ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এবার কার্যত যুদ্ধ ঘোষণার মতো অবস্থান নিয়েছে সৌদি আরব। অস্ত্র হাতে না নামলেও রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে ইসরাইলকে চাপে রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রিয়াদ।
জেদ্দায় ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের ২১তম অধিবেশনে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বলেন, ফিলিস্তিনিদের উপর চলমান দমনপীড়ন ও গণহত্যা আন্তর্জাতিক আইনের নজিরবিহীন লঙ্ঘন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা এই অপরাধকে আরও ভয়াবহ করছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক শান্তি দুর্বল করছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ইসরাইলকে আর দখলদারিত্ব চালিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। গাজা সিটি দখলের চেষ্টা ও বসতি বিস্তারের নীতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।”
ফিলিস্তিন প্রশ্নে সৌদি আরবের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে প্রিন্স ফয়সাল বলেন, ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই একমাত্র ন্যায়সঙ্গত সমাধান। তিনি আরও জানান, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে এমন দেশের সংখ্যা বাড়ছে, যা এই সংগ্রামের ন্যায্যতার প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থার প্রতিফলন।
এর আগে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে গাজায় ফিলিস্তিনিদের “ইচ্ছাকৃতভাবে অভুক্ত রাখা” ও দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরির নিন্দা জানায়। মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানায়, যদি অবিলম্বে এই গণহত্যা বন্ধ না হয় তবে এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যসহ পুরো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিবেকের ওপর কলঙ্ক হয়ে থাকবে।
জাতিসংঘের খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থা (IPC) ইতোমধ্যে গাজা সিটির খাদ্য সংকটকে সর্বোচ্চ পঞ্চম ধাপে উন্নীত করেছে। এর অর্থ সেখানে মানুষ অনাহারে ভুগছেন এবং খাওয়ার মতো কিছুই পাচ্ছেন না।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?