বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভোক্তার অভিযান চলে গেলেই বাড়ানো হচ্ছে শাকসবজির দাম

জনি আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা: শীতকালে চাহিদার তুলনায় যেমন সরবরাহও বেশি থাকে তেমনী কাঁচা সবজির দামও কম থাকে। কিন্তু বর্তমানে সেই শীতকালীন মৌসুম চলা স্বত্বেও বাজারে কমছে না যেকোনো সবজির দাম।বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গার বাজারে আমদানি রপ্তানি ব্যয় একই রকম থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দামে ২০-২৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে ভোক্তাদের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় হতাশ […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ নভেম্বর ২০২৪, ২১:৫৭

জনি আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা:

শীতকালে চাহিদার তুলনায় যেমন সরবরাহও বেশি থাকে তেমনী কাঁচা সবজির দামও কম থাকে। কিন্তু বর্তমানে সেই শীতকালীন মৌসুম চলা স্বত্বেও বাজারে কমছে না যেকোনো সবজির দাম।বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গার বাজারে আমদানি রপ্তানি ব্যয় একই রকম থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দামে ২০-২৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে ভোক্তাদের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অথচ বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেও কোনো লাভ হচ্ছে না টাস্কফোর্স কমিটি গঠনে।

চুয়াডাঙ্গার ডিসি-এসপিসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে অভিযান চলা স্বত্বেও বাজারে কমছে না কোনো জিনিসের দাম। টাস্কফোর্স কমিটির ব্যক্তিরা যখন অভিযানে আসছে ঠিক তখনই কিছুটা স্বাভাবিক থাকছে-তারা চলে গেলেই আবারও বেড়ে যাচ্ছে শাক সবজিসহ মাছ মাংসের দাম। সেইসাথে ছাড় পায়নি মসলাজাতীয় পণ্যের দাম। সেখানেও দামের ফাঁরাক ঘটেছে প্রচুর।

এদিকে গোপন সূত্রে জানা গেছে, রোজা আসলে ব্যবসায়ীরা ডাবল লাভ করে থাকে। আগামী ৪ মাস আছে রোজা। বিশেষ করে রোজাকে সামনে রেখে সরকার জিনিসের দাম না বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে থাকে। কিন্তু সরকারের সেই পরিকল্পনা বা নির্দেশনা মানতে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সেলক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার ব্যবসায়ীরা এখন থেকেই শাক সবজি মসলাজাতীয়সহ নিত্যপণ্যের বেশিরভাগ জিনিসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। যাতে করে রোজার মাসে দাম আর বাড়ানো না লাগে। এতে যেমন ব্যবসায়ীরা দ্বিগুণ লাভে লাভবান হচ্ছে। তেমনী ভোক্তাগণ পেষাই হয়ে যাচ্ছে। রাতের ঘুম হারাম হয়েছে মানুষের আর বাজার করার সময় হলেই কপালে ভাঁজ পড়ে বুড়ো চিত্র দেখাচ্ছে তরুণ যুবকদের।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গার বড় বাজারে সব ধরনের সবজির দাম ৬০ টাকার উপরে স্থির চিত্র রয়েছে।
গতকাল শহরের নিচের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে আগাম ও শীতকালীন হরেক রকমের সবজি আসতে দেখা যাচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৩০ টাকা বেড়েছে পেঁয়াজ। এক কেজি পেঁয়াজের দাম খুচরাপর্যায়ে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম স্বাভাবিক রয়েছে আদা ও রসুনের।

 

৪০ টাকা বেড়ে কাঁচা মরিচের দাম ১৪০ টাকা কেজি দরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমলেও সপ্তাহের ব্যবধানে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শীতকালিন ফুলকপি শুরুতেই বাজারে ৭০ টাকা কেজি। আর শিমের দাম এখনো ৮০ টাকা। কচু ও পটলের দাম ৬০ টাকা। সব ধরনের সবজি মানভেদে কেজিতে এখনো ২০ টাকা বাড়তি রয়েছে। কিন্তু অভিযান গেলে ঠিকই কমে যাচ্ছে দাম।

এদিকে দাম বেড়েছে মসলা জাতীয় পণ্যের। এলাচের কেজিতে ৫০০ টাকা বাড়তি হয়ে ১ কেজি এলাচ সাড়ে ৩ হাজার টাকা। আর অন্যান্য কিছু মসলার দাম কিছুটা স্বাভাবিক। ডিমের দাম কিছুটা কমলেও দাম কমেনি খোলা বাজারের সয়াবিনের তেলের। কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১৮২ টাকা। আর দাম আগের মতো ১৬৭ টাকা স্বাভাবিক রয়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের। আর অন্যান্য মুদি নিত্যপণ্যের দাম প্রতিনিয়ত কম বেশি করে ওঠানামা করছে।

এদিকে, আমিষের স্বস্তি কিছুটা ফিরেছে। গতকাল সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমেছে। আগের মতোই ৭২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। খাসির মাংসের দাম ৯৮০ টাকা কেজি। মাছের বাজারে বড় সব প্রকার মাছের দাম কমলেও দাম বেশি সব ধরনের ছোট মাছের। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়তি।

বাজারে আসা এক ক্রেতা জাহিদ হাসান বলেন, বাজারে এখনো বেগুন ও শিমের দাম কমেনি। শীতকালিন সবজি বাজারে ঢুকেছে দাম কিন্তু এখনো কমেনি। বাজারে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি দেখে ইচ্ছে হয়না কোন জিনিস কিনতে।আরেক ক্রেতা সালেমান মিয়া বলেন, একটা সবজি কৃষক থেকে তিন হাত বদল হয়ে বাজারে আসে। মাঠে দাম ঠিক থাকে। বাজারে আসলে সবজির দাম পাল্টে যায়।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ বলেন, বাজার স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং অব্যহত আছে। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে এবং জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে টাস্কফোর্স ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।