সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বোরহানউদ্দিন পৌরসভার সাবেক মেয়র মিলন মিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মোঃ হাসনাইন আহম্মেদ, ভোলা প্রতিনিধিঃ বোরহানউদ্দিন পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সভাপতি এবং বরিশাল পোস্ট-এর প্রধান উপদেষ্টা সাইদুর রহমান মিলন মিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, ৪ জুলাই ২০২৫। ২০২৪ সালের এই দিনে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বরিশাল যাওয়ার পথে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বরিশাল ও ভোলার রাজনীতিতে তিনি ছিলেন একজন সম্মানিত ও জনপ্রিয় নেতা। ২০০২ সালের উপ-নির্বাচনে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ জুলাই ২০২৫, ১৭:৫৬

মোঃ হাসনাইন আহম্মেদ, ভোলা প্রতিনিধিঃ

বোরহানউদ্দিন পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সভাপতি এবং বরিশাল পোস্ট-এর প্রধান উপদেষ্টা সাইদুর রহমান মিলন মিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, ৪ জুলাই ২০২৫।

২০২৪ সালের এই দিনে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বরিশাল যাওয়ার পথে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বরিশাল ও ভোলার রাজনীতিতে তিনি ছিলেন একজন সম্মানিত ও জনপ্রিয় নেতা।

২০০২ সালের উপ-নির্বাচনে বোরহানউদ্দিন পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মিলন মিয়া। ২০০৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা নয় বছর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে পৌরসভার সড়ক, ড্রেনেজ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে আসে দৃশ্যমান উন্নয়ন।

তিনি ছিলেন একজন সহজপ্রাপ্য ও মানবিক নেতা। সর্বসাধারণের জন্য তার দরজা সবসময় খোলা থাকত। সাধারণ মানুষ যেকোনো সমস্যার কথা নিয়ে তার কাছে এলে তিনি আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতেন।

২০১১ সালে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মেয়র নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু ভোটকেন্দ্র দখল ও জালিয়াতির ঘটনার প্রতিবাদে তিনি সাহসিকতার সঙ্গে নির্বাচন বর্জন করেন। তার এই অবস্থান এখনও গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের সপক্ষে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে আলোচিত হয়।

রাজনৈতিকভাবে তিনি ছিলেন বোরহানউদ্দিন বিএনপির সংগঠক ও শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতীক। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে পৌর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ সহচর ও বিশ্বস্ত কর্মী ছিলেন তিনি।

এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথেও যুক্ত ছিলেন। তিনি বরিশালের জনপ্রিয় মাল্টিমিডিয়া সংবাদমাধ্যম বরিশাল পোস্ট এর প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।

২০২৪ সালের ৪ জুলাই, ভোলা থেকে বরিশাল যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তার এই অকাল প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো বোরহানউদ্দিনে। সহকর্মী, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, পরিবার এবং সাধারণ মানুষ তাকে আজও গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করে।

শহরের অলিগলি, আড্ডার মোড় কিংবা চায়ের দোকানেও আজও শোনা যায় তার জন্য মানুষের আন্তরিক অনুভব।

মিলন মিয়ার মৃত্যুর পর তার স্মৃতিকে ধারণ করতে এবং তার আদর্শকে সামনে রেখে গঠিত হয় “সাইদুর রহমান মিলন মিয়া স্মৃতি পরিষদ”। এই সংগঠনটি বোরহানউদ্দিন ও আশপাশের এলাকায় সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।

বর্তমানে পরিষদটির দায়িত্বে রয়েছেন তার বড় ছেলে মেহেদী হাসান সাগর এবং ছোট ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান শাওন। তারা জানিয়েছেন, এই সংগঠনের মাধ্যমে তারা তাদের বাবার নীতি অনুসরণ করে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান।

প্রয়াত মেয়র সাইদুর রহমান মিলন মিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বৃহৎ পরিসরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে বোরহানউদ্দিন পৌর এলাকার ঈদগাহ ময়দানসংলগ্ন মসজিদে, আসরের নামাজের পর।

এছাড়াও পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১৫টি মসজিদসহ বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখানের বিভিন্ন এলাকায় মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করেছেন বিএনপি এবং তার অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুসারীরা।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।