রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার আগে গলার রশির যত্ন নিন,মাথায় রাখবেন,নুর শুরু, নুর দিয়ে শেষ হবে না : ফুয়াদ

আহত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের ওপর হামলার বিচার না হলে অন্তর্বর্তী সরকারকে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেন, ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার আগে নিজেদের গলার রশিটার যত্ন নিতে হবে। মাথায় রাখবেন—নুর শুরু, নুর দিয়ে শেষ হবে না। […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:৪৩

আহত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের ওপর হামলার বিচার না হলে অন্তর্বর্তী সরকারকে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

তিনি বলেন, ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার আগে নিজেদের গলার রশিটার যত্ন নিতে হবে। মাথায় রাখবেন—নুর শুরু, নুর দিয়ে শেষ হবে না।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে আহত নূরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

ফুয়াদ বলেন, আমরা খুবই হতাশ। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা গণঅভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করতে যা যা করার, সব করছেন। আওয়ামী লীগের নামে করছেন, যা আসলে আওয়ামী লীগের সময়ের কাজ ছিল—গুম, খুন, হত্যার বিচার না হওয়া। আজও একই অবস্থা চলছে।

আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলছি—যদি দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হয়, তবে আপনাদের অনেক উপদেষ্টাদের নাম ইতোমধ্যেই এসাসিনেশনস প্ল্যানের তালিকায় আছে। তাদের লাশও কয়েকদিন পর পড়বে। তখন বিচার করার মতো মানুষও থাকবে না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত সপ্তাহে যৌথবাহিনী ও পুলিশ নির্মমভাবে নুরের ওপর হামলা চালিয়েছে জাতীয় পার্টির অফিসের সামনে ও তার নিজস্ব কার্যালয়ের সামনে। এখন কিছুটা স্থিতিশীল হলেও তিনি গুরুতর অসুস্থ। নাকের হাড় ভেঙে যাওয়ায় দম নিতে কষ্ট হচ্ছে, মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হচ্ছে, ঘুমাতে পারছেন না। ওটি করে রক্ত পরিষ্কার করা হয়েছে। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

একই ঘটনার শিকার ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসানও গুরুতর আহত বলে জানান তিনি।

ফুয়াদ বলেন, যৌথবাহিনী ও পুলিশ তাকে বেধড়ক পিটিয়েছে। কোমরের হার ডিসপ্লেস হয়ে গেছে, হাঁটতে পারছে না। পা ও কোমরে গুরুতর চোট লেগেছে। সেও দীর্ঘ সময় চিকিৎসা নিতে হবে।

হামলার এক সপ্তাহ পার হলেও কোনো অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবি পার্টির এ নেতা।

তিনি বলেন, যারা কমান্ড দিয়েছে—সিনিয়র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, মেজর জেনারেল—তাদের কাউকেই সাসপেন্ড করা হয়নি। সেনাবাহিনীতে এখনো আয়না ঘরের সেই ক্রিমিনাল নেটওয়ার্ক আছে। তাদের অনেকে জাতীয় পার্টির জিএম কাদেরের আত্মীয় হয়ে সুবিধা নিচ্ছে।

ফুয়াদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কেবল উদ্বেগ প্রকাশ করছে, বিদেশে পাঠানোর কথা বলছে। প্রকৃত কাজটা করেনি—২৪ ঘণ্টার মধ্যে দায়ী পুলিশ সদস্য ও যৌথবাহিনীর সদস্যদের স্ট্যান্ড রিলিজ করা উচিত ছিল। আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে সম্পূর্ণ অযোগ্য, অপদার্থ ও ইউজলেস বলছি। তাদের ফেলে দেওয়া দরকার ছিল। তারা প্রতিদিন গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে অন্যায় ও বেইমানি করছে।

তিনি অভিযোগ করেন, নূরের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা নয়, বরং একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ। আমরা ইতিমধ্যে খবর পাচ্ছি, এস আলমের সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠকে বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে হাইপ্রফাইল এসাসিনেশনের পরিকল্পনা হয়েছে।

এর সঙ্গে ‘র’, আওয়ামী লীগ ও দিল্লিভিত্তিক শেখ হাসিনা কাজ করছে। বেশ কয়েকজন উপদেষ্টার নামও সেই তালিকায় আছে। দিল্লির আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলেছে, তাদেরও টার্গেট করা হচ্ছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, নূরের ওপর হামলাকে আমরা কোনো সাধারণ রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে নিচ্ছি না। এটি দিল্লির আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে একটি লম্বা ষড়যন্ত্রের অংশ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত এখনই কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া।

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা একা মিলে গত ১৬ বছরে দিল্লির আধিপত্যবাদ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হতো না। এ কাজে জাতীয় পার্টিই ছিল মূল হাতিয়ার।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন, ২০১৪ সালে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব সুজাতা সিং এসে কিভাবে জাতীয় পার্টিকে দিয়ে নির্বাচন করিয়েছিল। এরপর ২০১৮ সালের নির্বাচন হোক বা ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচন—প্রতিটি নির্বাচনের সঙ্গে জাতীয় পার্টি জড়িত ছিল।

জিএম কাদের ও তার দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে ফুয়াদ বলেন, জিএম কাদের আপাদমস্তক ভারতকেন্দ্রিক বক্তব্য দিয়ে আসছেন। সম্প্রতি তার দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাকিব রহমানকে কোনো নোটিশ ছাড়া সরিয়ে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে জিএম কাদের নিজেই বলেছেন, এটি ভারতের হাইকমিশনের নির্দেশে করা হয়েছে। একটি দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদককে ভারতের নির্দেশে বরখাস্ত করা হলে, সেই দল বাংলাদেশের দল হতে পারে না। বরং সেটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি।

তিনি বলেন, আশির দশক থেকে জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে নয়, বরং বিপক্ষে কাজ করছে। এরশাদ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত তারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য কাজ করেছে।

অতএব কোনোভাবেই জাতীয় পার্টিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলা যায় না। যারা বাংলাদেশপন্থী নয়, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাদের কোনো অধিকার থাকতে পারে না, এমনকি নির্বাচনে অংশগ্রহণেরও অধিকার নেই।

এবি পার্টির এই নেতা দাবি করেন, আমরা গত এক বছর ধরে বলে আসছি—জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের স্বার্থে কাজ করে না। আমাদের সেই বক্তব্য এখন বারবার সত্য প্রমাণিত হচ্ছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২৫

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২৫