বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টাকার জন্য সন্তানের উপর অমানবিক নির্যাতন, পালিয়ে আশ্রয় নিল খালার বাড়ি

নিজের নাবালক সন্তানের উপর টাকার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে অমানবিকতার নজির গড়েছেন এক পাষণ্ড বাবা। নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে ওই কিশোর পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে পটুয়াখালীর গলাচিপায় খালার বাড়িতে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (২১ জুন)। বিষয়টি ঘটনার চারদিন পর বৃহস্পতিবার জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে গলাচিপা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ জুন ২০২৫, ১৮:৫৯

নিজের নাবালক সন্তানের উপর টাকার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে অমানবিকতার নজির গড়েছেন এক পাষণ্ড বাবা। নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে ওই কিশোর পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে পটুয়াখালীর গলাচিপায় খালার বাড়িতে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (২১ জুন)। বিষয়টি ঘটনার চারদিন পর বৃহস্পতিবার জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে গলাচিপা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১০৭ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরের খালা নাজমা বেগম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরের নাম সামিউল ইসলাম (১২)। শিশুটির মা সালমা বেগম ২০২৪ সাল থেকে সৌদি আরবে থাকেন। ২০১৮ সালে সামিউলের বাবা মো. এরশাদ ও মা সালমা বেগমের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

বিচ্ছেদের পর সামিউল মায়ের কাছেই বড় হচ্ছিল। তবে কিছুদিন পর সুকৌশলে বাবা এরশাদ তাকে নিজের কাছে নিয়ে যান। এরপর শুরু হয় নির্মম নির্যাতন। অভিযোগ উঠেছে, রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার বাসিন্দা মো. এরশাদ তার ছেলে সামিউলের উপর নিয়মিতভাবে শারীরিক

ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। নির্যাতনের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রবাসী মা সালমা বেগমের কাছ থেকে মাসিক ভরণপোষণের টাকা আদায় করা। নির্যাতনে সহযোগিতা করতেন এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার দুই ভাই রেজাউল ও রিপন।

এসময় সালমা বেগম টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালেই সামিউলের উপর চলতো নির্যাতন। তাই ছেলের সুখের জন্য গর্ভধারিণী মা প্রতিমাসে বিদেশ থেকে টাকা পাঠাতো। কিন্তু হটাৎ এরশাদ সামিউলের মা সালমা বেগমের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।

সালমা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সামিউলকে ধরে মারধর করে বাবা এরশাদ। লেখাপড়া বন্ধ করে দেওয়া হয়, খাবার থেকে বঞ্চিত করা হয়, এমনকি চিকিৎসাও করানো হয়নি।

ভয়ভীতি দেখিয়ে সালমা বেগমের কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টা করে এরশাদ। সামিউল জানায়, “আম্মুর কাছে আসতে চাইলে আমাকে ঘরে আটকে রাখা হতো। মা টাকা না দিলে বাবা মারধর করতো, খুব কষ্ট হতো।”

সামিউল, তার মা সালমা ও খালা নাজমা জানান,  অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে শনিবার ২১ জুন সামিউল রংপুরের বাবার বাড়ি থেকে পালিয়ে খালা নাজমা বেগমের বাড়ি, গলাচিপার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

পথে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে মোবাইল ও টাকা হারিয়ে ফেলে সে। ছিনতাইকারীরা তাকে চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে অজ্ঞান ও অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয়রা সামিউলকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

খোঁজাখুজির পর ঘটনার একদিন পরে খবর পেয়ে খালা নাজমা বেগম তাকে হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। বর্তমানে সামিউল খালার বাড়িতেই অবস্থান করছে এবং সেখানে থাকতে চান।

কিন্তু এদিকে পুরো বিষয়টিকে আড়াল করতে সামিউলের বাবা এরশাদ উল্টো খালা নাজমা বেগমের বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন।

তিনি দাবি করেন, খালা জোর করে সামিউলকে নিয়ে গেছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন সামিউলের মা ও খালা। তারা আইনের আশ্রয় চেয়ে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

খালা নাজমা বেগম বলেন, “সামিউল নিজের ইচ্ছায় আমার কাছে এসেছে। ছেলেটি খুব কষ্টে ছিল। এখনো ভয়ে কাঁপে। ফোন করে প্রায়ই কান্নাকাটি করতো, বাবা ও সৎমার নির্যাতনের কথা বলতো।

আমরা সবসময় বুঝিয়ে শুনিয়ে তাকে রাখছি। কিন্তু মারধর সহ্য করতে না পেরে সে না বলে চলে আসছে। আমরা ওর নিরাপত্তা চাই।”

মা সালমা বেগম বলেন,”আমি বিদেশে থাকি, কিন্তু ছেলের জন্য প্রতিমাসে টাকা পাঠাতাম। এখন পাঁচ লাখ টাকা চাইছে আমি দিতে পারিনি তাই আমার ছেলেকে মারধর করেছে। এরশাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

সামিউল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলে, “আমি আর বাবার কাছে যাবো না। তারা আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। টাকা না পেলে মারধর করে, আমাকে খেতে দেয় না। আমি অনেক কষ্ট পাই। এখন আমি শান্তিতে থাকতে চাই, খালার কাছেই থাকবো।”

বাবা এরশাদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে একজন বাবার কাছ থেকে সন্তানের প্রতি এমন অমানবিক আচরণ শুধু পারিবারিক নয়, এটি সমাজের মানবিকতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন —শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক এবং দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।