রাজধানী ঢাকায় চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাজারো মানুষের গণমিছিল। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেলে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে প্রেসক্লাব পর্যন্ত এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
‘ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই গণমিছিলের মূল দাবি ছিল—গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, ইসলামবিদ্বেষী অপশক্তির প্রতিরোধ, এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম। মিছিল শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে চরমোনাই পীর বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আজ নতুন ভোরের প্রত্যাশায়। দীর্ঘদিনের শোষণ, দুর্নীতি আর ফ্যাসিবাদের বিপরীতে আজ জনগণ ঐক্যবদ্ধ। আমরা চাই এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে ইসলাম, ন্যায়বিচার ও মানবতার জয় হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই গণমিছিল কোনো দলের বিরুদ্ধে নয়, বরং এটি একটি আদর্শিক প্রতিবাদ। যারা দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে, যারা গুম-খুন চালিয়েছে, যারা ইসলাম ও ঈমান নিয়ে উপহাস করেছে—তাদের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ।”
মিছিল শেষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, সেক্রেটারি শরীফুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে বিশ্বাসী। কিন্তু যদি ইসলাম ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকে, তবে রাজপথেই এর জবাব দেওয়া হবে।”
মিছিলে অংশগ্রহণকারী হাজার হাজার মানুষ ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানে মুখর ছিল। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পর্যবেক্ষণে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
চরমোনাই পীরের এই গণমিছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে তরুণদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো, যা ভবিষ্যতের আন্দোলনেও বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।