শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জামায়াত যেসব যুক্তিতে পিআর দাবি করছে, সেগুলোর বাস্তবতা কতটুকু?

পিআর যে যুক্তিগুলো দেখে দাবি করা হচ্ছে তা বাস্তবসম্মত কতটুকু? জামায়াত বলে পিআর হলে মনোনয়ন বাণিজ্য কমবে, পেশিশক্তির ব্যবহার কমবে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। বাস্তবে এই যুক্তিগুলো শিশুসুলভ মনে হয় তার

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩:১১

জাতীয় রাজনীতি এখন পিআর নামক এক ঝলমলে ইস্যুতে বিক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। জামায়াতে ইসলামীর হয়ে এই দাবি সামনে রেখে যে তোলপাড় শুরু হয়েছে, তা নিয়েই সরব হয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ উর রহমান। তিনি নিজের ইউটিউব চ্যানেল জাহেদস টেইক-এ এই প্রবণতাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং সতর্ক করেছেন—পিআরকে কেন্দ্র করে এখনই যেভাবে আগ্রাসী ভঙ্গিতে এগোচ্ছে, সেটি শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে পিছুটানও দিতে পারে।

জাহেদ উর রহমানের বিশ্লেষণ আপাতদৃষ্টিতে যে তর তর করে মিডিয়ায় জায়গা করে নিয়েছে, তা অস্বীকার করার নেই। টক শো, ইউটিউব, অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘পিআর’ শব্দটির হাইপ সাম্প্রতিক সময়ে চোখে পড়ে। জামায়াত এই মিডিয়া কভারেজকে পছন্দ করছে এবং বিএনপিকে প্রেসার তৈরি করার একটি মাধ্যম হিসেবেই ব্যবহার করছে—তারা চাইছে বিএনপি জানুক, রাজনৈতিক সমীকরণে তাদেরও গুরুত্ব থাকতে হবে।

কিন্তু জাহেদ উর রহমান প্রশ্ন তুলেছেন—পিআর যে যুক্তিগুলো দেখে দাবি করা হচ্ছে তা বাস্তবসম্মত কতটুকু? জামায়াত বলে পিআর হলে মনোনয়ন বাণিজ্য কমবে, পেশিশক্তির ব্যবহার কমবে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। বাস্তবে এই যুক্তিগুলো শিশুসুলভ মনে হয় তার। পিআর পদ্ধতিতে যেখানে কেন্দ্রীয় তালিকাভিত্তিক মনোনয়ন প্রধান হয়ে দাঁড়ায়, সেখানে আসলে মনোনয়ন বাণিজ্যের মধ্যেই তীব্র প্রতিযোগিতা জন্ম নেবে। কেন্দ্রীয় স্তরে নাম লেখানোর দৌড়ঝাঁপ, গোষ্ঠীবিরোধ ও কল্পিত স্বার্থসংশ্লিষ্ট লেনদেন আরও জটিল ও অস্বচ্ছ হতে পারে।

আর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো রাজনৈতিক বাস্তবতা উপেক্ষা করা। দলের মার্কা ধরে রাখতে প্রতিটি দল কঠোর হবে। ভোট চাইতেই হবে—এটি রাজনৈতিক জীবনের মূল সুত্র। যে ভাবনায় পিআর আসলেই সব সংঘাত ঝরে পড়বে, সেটি একেবারেই ধোঁয়াশা। যারা পিআরকে নস্যাৎ করলে নিজেদের রাজনৈতিক মর্যাদা হারাবে, সেই মনের আবেশেই এখন জামায়াত বেশি কড়া হলোও পরে এটি তাদের জন্য আত্মঘাতী কৌশল হতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচন প্রায় চার মাস দূরে থাকলে এভাবে মোড় নেওয়া বিপজ্জনক।

জাহেদ উর রহমান আরও বলেছেন, জামায়াত যে পরিসংখ্যান নিয়ে দাবি করছে—দেশের ৭১ শতাংশ মানুষ পিআর চান—এ ধরনের কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য তারা দেখাতে পারেনি। গণভোট চাওয়ার ডাকটাও এখনো কোনো বাস্তব পরিকল্পনায় পরিণত হয়নি। যদি সময় বরাদ্দ করে রাজনৈতিক রিয়ালিটি মেনে ঢেলে সাজায়, তারা হয়ত মুখ রক্ষা করতে পারবে। নতুবা এক পর্যায়ে তাদের কণ্ঠেই ইগো কাজ করে সিদ্ধান্ত এনে দল নিজেই বিপদের মুখে পড়বে।

সংক্ষেপে বলা যায়, পিআর নিয়ে জোরালো প্রচারণা এখনই জামায়াতকে মিডিয়ার শীর্ষস্থানে তুলেছে, কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়া এটি বড় বিপদে পরিণত হতে পারে। যে কেউ যদি দ্রুত বিকল্প কৌশল না নেয়, তবে পিআরকে কেন্দ্র করে করা অতিমাত্রার আক্রমণ আগামী নির্বাচনে তাদেরেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৪৫

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৪৫

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৪৫