রাজধানীর কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংঘর্ষ ও সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালায়। কিন্তু ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে উত্তেজনা বাড়লে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়।
সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও আক্রমণ চালানো হয়,
এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানালেও তা উপেক্ষা করে কিছু নেতাকর্মী সংগঠিতভাবে সহিংসতা চালাতে থাকে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও অশান্ত করা হয়। এসময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ, স্থাপনায় আগুন ধরানোর চেষ্টা ও বিজয়নগর-নয়াপল্টন এলাকায় জনসাধারণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
ফলে জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়। সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
আইএসপিআর বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সেনাবাহিনী এই নীতি পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জননিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে কঠোর অবস্থান নিতে সর্বদা প্রস্তুত। তারা আশ্বাস দিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনী সবসময় বদ্ধপরিকর।
এই ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়। তবে সেনা ও পুলিশ সদস্যদের যৌথ প্রচেষ্টায় রাতের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।