শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

যেই ক্যাম্পাসে শিবিরকে অন্যায়ভাবে নিষিদ্ধ করা, সেখানে শিবিরের ভূমিধস বিজয় হলো : সিবগাতুল্লাহ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ সিবগা তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি নিজের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং-এর সময়ের স্মৃতিচারণ করেছেন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ফিলোসোফিতে ১৯তম হলেও তাঁকে ভাইভা বোর্ড থেকে বের করে দেওয়ার নির্মম অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে আপলোড করা […]

যেই ক্যাম্পাসে শিবিরকে অন্যায়ভাবে নিষিদ্ধ করা, সেখানে শিবিরের ভূমিধস বিজয় হলো : সিবগাতুল্লাহ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩:০১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ সিবগা তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি নিজের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং-এর সময়ের স্মৃতিচারণ করেছেন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ফিলোসোফিতে ১৯তম হলেও তাঁকে ভাইভা বোর্ড থেকে বের করে দেওয়ার নির্মম অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে আপলোড করা ওই ফেসবুক স্ট্যাটাসে জাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘আল্লাহ আজকে বিজয় দিলেন। যেই ক্যাম্পাসে শিবিরকে অন্যায়ভাবে নিষিদ্ধ করা, সেখানে শিবিরের ভূমিধস বিজয় হলো। আল্লাহু আকবর।’

নিচে পাঠকদের জন্য সিবগাতুল্লাহ সিবগার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

“(অজপাড়াগাঁয়ের একজন গল্পটা বললেন, ছেলেটির গল্প আপনাকে সংযুক্ত করবে কিনা, জানি না!) জাহাঙ্গীরনগরের বিজয়ে খবরে জীবনের নির্মম এক ইতিহাসের কথা মনে পড়লো।

আমি ছিলাম আমার জেলার বাছাইকৃত সাথী। যাকে জাহাঙ্গীরনগর ভর্তি কোচিংয়ের জন্য মনোনীত করা হয়েছিল। ২০০৬ সালে আমি দাখিলে জিপিএ ৫ পেয়েছি। ২০০৮ সালে আলীম পরীক্ষা শেষ হতেই ডাক এলো সংগঠনের। গ্রাম ছাড়তে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কোচিং করতে হবে। কিন্তু নরমাল কোনো কোচিং নয়। স্পেশাল কোচিং।

সেদিন ছিল, ভয়াবহ কালবৈশাখের রাত। থানা সভাপতি ফোন দিয়ে বললেন, এই মুহূর্তে আপনাকে থানা অফিসে অফিসে আসতে হবে। কিন্তু মা কোনোভাবেই ঘর থেকে বের হতে দিবেন না এই ঝড়ের রাতে। মায়ের অবাধ্য হয়ে দায়িত্বশীলের আনুগত্য রক্ষা করতে সাইকেল নিয়ে বের হয়ে গেলাম। ভারি তুফানের মধ্যে ৬ কিলোমিটার পথ সাইকেল চালিয়ে থানা অফিসে গিয়ে ভেজা শরীরে হাজির হলাম। গিয়ে দেখলাম- জাহাঙ্গীরনগর থেকে ৩ জন ভাই আগেই উপস্থিত। আমি খুব অবাক হলাম- শুধু আমার সাথে কথা বলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল এতো প্রত্যন্ত গ্রামে। আমাকে তারা বুজালেন জাহাঙ্গীরনগরে কেন ভর্তি হওয়া দরকার। একটা কোচিংয়ের কথা জানালেন। বললেন, ইসলামি আন্দোলনের জন্য আমাকে এই ময়দানে বাছাই করা হয়েছে।

আমিও সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম। কিন্তু, ভর্তি হতে যে টাকার প্রয়োজন, সেই টাকা আমার কাছে ছিল না। মাকে নিয়ে ঢাকায় আসলাম। মা আমাকে নিয়ে মামার কাছে গেলেন। মামা বিরাট শিল্পপতি। কয়েকটা ফ্যাক্টরির মালিক। মামা কোনোভাবে আমাকে পড়াশোনা করানোর জন্য রাজি হলেন না।

তখন শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন আমার জেলার। আমি তার সাথে দেখা করলাম। উনি ইসলামি ব্যাংক থেকে ৫ হাজার টাকার অনুদান নিয়ে পাঠিয়ে দিলেন জাহাঙ্গীরনগরের কোচিংয়ে।

এক অন্যরকম পরিবেশ। সারাদিন শুধু পড়ালেখা, নামাজ, পরীক্ষা, ৩ বেলা খাওয়া আর ৫ ঘণ্টা ঘুমানো। জানালার পর্দাটাও সরানো নিষেধ ছিল। ফোনে কথা বলা নিষেধ। সারাদিন পড়াশোনার পর রাতে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ। হে আল্লাহ, তুমি জাহাঙ্গীরনগরের ময়দানকে ইসলামের জন্য কবুল করো। এবং আমাকে সেই ময়দানের জন্য কবুল করো।

মাস দুয়েক কোচিং করার পর মামা জানতে পেরে যায় আমি শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেলের সহায়তায় কোচিং করছি। মামা ছিলেন প্রচণ্ড শিবির বিদ্বেষী। মামা আমার মাকে হুমকি দিলেন। আমাকে কোচিং থেকে বের করে নিয়ে আসতে বললেন। মামার ফ্যাক্টরিতে চাকরিতে যেতে হবে বলে বাধ্য করলেন। না হলে আমাদের ফ্যামিলিতে আর এক টাকাও দিবেন না। আমার মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে আমাকে বলল, তুই আর পড়াশোনা করিস না বাবা। তোর মামার কথা শুন, আমাদের আর কোনো উপায় নেই। আমার বাবা একজন প্রতিবন্ধী। কোনোমতে সংসার চলছিল মামার সহযোগিতায়। তাই সেদিন পরিবারের জন্য নিজের স্বপ্নের কুরবানি দিয়ে দিই। বাধ্য হয়ে কোচিং ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিই। কোচিংয়ের হাউজ পরিচালককে জানিয়ে দিলাম, পরেরদিন সকালে চলে যাব।

সারারাত ঘুমাতে পারিনি। রাত ১২টার পর গোসল করে তাহাজ্জুতে দাড়ালাম। আল্লাহর কাছে উপায় চাইলাম। কান্নাকাটি করলাম। হে আল্লাহ, আমি পড়াশোনা করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাই। আমাকে তুমি একটা উপায় দাও। উপায় দাও আল্লাহ। সকালে তো আমাকে চলে যেতে হবে।

ফজর পড়ে কোচিং থেকে বের হলাম। যাওয়ার সময় আমার কোচিংমেটরা আমাকে চোখের পানিতে বিদায় দিলেন। আমার খুব কষ্ট হলো। জিপিএ ফাইভ পাওয়া স্টুডেন্ট হয়ে আমি ফ্যাক্টরির শ্রমিক হতে যাচ্ছি। আমি জিপিএ ফাইভ পেয়েছিলাম তখন, যখন সারা বাংলাদেশে মাত্র সাড়ে ১৯ হাজার জন এ+ পেয়েছিলাম। আমি তার মধ্যে একজন। শিবিরের পক্ষ থেকে যে এ+ সংবর্ধনা দেয়া হয়েছিল, সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবির সভাপতি শিশির মুহাম্মদ মুনির। তার বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি শিবিরের কর্মী থেকে সাথী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। সাথী হতে ৯ মাস লেগে যায়। এক ওয়াক্ত নামাজ কাজা হইলেই বাদ। যাইহোক শিবিরের সাথী শপথ নিলাম। এরমধ্যেই আলীম পরীক্ষা শেষ করে কোচিংয়ে গেলাম। আর এসব পরিস্থিতি মুখোমুখি হলাম।

যেদিন কোচিং থেকে বের হয়ে যাচ্ছি, ভাবতেছি- আল্লাহ বুঝি আমার দোয়া কবুল করবে না। কিন্তু আমি এটা বুজতেই পারিনি যে, আল্লাহ আমার দোয়া এভাবে কবুল করবেন। আমাকে একটা দুর্ঘটনার মুখোমুখি করে পড়ালেখায় ফেরাবেন।

মামার ফ্যাক্টরিতে যাওয়ার পথে আমি মারাত্মকভাবে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হই। আমার ডান হাত ভেঙ্গে যায়। আমাকে মানুষ ফুটপাতে শোয়াই রাখলেন। বাম হাত দিয়ে মোবাইল বের করে একজনকে বললাম, আমার কোচিংয়ের এক বন্ধুকে ফোন করতে৷ ফোন করা হলো। সেও আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

কিন্তু হঠাৎ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি শাকিল উদ্দিন ভাই কোচিংয়ে হাজির হলেন, সবাইকে হলরুমে ডাকলেন। পরে জানতে পারলাম, আমি বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরে তিনি কোচিংয়ে গিয়েছেন। অফিসকক্ষে একটু ঘুমালেন। ঘুম থেকে উঠে অনেকটা খালি গায়ে সেন্টু গেঞ্জি পরা অবস্থায় হলরুমে দৌড়ে এলেন। দায়িত্বশীলদের বললেন, সবাইকে ডাকতে। এরমধ্যে যেই ছেলেটা আমাকে উদ্ধারের জন্য বের হচ্ছিল সেও আটকা পড়লো শাকিল ভাইয়ের কারণে।

সবাই অবাক সেন্টু গেঞ্জি পরা শাকিল ভাই, একজন শাখা সভাপতি- এই অবস্থায় কেন বৈঠক ডাকলেন। শাকিল ভাই তার বক্তব্য শুরু করলেন। বললেন, আমি একটা ছেলেকে খুঁজছি। পাচ্ছি না।।।

সবাই জিজ্ঞেস করলো কাকে?

শাকিল ভাই বললেন, ‘আমি ছেলেটার নাম জানি না। তবে এখানে এসে অফিস রুমে ঘুমানোর পর স্বপ্নে দেখলাম, একটা ছেলে কোচিং থেকে পালিয়ে যাচ্ছে, আমাকে দেখে ডান হাত লুকিয়ে ফেললো। এরপর ঘুম ভেঙে যায়।’

সবাই স্তব্ধ হয়ে গেলো। যে আমাকে উদ্ধারের জন্য রওনা হচ্ছিল- সে দাঁড়িয়ে বললো, ভাইয়া আমাদের এক কোচিংমেট পারিবারিক কারণে কোচিং থেকে সকালে বের হয়ে গেছে। যাওয়ার পথে এক্সিডেন্ট হয়ে তার ডান হাত ভেঙ্গে যায়। এটা শুনে শাকিল ভাই চিৎকার দিয়ে উঠলো। হে আল্লাহ, আমার স্বপ্নের সাথে মিলে গেলো। শাকিল ভাই হাউজ পরিচালককে বললেন, আপনি ওকে যেতে দিলেন কার অনুমতি নিয়ে, ওকে সেক্রেটারি জেনারেল পাঠিয়েছে।

শাকিল ভাই আমাকে উদ্ধারের জন্য লোক পাঠালেন। আমার চিকিৎসা করালেন। আমাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন। আসার পথে কোচিংয়ে নিয়ে আসলেন। বললেন, তোমার কোনো টাকা পয়সা লাগবে না। সব ফ্রি। তুমি কোচিং করো।

আমি আবার কোচিং শুরু করলাম। আমার এক্সিডেন্টের খবর শুনে মামাও কিছুটা নরমাল হলেন। আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলাম। আল্লাহ আমাকে ফিরিয়েছেন। কোচিংয়ের সাপ্তাহিক পরীক্ষা সবাই লিখিত দিত। আমার যেহেতু ভাঙ্গা হাত, আমি মুখে পড়া বলতাম। আমার পরীক্ষা মৌখিক হতো।

কোচিংয়ে এমন অনেকেই ছিলেন। যাদের সিদ্ধান্ত ছিল, জাহাঙ্গীরনগর ছাড়া কোথাও ভর্তি পরীক্ষা দিবে না। কারণ, জাহাঙ্গীরনগরের ময়দান ছিল শিবিরের জন্য নিষিদ্ধ।

পরীক্ষার আগে আল্লাহর রহমতে আমার হাত ভালো হয়ে গেলো। আমি ফিলোসোফিতে ১৯তম হলাম। যথারীতি ভাইভাতে এটেন্ড করলাম। কিন্তু, ভাইভা বোর্ড থেকে আমাকে বের করে দেয়া হলো। ভাইভা বোর্ডে বলা হলো মাদ্রাসা এবং কারিগরি মিলে একজন নেয়া হবে। আপনার আগে আরও ৪জন আছে।

যাইহোক আমি ভর্তি হতে পারলাম না। যুগের পর যুগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের প্রতি এই জুলুম করতো তারা। সেই জাহাঙ্গীরনগরের জন্য সব সময় দোয়া করতাম। আল্লাহ তুমি এই ময়দানকে কবুল করো।

আল্লাহ আজকে বিজয় দিলেন। যেই ক্যাম্পাসে শিবিরকে অন্যায়ভাবে নিষিদ্ধ করা, সেখানে শিবিরের ভূমিধস বিজয় হলো। আল্লাহু আকবর।

আল্লাহর কাছে হাজার কোটি শুকরিয়া।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০১

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২৫

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২৫

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০১