মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ যখন ক্রমেই চড়ছে, ঠিক তখনই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ও কায়হান পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হোসেইন শরিয়তমাদারি দিয়েছেন বিস্ফোরক এক হুঁশিয়ারি। তিনি সরাসরি ঘোষণা দিয়েছেন,
“কোনো সংশয় বা বিলম্ব না করে বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিতে হবে।”
হোসেইন শরিয়তমাদারি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের রক্ষণশীল রাজনৈতিক বলয়ের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত। নিজেকে আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রতিনিধি বলেও দাবি করেছেন তিনি। টেলিগ্রামে কায়হান পত্রিকার একটি বার্তায় তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়—
“ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এখন পাল্টা জবাব দেওয়ার সময়। আমরা এই মুহূর্তে আর কোনো অপেক্ষা করতে পারি না।”
বিশ্লেষকরা বলছেন, শরিয়তমাদারির এমন বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে, ইরান কূটনৈতিক কণ্ঠস্বরের বাইরে গিয়ে সামরিক পথে হাঁটার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির প্রসঙ্গটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, বিশ্বের প্রায় ২০% তেল সরবরাহ এই সমুদ্রপথে হয়ে থাকে।
যদি এই পথটি সাময়িকভাবে বন্ধও হয়, তবে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বিশাল প্রভাব পড়বে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তা হুমকিতে পড়তে পারে।
উল্লেখ্য, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই বিবৃতি মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের ওপর চাপ আরও বাড়াবে। পশ্চিমা বিশ্ব এখন অধীর আগ্রহে দেখছে—ইরান কথার চেয়ে কতদূর এগোবে মাঠের বাস্তবতায়।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?