এনসিপির (দক্ষিণাঞ্চল) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, “আমরা খবর পেয়েছি, আপনাদের মধ্যে অনেকেই এনসিপির প্রোগ্রামে আসলে নাকি ভয় দেখানো হয়। বলা হয়— ‘এনসিপির প্রোগ্রামে গেলে, এনসিপিতে যোগ দিলে কি হবে? কয়দিন পর তো আমরাই সরকারে আসব।’”
তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমি স্পষ্ট করে বলছি— এনসিপির কোনো নেতাকর্মীকে যদি ভয় দেখানো হয়, সেটা একজনের বিষয় নয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা আছে বলেই আমরা নেতা। প্রান্তিক পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় কমিটি পর্যন্ত প্রত্যেক নেতাকর্মীর জন্য আমরা প্রত্যেকে জীবন দিতে প্রস্তুত।
আপনারা নির্ভয়ে কাজ করুন। যদি কোনো ভয়ভীতি দেখানো হয়, সেটি আমাদের জানাবেন। শুধু ঢাকা থেকে আসতে একটু সময় লাগে।”
সোমবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় সিরাজগঞ্জ শহরের মুক্তির সোপান চত্বরে এনসিপির পদযাত্রায় তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, “আমরা শুনতে পাচ্ছি, ডিসি অফিসগুলো, এসপি অফিসগুলো অনেক জায়গায় একটি রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনকে আমি বলতে চাই— দিল্লি থেকে ‘মাদার অব টেরর’ এখন আপনাদের বাঁচাতে আসবে না। এই দেশ বাংলাদেশের, এর জনগণের।”
তিনি প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, “আমরা ডিবি হারুনের শাসন দেখেছি, আমরা বিপ্লবের শাসন দেখেছি, আমরা হাবিবের শাসন দেখেছি, আমরা বেনজিরের শাসন দেখেছি। আপনারা বেনজির হবেন না, হাবিব হবেন না, ডিবি হারুন হবেন না। কারণ, আবাবিল পাখির মতো আবার কোনো এক নাহিদ, কোনো এক সারজিস রাস্তায় নেমে আসবে।”
তিনি নেতাকর্মীদের সাহস জোগাতে বলেন, “আমরা ভয় পাই না। আমরা জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছি। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই করব। জনগণই আমাদের শক্তি।”