মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

গাজায় সাংবাদিক হত্যা ইরানের নিন্দা: সত্যের কণ্ঠ থামানো যাবে না

ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাস্টিং সংস্থার বহির্বিশ্ব শাখা এক বিবৃতিতে গাজায় সাংবাদিকদের তাঁবুতে ইহুদিবাদী সরকারের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। সোমবার সকালে, ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর বাহিনী গাজা শহরের “আশ-শিফা” হাসপাতাল কমপ্লেক্সের প্রধান প্রবেশপথের সামনে সাংবাদিকদের একটি তাঁবুতে হামলা  চালিয়ে যেখানে আল জাজিরার সাংবাদিকসহ ছয়জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক এবং ক্যামেরাম্যানকে হত্যা করেছে।  এই সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান […]

গাজায় সাংবাদিক হত্যা ইরানের নিন্দা: সত্যের কণ্ঠ থামানো যাবে না

গাজায় সাংবাদিক হত্যা ইরানের নিন্দা: সত্যের কণ্ঠ থামানো যাবে না

এডিটর

১২ আগস্ট ২০২৫, ২২:৫৪

ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাস্টিং সংস্থার বহির্বিশ্ব শাখা এক বিবৃতিতে গাজায় সাংবাদিকদের তাঁবুতে ইহুদিবাদী সরকারের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

সোমবার সকালে, ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর বাহিনী গাজা শহরের “আশ-শিফা” হাসপাতাল কমপ্লেক্সের প্রধান প্রবেশপথের সামনে সাংবাদিকদের একটি তাঁবুতে হামলা  চালিয়ে যেখানে আল জাজিরার সাংবাদিকসহ ছয়জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক এবং ক্যামেরাম্যানকে হত্যা করেছে।  এই সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাস্টিং সংস্থার বহির্বিশ্ব শাখা এক বিবৃতি দিয়েছে। 

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান সম্প্রচার সংস্থার বহির্বিশ্ব দপ্তর গাজার আল-শিফা হাসপাতালের আশেপাশে সাংবাদিকদের তাঁবুতে হামলায় সম্মানিত শহীদ আনাস আল-শরীফ, মোহাম্মদ কারিকা, ইব্রাহিম জহির, মোমিন আলিওয়া, মোহাম্মদ নওফাল এবং মোহাম্মদ আল-খালিদির ওপর ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশিত সন্ত্রাসী হামলার  নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে এইসব অপরাধমূলক তৎপরতা যা ইসরায়েল ৭ অক্টোবর ২০২৩ সাল থেকে গাজায় গণমাধ্যম কর্মীদের ওপর ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রেখেছে তা কেবল অসহায় মানুষের জীবনের উপর আক্রমণ নয়, বরং সত্য, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং বিশ্বের মানুষের স্বাধীন সংবাদ ও তথ্য পাওয়ার অধিকার ও রক্তাক্ত গাজা উপত্যকায় ভুয়া ইসরায়েলি সরকারের নির্লজ্জ ও নজিরবিহীন অপরাধের শিকার হওয়া মানুষের কণ্ঠস্বর শোনার মৌলিক অধিকারের উপরও আক্রমণ।

আন্তর্জাতিক আইন, বিশেষ করে জেনেভা কনভেনশন এবং এর অতিরিক্ত প্রোটোকল (১৯৭৭) এর ভিত্তিতে সাংবাদিকরা বেসামরিক নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত এবং সশস্ত্র সংঘাতের ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখেন। 

সাংবাদিকদের ওপর হামলা “যুদ্ধাপরাধের” একটি স্পষ্ট দৃষ্টান্ত যা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) সংবিধির ৮ অনুচ্ছেদের অধীনে বিচারযোগ্য এবং শাস্তিযোগ্য। অথচ ইহুদিবাদী দখলদার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পশ্চিমা শক্তিগুলোর অবৈধ দায়মুক্তির ছায়ায় ও রাজনৈতিক সমর্থন নিয়ে বছরের পর বছর ধরে সাংবাদিকদের শারীরিকভাবে নির্মূল করার নীতি অব্যাহত রেখেছে। 

এভাবে ইসরায়েল কার্যত আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সমস্ত ধারা ও রীতিকে পদদলিত করছে; একইসাথে ইসরায়েল সাংবাদিকদের ওপর গত রাতের এসব নৃশংস হামলার বিষয়টি নির্লজ্জভাবে স্বীকার করেছে।

আইআরআইবির বহির্বিশ্ব বিভাগের সচিবালয় জোর দিয়ে বলেছে যে সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করা মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রের ১৯ অনুচ্ছেদ এবং নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তির ১৯ অনুচ্ছেদের গুরুতর লঙ্ঘন এবং এই পদক্ষেপ জাতিগুলির তথ্য অধিকারের উপর সরাসরি আক্রমণ। 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আজকের বিশ্বে আগের যেকোনো সময়ের চেয়েও বেশি সাহসের সাথে সত্য প্রকাশকারী সাংবাদিকদের মুখাপেক্ষী। তাই তাদের কণ্ঠস্বরকে দমন করার যেকোনো প্রচেষ্টা স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারেরই বিরোধিতা।

আমরা জাতিসংঘ, মানবাধিকার পরিষদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষাকারী সংস্থাগুলোকে দৃঢ়তার সাথে ও দ্বিমুখিতা ছাড়াই এই অপরাধের তদন্ত করার এবং এই অপরাধের ঘটকদের ও নির্দেশদাতাদেরকেও বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি।

আমরা বিশ্বের সকল মুক্ত গণমাধ্যমকে এই ভয়াবহ ঘটনার মুখে নীরব না থাকার এবং সংহতি ও ঐক্য বজায় রেখে ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের রক্তকে বিস্মৃত হতে না দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রেডিও ও টেলিভিশনের বহির্বিশ্ব বিভাগীয় প্রধানের সচিবালয় সম্প্রতি শহীদ-হওয়া ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের আত্মীয়দের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করার পাশাপাশি নির্যাতিত গাজার ২৩৮ জন শহীদ সাংবাদিকের পরিবার এবং এর প্রতিরোধী জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে তারা সত্য তুলে ধরতে ও ইহুদিবাদী জালিম সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অপরাধের মাত্রা প্রকাশে যথাসাধ্য চেষ্টা করবে।

বিবৃতির শেষাংশে বলা হয়েছে: সত্যের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করা যাবে না, এবং আনাস আল-শরীফ, মুহাম্মদ কারিকা, ইব্রাহিম জহির, মোমিন আলিওয়া, মুহাম্মদ নওফাল এবং মুহাম্মদ আল-খালিদির রক্ত হৃদয়ে স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার শিকড়কে আরও শক্তিশালী করবে।

উল্লেখ্য, কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এবং রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সসহ(আরএসএফ) স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বারবার ফিলিস্তিনে সাংবাদিকদের নিহত হওয়ার সংখ্যা নজিরবিহীন হারে বৃদ্ধি সম্পর্কে হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবং এইসব অপরাধের নিরপেক্ষ ও তাৎক্ষণিক তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু ন্যায়বিচার পরিচালনায় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলির অনিচ্ছা ও নিষ্ক্রিয়তা দখলদার শাসকগোষ্ঠীর কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে যে তারা শাস্তির ভয় ছাড়াই বার বার আইন লঙ্ঘন করতে পারে।

সূত্রঃ পার্সটুডে

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৭১

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৭১

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৭১

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৭১