মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

অনুমোদনহীন হাউজিং ব্যবসা: শ্রীপুরে জেদ্দা হাউজিং লিমিটেডের কোটি টাকার প্রতারণা!

ফয়সাল আহমাদ, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ   গাজীপুরের শ্রীপুরে অনুমোদনহীনভাবে আবাসন ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোটি টাকার প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে ‘জেদ্দা হাউজিং কোম্পানি লিমিটেড’ নামের একটি হাউজিং প্রতিষ্ঠান। ‘৩ কাঠা প্লট মাত্র ২০ হাজার টাকায়’, ‘প্রতি কাঠা ৬ লাখ’, ‘৫০% ডাউন পেমেন্টে সাফ কাবলা রেজিস্ট্রেশন’, ‘১৫% ছাড়’—এমন আকর্ষণীয় অফারে প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৫, ২১:৩৪

ফয়সাল আহমাদ, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ  

গাজীপুরের শ্রীপুরে অনুমোদনহীনভাবে আবাসন ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোটি টাকার প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে ‘জেদ্দা হাউজিং কোম্পানি লিমিটেড’ নামের একটি হাউজিং প্রতিষ্ঠান।

‘৩ কাঠা প্লট মাত্র ২০ হাজার টাকায়’, ‘প্রতি কাঠা ৬ লাখ’, ‘৫০% ডাউন পেমেন্টে সাফ কাবলা রেজিস্ট্রেশন’, ‘১৫% ছাড়’—এমন আকর্ষণীয় অফারে প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলছে কোম্পানিটি।

স্থানীয় ভুক্তভোগী আব্দুস সাত্তার মোল্লা এলাকাবাসীর পক্ষে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জেদ্দা হাউজিং কোম্পানি নামক প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ জমি বায়না ও পাওয়ার দলিলের মাধ্যমে মালিকানা দেখিয়ে প্রায় ৯০০ বিঘা জমি বিক্রির নামে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইউটিউব ছাড়াও রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিশাল বিলবোর্ড ও সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গ্রাহক আকর্ষণের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে তারা।

কিন্তু প্রশাসনিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির নামে ইউনিয়ন পরিষদের কোনো ট্রেড লাইসেন্স নেই। নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের তিন ধাপের ছাড়পত্র, জেলা প্রশাসনের দায়মুক্তি সনদ কিংবা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন।

তবুও কোম্পানিটি আইন ও নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কৃষিজমির উপর বালু ফেলে এবং লে-আউট দেখিয়ে দেদারসে প্লট বিক্রি করছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো হাউজিং কোম্পানি পরিচালনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী কমপক্ষে ১০ একর জমির মালিকানা থাকতে হয়।

অথচ জেদ্দা হাউজিংয়ের নামে এমনকি ১০ শতাংশ জমিরও মালিকানা নেই। প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় জমির মালিকদের জমির আশপাশে কিছু অংশ বায়না নিয়ে পুরো এলাকাকে নিজেদের প্রকল্প দাবি করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, “আমাদের জমির সামনে-পেছনে সামান্য কিছু জমি বায়না নিয়ে বিশাল সাইনবোর্ড লাগিয়ে প্রতারণা করছে এই কোম্পানি। আমাদের এই জমি ধান উৎপাদনের একমাত্র উৎস। আমরা এগুলো বিক্রি করিনি, করবও না।”

প্লট দেখতে এসে প্রতারণার শিকার এক সম্ভাব্য ক্রেতা মোতাহার মিয়া বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম পুরো এলাকাই কোম্পানির, কারণ এমনভাবেই আমাদের দেখানো হয়েছে। বলা হয়েছে ৯০০ বিঘা জমি আছে, গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী আরও জমি কেনা হবে।”

প্রতিষ্ঠানের একাধিক প্রচারণায় দেখা যায়, তারা ডুপ্লেক্স, ট্রিপ্লেক্স, ভিলা ও কন্ডোমিনিয়ামের বুকিং নিচ্ছে, অথচ প্রকল্পের নামে কোনো বৈধ অনুমোদন বা মালিকানা নেই।

কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে হাফেজ আশরাফুল ইসলাম ও পরিচালক হিসেবে তার ছোট বোন আসমা আক্তারের নাম প্রচার করা হলেও প্রকৃত বিনিয়োগকারীদের কোনো পরিচয় মেলেনি।

এ বিষয়ে গাজীপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আরেফিন বাদল বলেন, “ওই প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছে কোনো আবেদন করেনি। পরিবেশ ছাড়পত্র নেওয়ার পূর্বে আবাসন প্রকল্প চালানো সম্পূর্ণ অবৈধ।”

এদিকে, জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফীনকে একাধিকবার সরকারি নাম্বারে ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ কায়সার খসরু বলেন, “সরকারি অনুমতি না নিয়ে হাউজিং প্রকল্প পরিচালনা করা সম্পূর্ণ বেআইনি। এ বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।