বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ইউরোপের ৯ দেশ

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫১ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনি উচ্ছেদ করে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মতো পরিস্থিতি ফের গাজায় তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলছে বিভিন্ন মহল। এরই মধ্যে দেশটি অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২২টি নতুন অবৈধ বসতি […]

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ইউরোপের ৯ দেশ

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ইউরোপের ৯ দেশ

নিউজ ডেস্ক

২০ জুন ২০২৫, ২২:৫৬

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫১ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনি উচ্ছেদ করে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মতো পরিস্থিতি ফের গাজায় তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলছে বিভিন্ন মহল। এরই মধ্যে দেশটি অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২২টি নতুন অবৈধ বসতি স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, এসব বসতির কিছু ইতিমধ্যেই অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ বসতি সম্প্রসারণের এ ঘোষণা দেন। কাটজ বলেন, ‘জুডিয়া এবং সামারিয়ায় আমাদের নিয়ন্ত্রণ জোরালো করতেই এই উদ্যোগ।’

ইসরায়েল ইতিমধ্যেই পশ্চিম তীরে ১০০টিরও বেশি বসতি নির্মাণ করেছে, যেখানে পাঁচ লাখের বেশি বসতি স্থাপনকারী রয়েছেন। এসব অঞ্চলে ৩০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি সামরিক শাসনের অধীনে জীবনযাপন করছেন।

এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপের ৯ দেশ—বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, স্পেন ও সুইডেন—ইউরোপীয় কমিশনকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তাব তৈরির আহ্বান জানিয়েছে।

রয়টার্সের অনুসন্ধান অনুযায়ী, এসব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাসকে লেখা গোপন চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ‘ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চলে অবৈধ বসতি স্থাপন করছে। এমন কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। ফলে এ অঞ্চলে পণ্য ও সেবার বাণিজ্য বন্ধ করা জরুরি।’

ইইউ বর্তমানে ইসরায়েলের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। ২০২৪ সালে উভয় পক্ষের পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৪২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ইউরো। তবে এই বাণিজ্যের কতটা অংশ অধিকৃত অঞ্চল সংশ্লিষ্ট, তা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি।

চিঠিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) মতে, অধিকৃত এলাকায় বসতি স্থাপন ও তা টিকিয়ে রাখতে সহায়তাকারী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বন্ধ করতে রাষ্ট্রগুলোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাক্সিম প্রিভোট রয়টার্সকে বলেন, ‘ইউরোপের বাণিজ্যনীতি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া উচিত। বাণিজ্য আমাদের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে না।’

আগামী ২৩ জুন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি পর্যালোচনা করবেন। সেখানে মানবাধিকার নীতির প্রতি ইসরায়েলের আনুগত্য নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের ইইউ মিশন আল জাজিরার অনুরোধের পরও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

‘ভারত যদি বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে মিসাইল ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’ : পাকিস্তানি নেতা

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।

ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।

তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

“হাসিনার রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে, এটি কার্যকর হবে না” : শুভেন্দু

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক ও সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি দাবি করেন, “এই রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হবে না।” হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জন্য পরিচিত শুভেন্দু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা প্রগতিশীল ছিলেন, তিনি উগ্রবাদীদের পাশে দাঁড়াননি।” […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ২১:২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক ও সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি দাবি করেন, “এই রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হবে না।”

হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জন্য পরিচিত শুভেন্দু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা প্রগতিশীল ছিলেন, তিনি উগ্রবাদীদের পাশে দাঁড়াননি।” তার এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—একজন মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত আসামিকে কেন ভারতীয় বিজেপি নেতা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক প্রশ্রয় দিচ্ছেন।

এদিকে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নির্বাসনে থাকা হাসিনার রায় নজরে নিয়েছে ভারত।” তবে ভারত তাকে বাংলাদেশে ফেরত দেবে কি না—সে বিষয়ে কিছুই স্পষ্ট করেননি তিনি।

রণধীর বলেন, “ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের সর্বোত্তম স্বার্থে আমরা সব অংশীদারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করব।” তার এই মন্তব্যকে পর্যবেক্ষকরা ‘কৌশলী নীরবতা’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

এর আগে সোমবার দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে শেখ হাসিনাকে দুই অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং একটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। এ সময় আদালত ভবনে নিহতদের কয়েকটি পরিবারের সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

রায় ঘোষণার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের কাছ থেকে শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দ্রুত ফেরত চেয়ে বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়—মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত দুই আসামিকে আশ্রয় দেওয়া “ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞা এবং বন্ধুসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী আচরণ।”

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪