রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

চাপ দিয়ে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার করানো হয়েছে: নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর অভিযোগ করেছেন, কিছু ব্যক্তি যোগসাজশে মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথী ও তার ছেলে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করিয়েছে। সোমবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা বলেন নুর। নুরুল হক নুর দাবি করেন, ‘জনকণ্ঠ’ দখলের ন্যায় ‘মাই টিভি’ দখলেও সুপরিকল্পিতভাবে কিছু ব্যক্তি পরস্পর […]

চাপ দিয়ে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার করানো হয়েছে: নুর

চাপ দিয়ে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার করানো হয়েছে: নুর

নিউজ ডেস্ক

২৬ আগস্ট ২০২৫, ১২:২৪

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর অভিযোগ করেছেন, কিছু ব্যক্তি যোগসাজশে মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথী ও তার ছেলে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করিয়েছে।

সোমবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা বলেন নুর।

নুরুল হক নুর দাবি করেন, ‘জনকণ্ঠ’ দখলের ন্যায় ‘মাই টিভি’ দখলেও সুপরিকল্পিতভাবে কিছু ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথী ও তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করিয়েছে। এতোদিন তারা নগদ ৫ কোটি কিংবা শেয়ার লিখে নেয়ার দেনদরবার করেছে, সমঝোতায় মিলেনি, তাই ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল মবের মাধ্যমে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার করিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুর বলেন, এই যে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে যাত্রাবাড়ী থানার ছাত্র হত্যা মামলায় আসামি করে ১ বছর পর গ্রেপ্তার করানো হয়েছে। মামলার বাদী কি জানে এই মামলায় কাকে কাকে আসামি করা হয়েছে? তৌহিদ আফ্রিদি কিংবা তার বাবা ‘ছাত্র হত্যা’ করেছে এই মামলা প্রমাণ করতে পারবে? তাহলে কেন এই নাটক?

আফ্রিদি যদি লীগের হয়ে কিছু করে থাকে সেজন্য তাকে সুনির্দিষ্টভাবে সেসব অভিযোগে মামলা দেওয়া যেত বলে উল্লেখ করেন নুর। তিনি প্রশ্ন তুলেন, সে ধরনের মামলা না করে কেন তাকে ও তার বাবাকে যাত্রাবাড়ীর ‘ছাত্র হত্যা’র মামলায় ভিত্তিহীনভাবে আসামি করে এক বছর পর গ্রেপ্তার করানো হলো? এই যে হঠাৎ বিপ্লবের চেতনায় দখলদার হয়ে ওঠা ‘ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল মব’ সৃষ্টিকারী দুর্বৃত্তদের চাপে প্রশাসন মাঝে মাঝে কিছু বিবেচনাহীন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এর প্রভাব কি প্রশাসন বা আমরা উপলব্ধি করতে পারতেছি?

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই সরাসরি রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত না থাকার ফলে এ দুজনের গ্রেপ্তার দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনসহ অনেকক্ষেত্রে রেফারেন্স হবে যে, এভাবে যারা ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট নয়, গণমাধ্যমের মালিক/ব্যবসায়ী/সেলিব্রিটিরাও মবের শিকার হচ্ছে। তাদেরকেও ঢালাওভাবে আসামি করে প্রশাসন অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার হয়রানি, মামলা বাণিজ্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। ফলে প্রকৃত অপরাধীদেরও বেলাতেও রেফারেন্স হিসেবে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠন ও অন্যান্য সংস্থা এগুলোকে উদাহরণ হিসেবে তাদের রিপোর্টে তুলে ধরবে (এ বিষয়টি হয়তো সাধারণ মানুষ অনেকেই বুঝবে না, তাদের জন্য বলা; মাঝে মাঝে নিশ্চয়ই দেখেছেন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ পশ্চিমা দেশসমূহ লীগ আমলে বাংলাদেশে বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন নিয়ে রিপোর্ট দিতো) ব্যবহার করবে।

এসব ইস্যুতে সরকারের ওপর দেশি-বিদেশি চাপ বাড়বে, ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেখা যাবে দেশি-বিদেশি চাপে অনেকক্ষেত্রে সরকার/আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ গ্রহণে পিছপা হতে বাধ্য হবে বলে মনে করেন নুর। তিনি বলেন, কার্যত এসব ভুল পদক্ষেপ প্রকারান্তে ফ্যাসিবাদের ফেরারই রাস্তা তৈরিতেই সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

সবশেষে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর বলেন, ‘জনকণ্ঠ’ দখলের ন্যায় ‘মাই টিভি’ দখলেও যারা প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এগুলো করাচ্ছে তাদের মুখোস উন্মোচন করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

গত ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে সিআইডি তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার (২৬ আগস্ট) আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি আন্দোলন দমনে লাইভ প্রচারে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং সরকারপন্থী শক্তিকে মদদ জোগান, যার জেরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে আসাদুল হক বাবু নিহত হন।

এই মামলায় নিহতের বাবা গত বছরের ৩০ আগস্ট শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তাতে তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নম্বর এবং তার বাবা নাসির উদ্দিন সাথী ২২ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। গত ১৭ আগস্ট গুলশান থেকে নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া

হাসনাতকে মাথায় নয়, ঘাড়ে গুলি করার পরামর্শ : ভারতীয় সাবেক কর্ণেল

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহকে পরবর্তী টার্গেট হিসেবে উল্লেখ করে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিসংক্রান্ত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে ভারতের সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এক্সে দেওয়া ওই পোস্টে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়না দাবি […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১:৩৯

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহকে পরবর্তী টার্গেট হিসেবে উল্লেখ করে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিসংক্রান্ত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে ভারতের সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এক্সে দেওয়া ওই পোস্টে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়না দাবি করেন, ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির পরবর্তী টার্গেট হতে পারেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। পোস্টে তিনি কোথায় গুলি করা উচিত—সে সম্পর্কেও মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই বক্তব্যে বলা হয়, “মাথায় নয়, ঘাড়ে গুলি করতে হবে। প্রথমে তাকে নিশ্চুপ করতে হবে।” এমন মন্তব্যকে অনেকেই সরাসরি মৃত্যুহুমকি হিসেবে দেখছেন।

পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বাংলাদেশের একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মিডিয়া হ্যান্ডলার দাবি করেন, এটি কোনো সাধারণ মতামত নয়; বরং আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য হত্যার হুমকি। কেউ কেউ ইনকিলাব মঞ্চের নেতা হাদির ওপর সাম্প্রতিক হামলার সঙ্গেও এই বক্তব্যের সম্ভাব্য যোগসূত্র থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—একজন সাবেক ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকের এমন বক্তব্যের দায় ভারতীয় কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মহল এড়াতে পারে কি না। বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্ক ও নিরাপত্তা সংবেদনশীলতার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অন্য একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি বিষয়টিকে তুচ্ছ আখ্যা দিয়ে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট নিয়ে অতিরিক্ত সংবেদনশীল হওয়ার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে ‘বাড়াবাড়ি না করার’ পরামর্শ দেন, নতুবা উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন।

সোশ্যাল মিডিয়া

আমি দরকার হলে জামায়াতের সাথে কথা বলবো, যেন হাদির আসনে কোন প্রার্থী না দেয় : ইলিয়াস হোসেন

মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির সুস্থতা ও প্রত্যাবর্তনের কামনায় আবেগঘন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জামায়াতের নেতাদের পায়েও ধরবেন, তবু হাদিকে ফিরে আসতেই হবে। ফেসবুক পোস্টে ইলিয়াস হোসেন জানান, ঢাকা–৮ আসনে সাদিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:৪১

মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির সুস্থতা ও প্রত্যাবর্তনের কামনায় আবেগঘন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জামায়াতের নেতাদের পায়েও ধরবেন, তবু হাদিকে ফিরে আসতেই হবে।

ফেসবুক পোস্টে ইলিয়াস হোসেন জানান, ঢাকা–৮ আসনে সাদিক কায়েমের নাম প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসার পর ওসমান হাদি তাকে স্বাগত জানিয়ে একটি পোস্ট করেন। ওই পোস্টটি করার পর হাদি কেন জানি পোস্টের লিংক তাকে পাঠান। ইলিয়াসের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে হয়তো হাদি বোঝাতে চেয়েছিলেন—সাদিক কায়েমের মতো শক্তিশালী প্রার্থীর বিপরীতে যেন জামায়াত কোনো প্রার্থী না দেয়।

ইলিয়াস হোসেন লেখেন, কোনো কিছু জিজ্ঞেস না করেই তিনি হাদিকে রিপ্লাই দিয়েছিলেন যে, তিনি জামায়াতের সঙ্গে কথা বলবেন, যাতে হাদির আসনে জামায়াত কোনো প্রার্থী না দেয়। ওই বার্তায় হাদি একটি লাভ রিঅ্যাক্ট দেন। ইলিয়াস জানান, ডিসেম্বরের ৬ তারিখে সেটিই ছিল তাদের শেষ যোগাযোগ।

পোস্টের শেষ অংশে ইলিয়াস হোসেন আবেগঘন ভাষায় লেখেন, “হাদি, ভাই আমার—আমি দরকার হলে জামায়াতের নেতাদের পায়ে ধরবো ভাই, তবে তোকে কিন্তু ফিরে আসতে হবে। প্লিজ ভাই, তুই আবার আগের মতো ফোন করবি, টেক্সট করবি, আবদার করবি, প্রোগ্রামের সূচি পাঠাবি—আমি আমার পেইজে শেয়ার দেবো ইনশাআল্লাহ।”

ইলিয়াস হোসেনের এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মন্তব্য করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া

গণভোটে কেন ‘না’ ভোট দেবেন, জানালেন আসিফ মাহতাব

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মাহতাব উৎস। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এর কারণ স্পষ্ট করেছেন তিনি। আসিফ মাহতাব বলেন, আপনারা অনেকেই মেসেজ দিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে জুলাই সনদে আমি ‘হাঁ’ ভোট দেব নাকি […]

গণভোটে কেন ‘না’ ভোট দেবেন, জানালেন আসিফ মাহতাব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:০৭

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মাহতাব উৎস।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এর কারণ স্পষ্ট করেছেন তিনি।

আসিফ মাহতাব বলেন, আপনারা অনেকেই মেসেজ দিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে জুলাই সনদে আমি ‘হাঁ’ ভোট দেব নাকি ‘না’ ভোট দেব? বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আমি অনলাইনে সক্রিয় থাকতে পারি না। আপনারা যেহেতু প্রচুর সংখ্যক মানুষ মেসেজ দিয়েছেন, তাই আমি ভিডিও বার্তায় তার উত্তর দিচ্ছি। আমার উত্তর হচ্ছে, জুলাই সনদে আমি ‘না’ ভোট দেব।

কেন ‘না’ ভোট দেবেন, কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করছি। জুলাই সনদের ৮৪ নম্বর ধারায় বলা আছে, জুলাই সনদ যদি বাস্তবায়ন হয়, তাহলে বাংলাদেশ ‘ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপে’ যোগ দেবে। ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ জিনিসটা কী? জুলাইয়ে আমরা যে আন্দোলন করেছি তার সঙ্গে এর সম্পর্কটা কী? আমরা কি ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপে যোগ দেওয়ার জন্য আন্দোলন করেছি?

‘ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপের’ কার্যক্রম প্রসঙ্গে আসিফ মাহতাব উৎস বলেন, ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ হচ্ছে ‘এলজিবিটিকিউ রাইটস’-এর পক্ষে কাজ করা। অর্থাৎ এর মাধ্যমে এলজিবিটিকিউ রাইটস বাস্তবায়ন করা হবে। সুতরাং জুলাই সনদ পাস হলে তারা বলবে, এটা তো পাস হয়ে গেছে, আপনাকে এখন এলজিবিটিকিউ বাস্তবায়ন করতে হবে।

আসিফ মাহতাব বলেন, আমি তো ওপেন সোসাইটির জন্য সংগ্রাম করিনি, আপনিও করেননি। কিন্তু আপনাকে ভোট দেওয়ানো হবে এবং ভোট দেওয়ানোর পরে এগুলো (এলজিবিটিকিউ) বাস্তবায়নও করা হবে।

এরপর তিনি জুলাই সনদ থেকে এলজিবিটিকিউ সংশ্লিষ্ট আরও দুটি প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। সেখানে ‘ইনক্লুসিভ’ এবং ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ শব্দমালা তুলে ধরে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এসব শব্দের মারপ্যাচে এলজিবিটিকিউকে আইন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করার পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।

ভিডিও বার্তায় এই অ্যাক্টিভিস্ট দাবি করেন, জুলাই সনদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্কই নেই। তিনি এর স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট ডা. জাহেদ উর রহমানের একটি টকশো আলোচনার খণ্ডিত অংশ তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বুঝানোর চেষ্টা করছে যে, জুলাই সনদে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া হলে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ রুদ্ধ করা যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ বন্ধ হবে না। এমনকি আওয়ামী লীগ যদি ফিরে আসে, তাহলে তারা এটি খুব সহজে বাতিলও করে দিতে পারবে।

এ ছাড়া জুলাই সনদের মাধ্যমে উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে, সেটিও অবাস্তব বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।