ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আস-সুদানি কাতারের দোহায় ইসলামী দেশ ও আরব লীগের জরুরি শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক করেছেন। সেখানে তারা ইহুদিবাদী ইসরায়েলের লাগাতার অপরাধ বন্ধে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, গাজার অসহায় মানুষদের ওপর ইসরায়েল অবিরাম বোমা বর্ষণ করছে, নারী-শিশু-বৃদ্ধদের খাদ্য ও ওষুধ থেকে বঞ্চিত করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“এটি কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না। মুসলিম বিশ্বকে এখন বাস্তবে একতাবদ্ধ হাত হিসেবে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাঝেও ইরানকে টার্গেট করেছিল ইসরায়েল এবং একইভাবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ নেতারা যখন আমেরিকান শান্তি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছিলেন তখনও বৈঠকস্থলে বোমা হামলা চালিয়েছে। পেজেশকিয়ানের মতে, “এই আচরণগুলো প্রমাণ করে আমেরিকা ও পশ্চিমাদের কূটনীতি ও মানবাধিকারের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আস-সুদানি ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করা ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে চুক্তিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কাতারের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রসঙ্গ টেনে আস-সুদানি বলেন, এই হামলা স্পষ্ট করে দিয়েছে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন ও কাঠামোকে সম্পূর্ণভাবে উপহাস করছে। এমন পরিস্থিতিতে মুসলিম দেশগুলোকে সমন্বিতভাবে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে, সব ধরনের সম্পদ ও সামর্থ্য কাজে লাগিয়ে ইসরায়েলের অপরাধ বন্ধ করতে হবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?