রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

দীপু মনির অন্যায় আবদার না রাখতে ক্যাম্পাসে যেতাম কম: বেরোবির সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় গ্রেপ্তার রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত এ আদেশ দেন। শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে দুষেছেন তিনি। আটকের পর বিকেলে […]

দীপু মনির অন্যায় আবদার না রাখতে ক্যাম্পাসে যেতাম কম: বেরোবির সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহ

দীপু মনির অন্যায় আবদার না রাখতে ক্যাম্পাসে যেতাম কম: বেরোবির সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৫৩

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় গ্রেপ্তার রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত এ আদেশ দেন। শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে দুষেছেন তিনি।

আটকের পর বিকেলে আদালতের এজলাসে আনা হয় কলিমুল্লাহকে। বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে ডকে বসেন তিনি। ৪টা ১৬ মিনিটে বিচারক এজলাসে আসেন। ৪টা ২২ মিনিটে শুনানি শুরু হয়।

শুরুতে দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমী বলেন, আজকের এই দুর্নীতি মামলায় আসামি পাঁচজন। তারা যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেন। ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বার্থ হাসিলে ভবন নির্মাণের কাজ দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানকে দেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী শাহনাজ আক্তার বলেন, উপাচার্য নিয়মবহির্ভূতভাবে কিছু করেননি। এ সময় আইনজীবীরা তাঁর জামিন ও কারাগারে ডিভিশন চান।

বিচারক বলেন, আপনারা একবার জামিন চাচ্ছেন। আবার কারাগারে ডিভিশন চাচ্ছেন। এটা সাংঘর্ষিক।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, দুদকের মামলা হঠাৎ করে হয় না। বিস্তর তদন্ত হয়।

এ সময় বিচারক আসামির কোনো কথা আছে কিনা জিজ্ঞেস করেন। উত্তরে কলিমুল্লাহ বলেন, ২০১৭ সালে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। অনিয়ম-দুর্নীতি করিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কাজ করেছি।

বিচারক বলেন, আপনার ক্যাম্পাস কোথায়? আপনি তো এক হাজার ৩৫২ দিনের মধ্যে এক হাজার ১১৫ দিন ঢাকায় ছিলেন।

উত্তরে কলিমুল্লাহ বলেন, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আমার কাছে অন্যায় আবদার করতেন। উনিই আমার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা (অপপ্রচার) ছড়িয়েছেন। তাঁর অন্যায় আবদার না রাখতে ক্যাম্পাসে যেতাম কম।

এ সময় বিচারক বলেন, আপনি কীভাবে ক্যাম্পাসে সময় দিতেন? আপনি তো ঘণ্টার পর ঘণ্টা টকশোতে সময় দিতেন।

এর উত্তরে তিনি বলেন, আমি ১৭-১৮ ঘণ্টা কাজ করেছি।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, আপনি এত সময় দিলে টকশো করতেন কখন? উত্তরে তিনি বলেন, আমি সারাদিন কাজ করে রাতে টকশো করতাম।

বিচারক কলিমুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন, আপনার মা ও আপনি কেন একই নিয়োগ বোর্ডে ছিলেন? এর উত্তরে সাবেক উপাচার্য বলেন, শিশু ও পরিবার মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ছিলেন মা। সরকারিভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত।

বিচারক জানতে চান, তিনি কীভাবে একাধারে উপাচার্য, বিভাগের চেয়ারম্যান ও অনুষদের ডিন ছিলেন। উত্তরে কলিমুল্লাহ বলেন, এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ধারাবাহিক নিয়ম। এখানে আমার কোনো হাত নেই। আমার করা কোনো আইন নয়। এ সময় বিচারক বলেন, চার বছরে ৯৯ কোটি টাকার কাজ ছাড়া আর কী কী কাজ বিশেষ উন্নয়নে হয়েছে? এর উত্তরে তিনি বলেন, এই উন্নয়ন আগের উপাচার্যের আমলের। নকশাও আগের।

নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তিনি বলেন, আমি দীপু মনির ভর্তি বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছিলাম। এ কারণে তিনি আমাকে ফাঁসিয়েছেন। বিচারক বলেন, আপনার বিরুদ্ধেও এসব অভিযোগ আছে। তদন্ত হবে।

এ সময় আদালতকে তিনি বলেন, নো-নেভার, আমি কোনো অন্যায় করিনি। বিচারক বলেন, কী করেছেন, এটা আপনি জানেন। আলিমুল গায়েব জানেন। কিছুদিন পর দুদক জানবে। এর পর বাকি মানুষ জানবে।

তিনি বলেন, কিছু মনে না করলে আমি একটা কথা বলি স্যার। আমি সকালে নাশতা করে বসেছিলাম। অপ্রস্তুত অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। আমি ভেবেছিলাম, আমাকে দুদক থেকে তলব করা হবে। কিন্তু আমাকে তলব করা হয়নি। আমার আপত্তি আছে। বিচারক বলেন, আপনি কেন আপত্তি করবেন? কবরে ও জেলে একাই যেতে হবে। যারা দুর্নীতি করেছে, তারা অনেকে জেলে, অনেকে বিদেশে।

এ সময় তিনি নিজেকে গ্রেড ওয়ান পার্সন বলে পরিচয় তুলে ধরেন। তখন বিচারক বলেন, নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে জেলে যেতে হবে। আপনার যে চিকিৎসা দরকার, সেটা জেল কর্তৃপক্ষ দেবে। এ কথা বলে আদালত শেষ করে বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিটে এজলাস ত্যাগ করেন বিচারক।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

এদিন দুদকের মামলায় রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ ও সাবেক উপাচার্য এ কে এম নূর-উন-নবীসহ পাঁচজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন একই আদালত। নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন– বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদার মো. আ. সালাম বাচ্চু এবং এম এম হাবিবুর রহমান।

অন্যান্য খবর

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন […]

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

নিউজ ডেস্ক

৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:৫৮

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন ও পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ–এর বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো স্বচ্ছ ভিশন বা পরিকল্পনা নেই। তার মতে, আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও থাকবে এবং জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে—দুটোই একই রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ।

আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিজে না দাঁড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর পেছনে মূল কারণ হলো জামায়াত–আওয়ামী লীগের এই পারস্পরিক অস্তিত্বের বাস্তবতা। তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ার চেষ্টা ছিল। তবে এনসিপি যখন পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।

জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা পুরোনো কাঠামোর অংশ। এ ধরনের জোটে এমন প্রশ্ন তৈরি হয়, যার সন্তোষজনক উত্তর নেই। আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতির দিক থেকে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের মেলবন্ধন সম্ভব নয় বলেও মত দেন তিনি।

ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক করে মাহফুজ আলম বলেন, ক্ষমতায় যে দলই আসুক—বিএনপি বা জামায়াত—সমাজের ভেতরের ক্ষত সারাতে না পারলে কোনো সরকারই টিকবে না। তার মতে, কাগজে–কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা না হলে মব সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতে থাকবে।

সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমেছে; সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে তাদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় আসতে হবে।

বর্তমানে রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম বই পড়া ও হতাশ তরুণদের সঙ্গে আলাপে সময় দিচ্ছেন বলে জানান। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো কেন বাস্তবায়িত হয়নি এবং সামনে কীভাবে এগোনো উচিত।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ২৮ আগস্ট মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হন এবং ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যান্য খবর

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

বিএনপির সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে টেলিফোনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র। এদিকে আজ সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে মন্ত্রিসভার […]

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১১

বিএনপির সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে টেলিফোনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র।


এদিকে আজ সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর উপজেলা) আসনের সাংসদ। তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তৃতীয়বারের মতো এই আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৯ ভোট।

অন্যান্য খবর

ইরাকের আল-আসাদ বিমানঘাঁটি ছেড়ে চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। সেখানে মার্কিনি ছাড়াও তাদের নেতৃত্বাধীন অন্যান্য দেশের সেনারাও ছিল। তারা ঘাঁটি ছাড়ার পর এটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনী। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২০ সালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের চৌকস ইউনিট কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪১

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। সেখানে মার্কিনি ছাড়াও তাদের নেতৃত্বাধীন অন্যান্য দেশের সেনারাও ছিল। তারা ঘাঁটি ছাড়ার পর এটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনী।

গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

২০২০ সালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের চৌকস ইউনিট কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এর বদলা নিয়ে আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে বিপুল মিসাইল ছুঁড়েছিল ইরান। এতে এ ঘাঁটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ইরানের হামলার তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে ওই সময় সেখানে থাকা মার্কিন সেনাদের অনেকের মানসিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল।

২০২৪ সালে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে চুক্তি হয়। এর অংশ হিসেবেই ঘাঁটি থেকে সরে গেছে মার্কিন সেনারা।

ইরাকি সেনাবাহিনীর এক কর্নেল যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের ঘাঁটি ছাড়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে অল্প কয়েকজন সেখানে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তারা শুধুমাত্র কিছু লজিস্টিক কাজের জন্য এখানো এ ঘাঁটিতে আছেন। কাজ শেষ হলে তারাও চলে যাবেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে এর বেশি তথ্য জানাননি ইরাকের সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা।

যুক্তরাষ্ট্র কখন সেনাদের প্রত্যাহার করা শুরু করেছিল সেটি নিশ্চিত নয়। শোনা গিয়েছিল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে শত শত সেনা এখান থেকে চলে যাবেন। আর ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঘাঁটি খালি করে দেবেন তারা।