে রাখা হোক, যেন দলগুলো তাদের ইশতেহারে নিয়ে যেতে পারে।

নির্বাচনী ইশতেহারে নিয়ে গেলে বিএনপি ওই ৪ একসেপশন নিয়ে যাবে। যারা ২ একসেপশনের সমর্থক, তারা ২ একসেপশন নিয়ে যাবে। যে জয় লাভ করবে, সেই অনুযায়ী আর্টিক্যাল ৭০ সংস্কার করা হবে। সেটা তখন আমরা সেভাবে গ্রহণ করেছিলাম। ধরে নিয়েছিলাম সেভাবেই যাবে।

মধ্য পথে হঠাৎ উচ্চ কক্ষের পিআর নিয়ে বিতর্ক শুরু হলো, তারপর এটার কোনো মীমাংসা হলো না। ওইটা নিয়ে কিছু রাজনৈতিক বাদানুবাদ থেকে তখন দেখা গেল নিম্ন কক্ষে পিআরের দাবিটা বার বার সামনে আসছে।

জুনায়েদ সাকি বলেন, ‘কিন্তু এটাও মনে রাখা দরকার যে নিম্ন কক্ষের পিআর কিন্তু ঐকমত্যের আলোচনায় আসেনি। অর্থাৎ, এজেন্ডাই হয়নি। যদিও এখন কোনো একটা দল দাবি উত্থাপন করতেই পারে’।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১১৯

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৭৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১১৯

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১১৯