শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলকে নিষিদ্ধ না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভারতের বিশ্বস্ত সঙ্গী জাতীয় পার্টিসহ গণহত্যা এবং আওয়ামী দুঃশাসনের সহযোগী ১৪ দলকে আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষিদ্ধ করতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট ধারণ করা অন্তত ৮০টি সংগঠন, শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুলাই ঐক্য। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য জানানো হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:০৮

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভারতের বিশ্বস্ত সঙ্গী জাতীয় পার্টিসহ গণহত্যা এবং আওয়ামী দুঃশাসনের সহযোগী ১৪ দলকে আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষিদ্ধ করতে হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট ধারণ করা অন্তত ৮০টি সংগঠন, শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুলাই ঐক্য। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য জানানো হয়।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যদি দেশের প্রথম স্বৈরশাসকের দল জাতীয় পার্টি একই সঙ্গে ১৪ দলের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুলাই ঐক্য। একইসঙ্গে রাজপথে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের ২ দিন পর গত ১৩ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যন্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের সহযোগী ১৪ দলকে নিষিদ্ধের দাবি করে জুলাই ঐক্য।

গত ৩ মাসে আমরা লক্ষ্য করেছি জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের নেতাকর্মীরা নানাভাবে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরিতে লিপ্ত। সম্প্রতি গণমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে জানা যায় জাতীয় পার্টি ঢাকা, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন জায়াগায় থাকা জাতীয় পার্টির অফিসগুলোতে দেশী অস্ত্রের মজুত করে রেখেছে।

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধারা মনে করে দেশের সাধারণ মানুষের উপর আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সময়ের অত্যাচার-অনাচার, গণহত্যা ও গণতন্ত্র ধ্বংসের দায় জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দল কোনো ভাবেই এড়াতে পারে না।

জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গণতন্ত্রের মূলধারাকে ধ্বংস করার পাশাপাশি বারংবার নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করার ইতিহাসে জড়িত থেকেছে।

জুলাই ঐক্য মনে করে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে জাতীয় স্বার্থে এবং গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষার্থে একটি সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির জন্য এ ধরনের রাজনৈতিক দলকে বৈধতা দেওয়া জনস্বার্থবিরোধী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল; ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও

ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যেকোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।’

উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট বলা হয়েছে আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ।

কিন্তু আমরা দেখতে পাড়ছি দুই হাজার শহিদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে শপথ নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কোনো সহযোগী সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।

পুলিশের সামনে জনবহুল এলাকায় আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগীরা অস্ত্র হাতে প্রকাশ্যে মিছিল এবং হাত বোমা বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে। জাতীয় পার্টি জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালানোর পাশাপাশি নানাধরণের হুমকি দিচ্ছে। এ সব কিছুই ঘটছে সরকারের দুর্বলতার কারণে।

জুলাই ঐক্য মনে করে জাতীয় পার্টিসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী ১৪ দলকে অভিলম্বে অন্তর্বর্তী সরকার নিষিদ্ধ এবং বিচারের মুখামুখি না করে তাহলে তা হবে জুলাই স্পিরিটের সঙ্গে সরাসরি গাদ্দারির শামিল।

সরকার যদি গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে গড়িমসি করে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতীয় পার্টি এবং তার সহযোগীদের নিষিদ্ধ এবং নির্বাচন কমিশনের তালিকা থেকে নাম বাতিল না করে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং রাজপথে কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায় করবে জুলাই ঐক্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০৭

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৪৫

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৪৫