বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

রাজনীতিতে বিএনপি-আ.লীগ একই গাছের দুই ডাল: ফয়জুল করিম

জুলাই আন্দোলনে আমরা বুলেটের সামনে ছিলাম, ট্যাংকের সামনে ছিলাম। এজন্য আমার দরদ বেশি। যারা বিদেশে ছিলেন তাদের দরদ থাকতে পারে না। তাই কথা বলার দায়িত্ব এবং অধিকার আমাদের। এ দেশে যারা রাস্তায় ছিল তারা কথা বলবে আর যারা রাস্তায় ছিল না তারা জেলখানায় থাকবে। কেননা আমরা রাস্তায় না থাকলে তারা আজকে জেলখানায় থাকত

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুলাই ২০২৫, ০৫:০৮

দুর্নীতির ইতিহাস, স্বৈরতন্ত্র ও ক্ষমতা-কেন্দ্রিক রাজনীতিকে একসঙ্গে গুঁড়িয়ে দিতে নাটোরে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম দুই প্রধান দলকে একাসনে বসিয়ে বলেন,

“৯১-৯৬ সালে বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। সেই সময় পেপার-পত্রিকা দেখেছেন। সেই সময় দেখলাম তিনবার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এরপর আবার দেখলাম পাঁচবার- বড় বড় শিরোনামে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একই গাছের দুটি ডাল। মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।”

মঙ্গলবার বিকেলে নাটোর শহরের মাদ্রাসা মোড়ে ‘রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সংখ্যানুপাতিক পিআর পদ্ধতিতে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে’ আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন।

“আমরাই মাঠে ছিলাম, বলার অধিকারও আমাদের”—জুলাই আন্দোলনের দাবিতেও উচ্চকণ্ঠ ফয়জুল করিম
সরকারবিরোধী জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মুফতি ফয়জুল করিম আরও বলেন,

“অনেকে বলতে পারে দেশের প্রতি আমাদের এতো দরদ কেন? দরদ এ কারণে যে জুলাই আন্দোলনে আমরা বুলেটের সামনে ছিলাম, ট্যাংকের সামনে ছিলাম। এজন্য আমার দরদ বেশি। যারা বিদেশে ছিলেন তাদের দরদ থাকতে পারে না। তাই কথা বলার দায়িত্ব এবং অধিকার আমাদের। এ দেশে যারা রাস্তায় ছিল তারা কথা বলবে আর যারা রাস্তায় ছিল না তারা জেলখানায় থাকবে। কেননা আমরা রাস্তায় না থাকলে তারা আজকে জেলখানায় থাকত।”

এই বক্তব্যে তিনি পরোক্ষভাবে বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, একই সঙ্গে দাবি করেছেন—শুধুমাত্র ইসলামী আন্দোলনই মাঠে ছিল এবং এখন সেই অবস্থান থেকেই তাদের কথা বলার অধিকার সবচেয়ে বেশি।

একই মঞ্চে একাট্টা ইসলামী নেতৃত্ব, বার্তা স্পষ্ট: “রাষ্ট্র চাই বদল”
নাটোর জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মাদ আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আয়োজিত গণসমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে শুরু করে বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ সবাই একবাক্যে দাবি তুলেছেন—বর্তমান ব্যবস্থায় নির্বাচন ও গণতন্ত্র সম্ভব নয়।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান,

রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি শেখ মুহাম্মাদ নুরুন নাবী,

জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ড. মীর নুরুল ইসলাম,

নায়েবে আমির অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী প্রমুখ।

রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন সমীকরণ?
বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব এখন যে ধরনের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক ভাষা ও পজিশন নিচ্ছে, তা দেশের দুই বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তির বাইরে একটি নতুন জাতীয় ব্লকের বার্তা দিচ্ছে। এরা ‘সংখ্যানুপাতিক (PR) ভোট’ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কারের মতো কিছু দীর্ঘমেয়াদী দাবিকে সামনে এনে ধারাবাহিক রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১০৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৪