ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, তাদের যোদ্ধারা ইসরায়েলের তেল আবিবের বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) আল মাসিরাহ টেলিভিশনকে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এই হামলার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
ইয়াহিয়া সারি বলেন, “ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী ‘জুলফিকার’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে অধিকৃত ইয়াফো অঞ্চলের বেন গুরিওন বিমানবন্দরে আক্রমণ করেছে। এটি একটি উন্নত সামরিক অভিযান এবং এর লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে।”
হুথি সামরিক মুখপাত্রের দাবি অনুযায়ী, এই হামলার কারণে বেন গুরিওন বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার সত্যতা বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।
হুথি আন্দোলনের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, বৃহস্পতিবারের হামলার আগেও ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে আরও দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ইয়াহিয়া সারির ভাষায়, “৩০০টিরও বেশি ইসরায়েলি শহর ও এলাকায় বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে এবং হাজারো বাসিন্দা নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বাধ্য হয়।”
এ ধরনের হামলা চলমান গাজা-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও জোরদার করছে। ইয়েমেনি হুথি আন্দোলন এর আগে ঘোষণা দিয়েছিল, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে তারা ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হামলা চালাবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হুথিদের এ ধরনের হামলা কেবল ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতকে জটিল করছে না, বরং সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অনিশ্চিত করে তুলছে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে আরও সরাসরি সামরিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, “যতদিন গাজা অবরুদ্ধ থাকবে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর আগ্রাসন চলবে, ততদিন ইয়েমেনি বাহিনী এই ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?