ফ্রান্সের প্রায় দুই ডজন টাউন হল সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন করেছে। মন্ত্রণালয় আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার আগে এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ফাঁকে নিউইয়র্কে প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবেন বলে ঘোষণা রয়েছে। তিনি গত গ্রীষ্মে এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যা ইসরায়েলকে উত্তেজিত করে তুলেছিল। তবে এর আগেই ফ্রান্সের ডানপন্থী রিপাবলিকান পার্টির প্রভাবশালী নেতা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রেতাইয়ো প্রিফেক্টদের নির্দেশ দেন যেন স্থানীয় পর্যায়ে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলনের বিরোধিতা করা হয়। তার জারি করা সার্কুলারে বলা হয়, সরকারি সেবায় নিরপেক্ষতার নীতি এমন প্রদর্শনকে নিষিদ্ধ করে এবং যদি কোনো মেয়র এমন উদ্যোগ নেন, তবে তা আদালতে প্রেরণ করা উচিত।
কেন্দ্রীয় সরকারের এ অবস্থানের মধ্যেই সোশ্যালিস্ট পার্টির মেয়র জোহানা রোলাঁ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন,
“আজ সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেবেন। এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানাতে নঁত শহর দিনের জন্য টাউন হলে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন করেছে।”
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিম ফ্রান্সের অন্যতম প্রধান শহর নঁতের টাউন হলের সামনে ইতোমধ্যেই ফিলিস্তিনের পতাকা উড়ছিল। শুধু নঁত নয়, দেশটির আরও কয়েকটি শহর সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে একই পদক্ষেপ নেয়।
ফ্রান্সের রাজনীতিতে এ ঘটনায় নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে স্থানীয় প্রশাসনগুলো প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতির প্রতি আগাম সংহতি প্রকাশ করছে, অন্যদিকে সরকারের কট্টরপন্থী অংশ তা আইন ভঙ্গের শামিল বলে অভিযোগ তুলছে। ফলে ফিলিস্তিন ইস্যুতে ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ বিভক্তি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠল।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?