ইরানের সামরিক ড্রোন উন্নয়ন কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান ও এক ব্যক্তির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি ইরানের সামরিক ড্রোন ‘আবাবিল’ তৈরির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এবং তাদের কার্যক্রম ইরানের এয়ারক্রাফট ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোম্পানির সঙ্গে সম্পর্কিত।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে ইরানের কন্ট্রোল আফজার তাবরিজ এবং এর পরিচালক জাভাদ আলিজাদেহ হোশ্যার, হংকংয়ের ক্লিফটন, তাইওয়ানের মেকাট্রন, চীনের গুমার্স এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান চ্যাংঝু গুমার্স। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এসব সংস্থা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরানের সামরিক ড্রোন প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সরবরাহ করে আসছে।
এটি এমন সময়ে আরোপ করা হলো যখন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইরান ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে বড় আকারের তেল পরিবহন নেটওয়ার্কে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন,
“ট্রাম্প সরকারের পর এটিই ইরানের ওপর সবচেয়ে বড় পরিসরে নিষেধাজ্ঞা। এর লক্ষ্য হচ্ছে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর প্রভাব হ্রাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করা।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব এবং রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক চাপের অংশ। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ইরান এই ড্রোন প্রযুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং রাশিয়ার ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে সরবরাহ করছে।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার বন্ধ হয়ে যাবে এবং তাদের সম্পদ জব্দ করা হবে। একই সঙ্গে, যেসব বিদেশি প্রতিষ্ঠান এই সংস্থাগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করবে, তাদের ওপরও সেকেন্ডারি স্যাংশনের হুমকি দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?