মোঃ তাজুল ইসলাম, (সুবর্ণচর প্রতিনিধি);
সম্প্রতি নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠে হেলাল উদ্দিন নামক একজন সাবেক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে। সে ঘটনায় স্থানীয়ভাবে মীমাংসাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষ থেকে পরস্পরকে দায়ী করে পাল্টাপাল্টি মামলাও করা হয়েছে।
এ ঘটনায় কয়েক টি মিডিয়ায় সুবর্ণচর উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান খোকনকে জড়িয়ে চাঁদাবাজির আখ্যা দিয়ে বিভ্রান্তকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়। কিন্তু এই ঘটনা মীমাংসাসহ চাঁদাবাজি সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে দাবি করেন আব্দুর রহমান খোকন।
বুধবার, (২৩ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা খাসেরহাট বাজারের তালতলী মোড়ে তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
পাশাপাশি তার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে কতিপয় গণমাধ্যম গুলোর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রহমান খোকন বলেন, “মাদ্রাসা শিশু ছাত্রীকে শ্লিলতাহানীর অভিযোগ উঠে সাবেক সেনা সদস্য হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে । সে ঘটনায় এলাকার মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ সালিশ বিচার করেছে ঠিকই, কিন্তু ঘটনার কোনো কিছুর সাথে আমি জড়িত ছিলাম না।
এলাকার লোকজন থেকে শুনেছি গত দুইদিন আগে হেলাল উদ্দিন চাঁদা না দেয়ায় তাকে ফাঁসানোর জন্য এমন ঘটনা সাজানো হয়েছে।
এ মর্মে সংবাদ সম্মেলনও করা হয়, যেখানে হেলাল সাহেব আমার নাম বলেননি বরং হেলাল কোর্টে একটি মামলা করেন সে মামলায় আমাকে ৬ নং সাক্ষী করা হয়েছে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় সংবাদ সম্মেলনের সংবাদে আমাকে এবং আমার দল বিএনপিকে ঘিরে যে সংবাদ প্রকাশ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং বিভ্রান্তকর। আমি এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানাই।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুবর্ণচর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ বাবুল। তিনি বলেন, ‘আব্দুর রহমান খোকন আমাদের দলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে কোন ধরনের চাঁদাবাজি কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
একটা কুচক্রী মহল তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ মাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তকর সংবাদ ছড়াচ্ছে। আমরা এই অসত্য সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাই।”
এদিকে আব্দুর রহমান খোকনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ব্যক্তির দায় দল নেবেনা এবং কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার দায় সে নিজেই নিবে।
কিন্তু বিএনপির নাম দিয়ে নিরাপরাধ ব্যক্তিদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশ কোন ভাবেই কাম্য নয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সৈকত সরকারি কলেজের সভাপতি সফিকুল ইসলাম পলাশ, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্যাহ ফারুক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মাইন উদ্দিন হ প্রমুখ।
স্থানীয় দের দাবি তদন্ত পূর্বক দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।