এই যুদ্ধে ইসরায়েলে মার্কিন বাহিনী মোট থাড মজুদের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহার করেছে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতের কোনো বড় সংঘাতের ক্ষেত্রে দেশটির মজুদ পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা আরও তীব্র করেছে
ইরান ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের মধ্যে টানা ১২ দিনের যুদ্ধে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বড় ধাক্কা খেয়েছে বলে সিএনএন-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মার্কিন বাহিনী ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ১০০টিরও বেশি থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, কিছু সূত্রের দাবি এই সংখ্যা ১৫০–এর কাছাকাছি হতে পারে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদের একটি বড় অংশ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্স টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সাতটি থাড সিস্টেম রয়েছে। ইসরায়েলকে সহায়তা দিতে সাম্প্রতিক এই যুদ্ধে এর মধ্যে দুটি থাড মোতায়েন করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ২০২৬ সালের বাজেটের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর মাত্র ১১টি নতুন থাড ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং চলতি অর্থবছরে আরও ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পাওয়ার কথা। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সংস্থার ২০২৫ সালের বাজেট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, লকহিড মার্টিনের তৈরি প্রতিটি থাড ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় ১২.৭ মিলিয়ন ডলার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন,
“এই যুদ্ধে ইসরায়েলে মার্কিন বাহিনী মোট থাড মজুদের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহার করেছে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতের কোনো বড় সংঘাতের ক্ষেত্রে দেশটির মজুদ পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা আরও তীব্র করেছে।
১২ দিনের যুদ্ধে ইরান মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতার কতটা ক্ষতি করেছে?
Published on: 31 July, 2025
ইরান ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের মধ্যে টানা ১২ দিনের যুদ্ধে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বড় ধাক্কা খেয়েছে বলে সিএনএন-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মার্কিন বাহিনী ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ১০০টিরও বেশি থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, কিছু সূত্রের দাবি এই সংখ্যা ১৫০–এর কাছাকাছি হতে পারে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদের একটি বড় অংশ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্স টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সাতটি থাড সিস্টেম রয়েছে। ইসরায়েলকে সহায়তা দিতে সাম্প্রতিক এই যুদ্ধে এর মধ্যে দুটি থাড মোতায়েন করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ২০২৬ সালের বাজেটের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর মাত্র ১১টি নতুন থাড ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং চলতি অর্থবছরে আরও ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পাওয়ার কথা। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সংস্থার ২০২৫ সালের বাজেট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, লকহিড মার্টিনের তৈরি প্রতিটি থাড ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় ১২.৭ মিলিয়ন ডলার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন,
“এই যুদ্ধে ইসরায়েলে মার্কিন বাহিনী মোট থাড মজুদের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহার করেছে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতের কোনো বড় সংঘাতের ক্ষেত্রে দেশটির মজুদ পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা আরও তীব্র করেছে।
ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।
মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।
১২ দিনের যুদ্ধে ইরান মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতার কতটা ক্ষতি করেছে?
Published on: 31 July, 2025
ইরান ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের মধ্যে টানা ১২ দিনের যুদ্ধে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বড় ধাক্কা খেয়েছে বলে সিএনএন-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মার্কিন বাহিনী ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ১০০টিরও বেশি থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, কিছু সূত্রের দাবি এই সংখ্যা ১৫০–এর কাছাকাছি হতে পারে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদের একটি বড় অংশ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্স টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সাতটি থাড সিস্টেম রয়েছে। ইসরায়েলকে সহায়তা দিতে সাম্প্রতিক এই যুদ্ধে এর মধ্যে দুটি থাড মোতায়েন করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ২০২৬ সালের বাজেটের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর মাত্র ১১টি নতুন থাড ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং চলতি অর্থবছরে আরও ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পাওয়ার কথা। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সংস্থার ২০২৫ সালের বাজেট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, লকহিড মার্টিনের তৈরি প্রতিটি থাড ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় ১২.৭ মিলিয়ন ডলার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন,
“এই যুদ্ধে ইসরায়েলে মার্কিন বাহিনী মোট থাড মজুদের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহার করেছে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতের কোনো বড় সংঘাতের ক্ষেত্রে দেশটির মজুদ পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা আরও তীব্র করেছে।
সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]
সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’
শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।
জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।
এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।
এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।
১২ দিনের যুদ্ধে ইরান মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতার কতটা ক্ষতি করেছে?
Published on: 31 July, 2025
ইরান ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের মধ্যে টানা ১২ দিনের যুদ্ধে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বড় ধাক্কা খেয়েছে বলে সিএনএন-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মার্কিন বাহিনী ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ১০০টিরও বেশি থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, কিছু সূত্রের দাবি এই সংখ্যা ১৫০–এর কাছাকাছি হতে পারে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদের একটি বড় অংশ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্স টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সাতটি থাড সিস্টেম রয়েছে। ইসরায়েলকে সহায়তা দিতে সাম্প্রতিক এই যুদ্ধে এর মধ্যে দুটি থাড মোতায়েন করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ২০২৬ সালের বাজেটের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর মাত্র ১১টি নতুন থাড ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং চলতি অর্থবছরে আরও ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পাওয়ার কথা। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সংস্থার ২০২৫ সালের বাজেট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, লকহিড মার্টিনের তৈরি প্রতিটি থাড ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় ১২.৭ মিলিয়ন ডলার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন,
“এই যুদ্ধে ইসরায়েলে মার্কিন বাহিনী মোট থাড মজুদের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহার করেছে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতের কোনো বড় সংঘাতের ক্ষেত্রে দেশটির মজুদ পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা আরও তীব্র করেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।
আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।
শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।
এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।
১২ দিনের যুদ্ধে ইরান মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতার কতটা ক্ষতি করেছে?
Published on: 31 July, 2025
ইরান ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের মধ্যে টানা ১২ দিনের যুদ্ধে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বড় ধাক্কা খেয়েছে বলে সিএনএন-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মার্কিন বাহিনী ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ১০০টিরও বেশি থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, কিছু সূত্রের দাবি এই সংখ্যা ১৫০–এর কাছাকাছি হতে পারে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদের একটি বড় অংশ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্স টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সাতটি থাড সিস্টেম রয়েছে। ইসরায়েলকে সহায়তা দিতে সাম্প্রতিক এই যুদ্ধে এর মধ্যে দুটি থাড মোতায়েন করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ২০২৬ সালের বাজেটের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর মাত্র ১১টি নতুন থাড ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং চলতি অর্থবছরে আরও ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পাওয়ার কথা। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সংস্থার ২০২৫ সালের বাজেট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, লকহিড মার্টিনের তৈরি প্রতিটি থাড ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় ১২.৭ মিলিয়ন ডলার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন,
“এই যুদ্ধে ইসরায়েলে মার্কিন বাহিনী মোট থাড মজুদের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহার করেছে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতের কোনো বড় সংঘাতের ক্ষেত্রে দেশটির মজুদ পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা আরও তীব্র করেছে।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক আদালতে এ অভিযোগ দায়ের করা…
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারে রূপান্তরিত হতে পারে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। আজ মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা…
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ও ডাকুয়া ইউনিয়নের মানুষের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম গজালিয়া খালের ওপর নির্মিত সেতুটি বর্তমানে চরম বেহাল অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতু দিয়ে জীবনের…
নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে মাদ্রাসা শিক্ষক ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। রবিবার মধ্য রাতে জেলার কলমাকান্দার গোবিন্দপুর গ্রামে ও সোমবার সকালে মদন উপজেলার তিয়শ্রী গ্রামে বজ্রপাতে তারা…