বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেছেন, “জঙ্গিবাদ এক সময় ছিল একটি নাটক। সেই নাটক এখন শেষ হয়েছে। আমরা এখন শান্তির পথে আছি।” তিনি আরও বলেন, “শরীয়তপুরের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, কোনো চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না। পদ্মায় নৌ রুটে চাঁদাবাজির বিষয়ে আগেই আমি নির্দেশ দিয়েছি ব্যবস্থা নিতে।”
রবিবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১টায় শরীয়তপুর পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেড কক্ষে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিআইজি রেজাউল করিম আরও বলেন, “১৮ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট শাসনের নিপীড়ণের শিকার হয়েছিলাম আমরা। সেখান থেকে আজ আমরা মুক্ত। এখন আমরা কাজ করছি একটি নতুন বাংলাদেশে, নতুন চেতনায় গড়া পুলিশের অংশ হিসেবে। আমাদের দায়িত্ব শুধু আইন প্রয়োগ নয়, বরং জনগণের আস্থা অর্জন করাও।”
অনুষ্ঠানে পুলিশের পক্ষ থেকে ‘জুলাই শহীদ’ ১৪ পরিবারের সদস্যদের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। পুলিশ বলছে, দেশের যেকোনো সহিংসতা ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান স্পষ্ট এবং কঠোর।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার একেএম নাসির উদ্দীন কালু, জামায়াতের নায়েবে আমির কেএম মকবুল হোসাইন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক ইমরান আল নাজির প্রমুখ।
জঙ্গিবাদকে নাটক আখ্যা দিয়ে পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার এই বক্তব্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, অতীতের আলোচিত অভিযানের নির্ভরযোগ্যতা ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, তারা এখন সম্পূর্ণ পেশাদার ও নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।