রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে এক বছরের ব্যবধানে ডাকাতি–ছিনতাই হত্যা : নদীপথ থেকে মহাসড়ক পর্যন্ত আতঙ্ক

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জ—ঢাকার উপকণ্ঠের এ জনপদ একসময় শান্তিপূর্ণ এলাকাই ছিল। তবে গত এক বছরে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে সম্পূর্ণ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে চলতি ২৬ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি ও হত্যার একের পর এক ঘটনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘটতে থাকে। এতে সাধারণ মানুষের মনে ভয়, আতঙ্ক ও ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। গত বছরের ২৩ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ আগস্ট ২০২৫, ২৩:১৪

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জ—ঢাকার উপকণ্ঠের এ জনপদ একসময় শান্তিপূর্ণ এলাকাই ছিল। তবে গত এক বছরে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে সম্পূর্ণ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে চলতি ২৬ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি ও হত্যার একের পর এক ঘটনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘটতে থাকে। এতে সাধারণ মানুষের মনে ভয়, আতঙ্ক ও ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।

গত বছরের ২৩ অক্টোবর সিরাজদিখান উপজেলার মোরিচা এলাকায় ঢাকা–দোহার সড়কে এক যাত্রীবাহী বাসে পুলিশ পরিচয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল স্বর্ণ ব্যবসায়ী রামপ্রসাদ হালদারের কাছ থেকে সাত লাখ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে।

ঘটনাটি আলোড়ন তোলে পুরো জেলায়। পরে পুলিশের অভিযানে মাত্র ১২ দিনের মধ্যে ডাকাত দলের সাতজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং উদ্ধার হয় লুট হওয়া গয়না ও ব্যবহৃত মোটরসাইকেল।

মুন্সিগঞ্জের অপরাধ চক্রের সঙ্গে সবচেয়ে আলোচিত নাম ছিল বাবলা ওরফে উজ্জ্বল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদীপথে ডাকাতি এবং অবৈধ বালু ব্যবসার নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন।

গত বছরের ২২ অক্টোবর রাতে গজারিয়ার মল্লিকের চর এলাকায় এক বন্দুকযুদ্ধে বাবলা নিহত হন। প্রতিপক্ষ চক্রের গুলিতে তিনি মারা যান বলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা। তার মৃত্যুতে এলাকায় স্বস্তি ফিরলেও পরবর্তী মাসগুলোতে নতুন নতুন চক্র মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইকারীরা সক্রিয় থেকে যাচ্ছে। সম্প্রতি পুলিশের অভিযানে ইজিবাইক ছিনতাইকারী একটি সংঘবদ্ধ দলের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে রাতের বেলায় ইজিবাইক চালকদের টার্গেট করে ছিনতাই চালাচ্ছিল।

তবে সবচেয়ে দুঃসাহসী ঘটনা ঘটেছে চলতি মাসে। ২৫ আগস্ট ২০২৫ রাতে গজারিয়ার জামালপুর এলাকায় নবগঠিত পুলিশ ক্যাম্পে অন্তত ৫০–৬০ জন ডাকাত ট্রলারযোগে হামলা চালায়।

আধাঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এ সংঘর্ষে ডাকাতরা ককটেল ও গুলি চালায়। পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়ে অন্তত ২৪ রাউন্ড শেল নিক্ষেপ করে। পরে ডাকাতরা চাঁদপুরমুখী নদীপথে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ডাকাতরা এত বড় দুঃসাহস দেখাতে পারছে কারণ তাদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও অস্ত্রের মজুদ রয়েছে। এ ধরনের হামলা পুলিশের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

একাধিক এলাকাবাসী জানান, সন্ধ্যার পর থেকে রাস্তায় চলাফেরা করতে ভয় পাচ্ছেন তাঁরা। বিশেষ করে নদীপথে ট্রলারযোগে যাতায়াতকারীরা সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে রয়েছেন। ব্যবসায়ীরাও ভোগান্তিতে—স্বর্ণ, নগদ অর্থ কিংবা পণ্য পরিবহন করতে হলে নিরাপত্তা নিয়ে দ্বিগুণ চিন্তায় পড়তে হচ্ছে।

মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, “অপরাধীদের দমনে আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। কয়েকটি বড় ডাকাত চক্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে নদীপথের অপরাধ মোকাবেলায় আরো সমন্বিত পদক্ষেপ দরকার।”

আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিয়মিত টহল, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত না করলে এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। বিশেষ করে নদীপথে নজরদারি বাড়াতে ড্রোন, আধুনিক ট্রলার ও রাডার ব্যবহারের ওপর জোর দিতে হবে।

গত এক বছরে মুন্সিগঞ্জে সংঘটিত একের পর এক ডাকাতি, ছিনতাই ও হত্যার ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। পুলিশ কয়েকটি বড় চক্র ধরতে সক্ষম হলেও অপরাধের মাত্রা কমেনি।

বরং নতুন নতুন কৌশলে সংঘবদ্ধ অপরাধীরা নিজেদের সক্রিয় রাখছে। ফলে স্থানীয় মানুষ বলছেন, “নিরাপত্তাহীনতার ভয় নিয়ে আমরা আর বাঁচতে চাই না—প্রশাসনকে আরও শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিতে হবে।”

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।