রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ব্রিজ না থাকায় চরম ভোগান্তি, রৌমারীতে ব্রিজের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

জুয়েল রানা,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ও চর শৌলমারী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কাজাইকাটা এলাকায় একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন। শুক্রবার (২৭ জুন) সকাল ১০ টায় স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। জানা গেছে, কাজাইকাটা, আনন্দ বাজার, খেয়ারচর,মির পাড়া, খরানি,দক্ষিণ নামাজের চর,উত্তর নামাজের চর, চর গেন্দার আলগা,চৌদ্দখরি, খা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৫, ১৫:০৬

জুয়েল রানা,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ও চর শৌলমারী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কাজাইকাটা এলাকায় একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন। শুক্রবার (২৭ জুন) সকাল ১০ টায় স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

জানা গেছে, কাজাইকাটা, আনন্দ বাজার, খেয়ারচর,মির পাড়া, খরানি,দক্ষিণ নামাজের চর,উত্তর নামাজের চর, চর গেন্দার আলগা,চৌদ্দখরি, খা পাড়া, ভাঙ্গা পাড়া, সাহেবের আলগা অপর দিকে আমবাড়ি, কাউনিয়ারচর, চর কাউনিয়ারচর, ধনতোলা, খোয়ার চর,

ছাটকড়াই বাড়ি, দাঁতভাঙ্গাসহ আশপাশের অন্তত ১৯ টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে যাতায়াত করছেন।

দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজের অভাবে কাজাইকাটা গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হলহলিয়া নদীর ওপর স্থানীয়দের উদ্যোগে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে একটি অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। যেটা দিয়ে শিশু, বৃদ্ধ, রোগী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষকসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন।

বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ আরও চরমে ওঠে। সাঁকোটি সরু ও দুর্বল হওয়ায় মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটে। কোনো উপায় না পেয়ে বর্তমানে নির্মিত কাঠের সাঁকোর ওপর নির্ভর করছেন এলাকাবাসি, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অস্থায়ী।

বর্তমান উপদেষ্ঠার কাছে মানববন্ধনে একটি ব্রিজ নির্মাণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সেখানে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ মিটার একটা ব্রিজ হলেই জনদূভোগ কমবে বলে অনেকে জানান।

এলাকাবাসী রফিকুল ইসলাম জানান, কৃষকরা ফসল উৎপাদন করে তা বাজারে নিতে পারেন না ঠিকভাবে। পণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থী চলাচল, রোগী হাসপাতালে নেওয়াসহ সব ক্ষেত্রেই দুর্ভোগ পোহাতে হয়। স্থায়ী ভাবে ব্রিজ নির্মাণে দাবি জানান।

স্থানীয় কৃষক সোনা মিয়া বলেন, আমরা ফসল উৎপাদন করি, কিন্তু বাজারে নিতে গেলে গাড়ি পাওয়া যায় না। রোগী নিলে কখন সাঁকো ভেঙে পড়ে, সেই ভয় থাকে। এত মানুষ, কিন্তু একটা ব্রিজ নেই। আমাদের দাবি একটা ব্রিজ চাই।

গাড়ি চালক সোহেল বলেন, আমরা শ্রমিক গাড়ি চালাই ব্রিজ না থাকায় কৃষকের উৎপাদিত ফসল পারাপার করতে পানি না। আমাদের দাবি একটা ব্রিজ নির্মাণ করা হোক।

মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুত একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে বলেন,স্বাধীনতার এত বছর পরও আমরা একটি ব্রিজের জন্য মানববন্ধন করতে হচ্ছে এটা লজ্জাজনক। আমাদের প্রাণের দাবি ত্বরিত সময়ের মধ্যে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হোক।

মানববন্ধন থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয় এবং একটি টেকসই ব্রিজ নির্মাণের জোর দাবি জানান।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।