পাকিস্তান আবারও জোর দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কেবল প্রতিবেশী দেশের সীমায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধন। ইসলামাবাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শাফকাত আলী খান বলেছেন, শতাব্দী-প্রাচীন এই সম্পর্ক পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং অঞ্চলের স্থিতিশীলতায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে তালেবানের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের সাতজন আলেম কাবুল সফরে রয়েছেন। তারা মানবাধিকার, ধর্মীয় সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে বৈঠক করছেন। সফরে তালেবান সরকারের প্রধান বিচারপতি, কয়েকজন মন্ত্রী, শীর্ষ আলেম ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ সফরে নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বাণিজ্য সহযোগিতার প্রসঙ্গও গুরুত্বের সঙ্গে তোলা হচ্ছে।
এদিকে জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনের অবকাশে নিউইয়র্কে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করার কারণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন, যা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক উত্তেজনা বাড়ায়। এই বৈঠককে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠন ও জোরদার করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে বিদেশি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন যে পণ্য মানুষ ব্যবহার করে তার বড় অংশই বিদেশে তৈরি হয়, অথচ তা মানুষ খেয়াল করে না। দেশীয় উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি ব্যবসায়ীদের স্থানীয় পণ্য বিক্রিতে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের প্রেক্ষাপটে মোদির এ বক্তব্য দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?