রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলি বন্ডে আর বিনিয়োগ নয়, ঘোষণা দিলেন জোহরান মামদানি

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জোহরান মামদানি একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এই শহরের পেনশন তহবিলের ইসরায়েলি বন্ডে বিনিয়োগ করা উচিত নয়, কারণ ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। গত সপ্তাহে সিবিএস নিউইয়র্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক মারসিয়া ক্রেমারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। ক্রেমার তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, মেয়র হলে তিনি কি শহরের […]

ইসরায়েলি বন্ডে আর বিনিয়োগ নয়, ঘোষণা দিলেন জোহরান মামদানি

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:১১

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জোহরান মামদানি একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এই শহরের পেনশন তহবিলের ইসরায়েলি বন্ডে বিনিয়োগ করা উচিত নয়, কারণ ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে।

গত সপ্তাহে সিবিএস নিউইয়র্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক মারসিয়া ক্রেমারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। ক্রেমার তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, মেয়র হলে তিনি কি শহরের পেনশন তহবিলের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষকে ইসরায়েলের সঙ্গে ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠান বা ইসরায়েলি বন্ড থেকে বিনিয়োগ সরাতে বলবেন কিনা। নিউইয়র্ক সিটি ঐতিহাসিকভাবে এই দুটি ক্ষেত্রেই বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করে আসছে।

জবাবে মামদানি বলেন, ‘আমি মনে করি, আন্তর্জাতিক আইনভঙ্গের কাজে আমাদের কোনো তহবিলের জড়িত থাকা উচিত নয়।’ তিনি আরও বলেন যে, বর্তমান সিটি কম্পট্রোলার ব্র্যাড ল্যান্ডার ইসরায়েলি বন্ড নিয়ে সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। মামদানি বলেন, ‘আমি মনে করি, ইসরায়েলি বন্ড নিয়ে বর্তমান কম্পট্রোলারের যে অবস্থান, সেটাই সঠিক পথ।’

বর্তমানে নিউইয়র্ক সিটির পেনশন তহবিলের প্রায় ৩১৫ মিলিয়ন (৩১ কোটি ৫০ লাখ) ডলার ইসরায়েলি কোম্পানি এবং রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ রয়েছে।

ক্রেমার আবার প্রশ্ন করেন যে, ইসরায়েলের সঙ্গে ব্যবসা করা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে বিনিয়োগ সরানো নিয়ে তার অবস্থান কী। ‘আর বাকি কোম্পানিগুলো কী হবে, যেগুলো ইসরায়েলের সঙ্গে ব্যবসা করছে? বিডিএস?’—এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে মামদানি বলেন যে, এই শহরের সম্পৃক্ততা কোথায় সবচেয়ে স্পষ্ট, সেটা আগে বোঝা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো, আমরা কোথায় সরাসরি জড়িত, সেটা চিহ্নিত করা। শহরের পেনশন তহবিলে ইসরায়েলি বন্ড কেনা আসলে আমাদের মূল্যবোধের একটি স্পষ্ট প্রকাশ। আর আমরা জানি, আমাদের মূল্যবোধ আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে রয়েছে।’

গত বছরের মার্চ পর্যন্ত ‘নিউইয়র্ক স্টেট কমন রিটায়ারমেন্ট ফান্ড’-এ প্রায় ৩৫২ মিলিয়ন (৩৫ কোটি ২০ লাখ) ডলারের ইসরায়েলি বন্ড ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে যেসব প্রতিষ্ঠান বা ফান্ড ইসরায়েলি বন্ডে বিনিয়োগ করে, সেগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। মামদানি ক্রেমারকে আরও বলেন যে, তিনি তার প্রচারাভিযান চলাকালে বারবার বলেছেন যে, বর্তমান প্রশাসন যেসব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করছে, সেসব ক্ষেত্রে আইন মেনে চলায় ফিরে আসতে হবে।

নিউইয়র্ক সিটির পেনশন তহবিল পাঁচটি আলাদা তহবিল নিয়ে গঠিত, যার মোট সম্পদের পরিমাণ ২৮৯ বিলিয়ন (২৮ হাজার ৯০০ কোটি) ডলার। এই তহবিলগুলো সিটি কম্পট্রোলার তত্ত্বাবধান করেন। প্রায় ৫০ বছর ধরে নিউইয়র্ক সিটির পেনশন তহবিল ইসরায়েলি বন্ডে বিনিয়োগ করে আসছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে বর্তমান কম্পট্রোলার ব্র্যাড ল্যান্ডার এই নীতি পরিবর্তন করেন।

২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর ল্যান্ডার সিদ্ধান্ত নেন যে, ২০২৩ সালের শুরুর দিকে ৩০ মিলিয়ন ডলারের পুরোনো বন্ডের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর আর নতুন কোনো ইসরায়েলি বন্ড কেনা হবে না। কারণ হিসেবে তিনি শহরের নীতি অনুযায়ী বিদেশি সরকারের ঋণ এড়িয়ে চলার কথা বলেন।

একইসঙ্গে তিনি বলেন যে, অন্য দেশগুলোর তুলনায় ইসরায়েলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়াও উচিত নয়। গত জুলাইয়ে ল্যান্ডারের এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক শুরু হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন ‘বয়কট, ডাইভেস্টমেন্ট অ্যান্ড স্যাংশনস (বিডিএস)’ আন্দোলনের কাছে নতি স্বীকার করেছেন। তবে ল্যান্ডার দাবি করেন যে, তার এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ছিল না।

এদিকে গত সপ্তাহের শুরুর দিকে নিউইয়র্কে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জোহরান মামদানি আবারও আলোচনায় আসেন। তিনি ৬ সেপ্টেম্বর ব্রুকলিনে ভারমন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের সঙ্গে একটি টাউন হল সভায় যোগ দেন।

এতে আনুমানিক ১ হাজার ৭০০ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। স্যান্ডার্সের পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্রুকলিন কলেজে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এটি স্যান্ডার্সের ‘ফাইটিং অলিগার্কি’ ভ্রমণের অংশ ছিল। এই কর্মসূচিতে স্যান্ডার্স সাধারণ মানুষকে বড় কর্পোরেট গোষ্ঠী এবং ধনকুবেরদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে আনতে আহ্বান জানাচ্ছেন।

সন্ধ্যার ওই পুরো অনুষ্ঠানটি কর্পোরেট এবং ‘অলিগার্কিক’ স্বার্থ থেকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের বিষয়কে ঘিরে ছিল। যদিও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মামদানি তুলনামূলকভাবে মধ্যমপন্থী অবস্থান নেওয়ায় সমালোচিত হয়েছিলেন।

তবে স্যান্ডার্সের সঙ্গে সভার শুরুতেই তিনি তার মূল অবস্থানে ফিরে আসেন। ফিলিস্তিনপন্থী মত প্রকাশ করায় চারজন অধ্যাপককে সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক কর্তৃপক্ষের বরখাস্তের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন মামদানি।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

‘ভারত যদি বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে মিসাইল ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’ : পাকিস্তানি নেতা

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।

ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।

তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

“হাসিনার রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে, এটি কার্যকর হবে না” : শুভেন্দু

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক ও সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি দাবি করেন, “এই রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হবে না।” হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জন্য পরিচিত শুভেন্দু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা প্রগতিশীল ছিলেন, তিনি উগ্রবাদীদের পাশে দাঁড়াননি।” […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ২১:২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক ও সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি দাবি করেন, “এই রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হবে না।”

হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জন্য পরিচিত শুভেন্দু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা প্রগতিশীল ছিলেন, তিনি উগ্রবাদীদের পাশে দাঁড়াননি।” তার এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—একজন মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত আসামিকে কেন ভারতীয় বিজেপি নেতা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক প্রশ্রয় দিচ্ছেন।

এদিকে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নির্বাসনে থাকা হাসিনার রায় নজরে নিয়েছে ভারত।” তবে ভারত তাকে বাংলাদেশে ফেরত দেবে কি না—সে বিষয়ে কিছুই স্পষ্ট করেননি তিনি।

রণধীর বলেন, “ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের সর্বোত্তম স্বার্থে আমরা সব অংশীদারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করব।” তার এই মন্তব্যকে পর্যবেক্ষকরা ‘কৌশলী নীরবতা’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

এর আগে সোমবার দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে শেখ হাসিনাকে দুই অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং একটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। এ সময় আদালত ভবনে নিহতদের কয়েকটি পরিবারের সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

রায় ঘোষণার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের কাছ থেকে শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দ্রুত ফেরত চেয়ে বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়—মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত দুই আসামিকে আশ্রয় দেওয়া “ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞা এবং বন্ধুসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী আচরণ।”

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪