সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আমতলীতে অসম বাল্যবিয়ে ও নির্যাতন, ছয়জন আহত

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা  ৩৮ বছর বয়সী সৌদি প্রবাসি আব্দুল হালিম হাওলাদারের সঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ুয়া ১৩ বছর বয়সি জান্নাতুলকে বাল্য বিয়ে দেয়া হয়। স্বামীর যৌন নির্যাতন সইতে না পেরে বাবার বাড়ীতে চলে আসে। স্বামীর বাড়ীতে যেতে রাজি না হওয়ায় বাবা আবু জাফর হাওলাদার ও তার লোকজন মিলে মেয়ে, মা, মামা ও মামীসহ ছয়জনকে পিটিয়ে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৩৯

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা 

৩৮ বছর বয়সী সৌদি প্রবাসি আব্দুল হালিম হাওলাদারের সঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ুয়া ১৩ বছর বয়সি জান্নাতুলকে বাল্য বিয়ে দেয়া হয়। স্বামীর যৌন নির্যাতন সইতে না পেরে বাবার বাড়ীতে চলে আসে। স্বামীর বাড়ীতে যেতে রাজি না হওয়ায় বাবা আবু জাফর হাওলাদার ও তার লোকজন মিলে মেয়ে, মা, মামা ও মামীসহ ছয়জনকে পিটিয়ে জখম করেছে। আহতদের পুলিশ উদ্ধার করে শুক্রবার রাতে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার নাচনাপাড়া গ্রামে শুক্রবার বিকেলে।  জানাগেছে, আমতলী উপজেলার নাচনাপাড়া গ্রামের আবু জাফর হাওলাদারের ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়–য়া কন্যা জান্নাতুলকে কড়াইবুনিয়া গ্রামের হারুন-অর রশিদ হাওলাদারের ৩৮ বছর বয়সি সৌদি প্রবাসী ছেলে আব্দুল হালিম হাওলাদারের সঙ্গে গত ২ এপ্রিল জোরপুর্বক বিয়ে দেয়।

গত ১৩ জুন স্বামী হালিম স্ত্রীকে তার বাড়ীতে তুলে নেয়। তুলে নেয়ার পর থেকেই স্ত্রী জান্নাতুলকে যৌন নির্যাতন করে আসছে বলে অভিযোগ স্ত্রী জান্নাতুলের। স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে গত ২২ জুলাই বাবার বাড়ীতে চলে আসে। পরে বাবাকে জানিয়ে দেয় সে আর স্বামীর বাড়ীতে যাবে না। এতে বেঁকে বসেন বাবা আবু জাফর হাওলাদার, চাচা ফোরকান হাওলাদার ও তার দাদা নুরুল ইসলাম হাওলাদার।

পরে জান্নাতুল ২৫ জুলাই পালিয়ে ঢাকায় মা আইরিন বেগমের কাছে চলে যায়। শালিস বৈঠক হওয়ার কথা বলে মেয়েকে বাড়ীতে আনে। শুক্রবার মেয়েকে বাবা আবু জাফর হাওলাদার স্বামীর বাড়ীতে যেতে বলে। কিন্তু যেতে রাজি হয়নি।

এতে ক্ষুব্দ হয়ে বাবা, চাচা ও দাদাসহ ৮-১০ জনে মেয়েকে মারধর শুরু করে। মেয়েকে রক্ষায় মা আইরিন বেগম, বোন লামিয়া, মামী শিরিনা আক্তার, মামা মিজানুর রহমান ও মামাতো ভাইয়ের ছেলে বায়েজিত এগিয়ে আসলে তাদের পিটিয়ে জখম করে এবং ঘরের মধ্যে আটকে রাখে।

খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। মেয়ের জান্নাতুল বলেন, বাবা আবু জাফর হাওলাদার, দাদা নুরুল ইসলাম হাওলাদার ও চাচা ফোরকান হাওলাদার আমাকে জোর করে একজন বয়স্ক ব্যক্তির কাছে বিয়ে দিয়েছেন। স্বামী যৌন নির্যাতন সইতে না পেরে আমি তার বাড়ীতে যেতে রাজি হয়নি।

এতে আমার বাবা, চাচা , দাদা ও প্রতিবেশী ৮-১০ জন লোক মিলে আমাকে, আমার মা, বোন, মামা, মামিসহ ছয়জনকে পিটিয়ে জখম করেছে। আমি এ ঘটনার শাস্তি দাবী করছি। মা আইরিন বেগম বলেন, আমার মেয়ের বয়স ১৩ বছর। ঢাকার একটি মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ে। এই বয়সের মেয়েকে ৩৮ বছর বয়সের একটি ছেলের সঙ্গে আমার স্বামী, শ্বশুর ও তার স্বজনরা মিলে বিয়ে দিয়েছেন।

জামাতার শারীরিক নির্যাতন সইতে না পেরে মেয়ে ওই জামাতার সঙ্গে যাবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু মেয়েকে তার বাবা শুক্রবার জামাতার বাড়ী জোর করে পাঠাতে চায়। মেয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় মেয়েসহ ছয়জনকে বেধরক মারধর ও আটকে রেখেছে। তিনি আরো বলেন, প্রতিবেশী জসিম হাওলাদার আমাকে পানিতে চুবিয়ে মেরে ফেলতে চেষ্টা করেছে।  

বাবা আবু জাফর হাওলাদার মারধর ও আটকের কথা অস্বীকার করে বলেন, মেয়ে জামাতার বাড়ী যেতে না চাওয়ায় আমি গালাগাল করেছি। মেয়ে যেতে না চাইলে আমি ওই জামাতার কাছে পাঠাবো না। জামাতার বয়স সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বয়স একটু বেশীই আছে।

স্বামী আব্দুল হালিম হাওলাদার যৌন নির্যাতনের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে আমার সহবাসই হয়নি, তাহলে আমি শারীরিক নির্যাতন করলাম কিভাবে? বয়স জানতে চাইলে বলেন, আমার বয়স ৩০ বছর হবে।

ভোটার আইডি কার্ড দেখে জন্ম তারিখ জানতে চাইলে তার কাছে ভোটার আইডি কার্ড নেই বলে জানান।  আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ লুনা বিনতে হক বলেন, আহতদের চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) সাইদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।