শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জামায়াত-বিএনপির দূরত্বের কারণ জানালেন জাহেদ উর রহমান

বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আমি মনে করি, বয়কট করে জামায়াত হাসির পাত্র হয়েছে। কিন্তু তারা মনে করেছেন এই বয়কটের মাধ্যমে তারা সরকারকে বার্তা দিতে চান তারা এখন সেকেন্ড ফোর্স। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) জামায়াতে ইসলামী-বিএনপি মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি ও রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন তিনি। জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি দূরত্ব কি […]

জামায়াত-বিএনপির দূরত্বের কারণ জানালেন জাহেদ উর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ জুন ২০২৫, ১২:৩৯

বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আমি মনে করি, বয়কট করে জামায়াত হাসির পাত্র হয়েছে। কিন্তু তারা মনে করেছেন এই বয়কটের মাধ্যমে তারা সরকারকে বার্তা দিতে চান তারা এখন সেকেন্ড ফোর্স।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) জামায়াতে ইসলামী-বিএনপি মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি ও রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি দূরত্ব কি মূলত আদর্শিক নাকি ক্ষমতায় যাওয়ার একটা ব্যাপার? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় যাওয়ার এবং রাজনৈতিক।

আদর্শিক একটা সমস্যা তো আছেই, আসলে আমি ব্যাখ্যা খুব সহজ ব্যাখ্যাটা কঠিন না মানে জামায়াতে ইসলামীর যে গুরুত্ব আমাদের রাজনীতিতে ছিল সেই গুরুত্ব একদিক দিয়ে খুব কমে গেছে আবার একদিক দিয়ে বেড়েছে। বাড়ার কারণ হচ্ছে- জামায়াতের সামনে মোটামুটি একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে কাগজে-কলমে বিরোধী দল হওয়ার।
আওয়ামী লীগ পার্টিসিপেট করলে আমি ধারণা করি, জামা‍য়াতের চাইতে বেশি সিট তারা পেত—যদি তাদের ক্যান্ডিডেট থাকতে পারত, ক্যাম্পেইন করতে পারত। আমার বিবেচনা আওয়ামী লীগের এখনো ২০% পপুলার ভোট আছে।

জামাতে যদি সাত-আট শতাংশও ধরেন, তিন ভাগের এক ভাগ ভোট তাদের। এখন তাদের সুযোগ হয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় তারা ১৫টা বা ২০টা সিটও যদি পায় আর কেউ এই পরিমাণ সিট পাবে না, তো তারা কাগজে কলমে সেকেন্ড।’
তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াত এতদিন এত গুরুত্ব কেন পেয়েছে? বিএনপির সঙ্গে জামা‍য়াতের জোটের কারণ কি? ১৯৯৬ সালে নির্বাচনের একটা এনালিসিস করে দেখা গেছে- বিএনপি আর আওয়ামী লীগের মধ্যে ১০০টার মত সিটের সিদ্ধান্ত হয়েছে খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে।

১০-১৫-২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে। জামায়াতে ইসলামীর সিটে জিতে যাওয়ার মতো সিট বেশি নাই। কারণ একটা সিটে জিততে হলে কিন্তু সাড়ে তিন থেকে ৪ লাখ হচ্ছে এভারেজ ভোটার। আপনাকে জিততে হলে ভালো ভোট পেতে হবে। কিন্তু তাদের অনেকগুলো সিটেই ১৫, ২০, ২৫, ৩০ হাজার ভোট আছে।

এই ভোটটাকে যদি বাক্সে নেওয়া যায় তাহলে জিতে যাওয়া যেতে পারে। এইটাই জোটের কারণ।

নাজিম কামরান চৌধুরী এই হিসাবটা দেখিয়েছিলেন এবং সেটার রেজাল্ট ২০০১ এ দেখবেন। পপুলার ভোট কিন্তু বিএনপি আর আওয়ামী লীগের একই রকম। কিন্তু মেজর ডিফারেন্স হয়ে গেল- আওয়ামী লীগ ৬২ সিট। আর বিএনপি টু থার্ড মেজরিটি পেয়ে গেছে জোট নিয়ে। আওয়ামী লীগের অবর্তমানে জামায়াতের এই গুরুত্ব নাই। তো বিএনপি এখন জামাতকে কেন তার সাথে রাখবে? কোনো প্রয়োজন নেই।

বরং বিএনপি জামায়াতকে যদি বিরোধী দলে রাখতে পারে জামায়াতের যে ইসলামী রাজনীতি অন্তত নামে যে ইসলাম আছে এটার বিরুদ্ধে বিএনপি এখন নিজে একটা সেকুলার সেন্ট্রিস্ট। একদম সেন্ট্রিস্ট একটা মধ্যপন্থী দল হিসেবে ওই ফাইটটা জামা‍য়াতের সাথে করতে পারে এবং জামাতকে তার কাছ থেকে দূরে সরানোই বেটার।

জামায়াতকে রেখে পরবর্তীতে বিএনপি যা লাভ হয়েছে তারচেয়ে ক্ষতি হয়েছে অনেক বেশি। সো কল্ড ওয়ার অন টেরারের যে ন্যারেটিভ সেটা তৈরি হতে পেরেছে জামায়াতের কারণে এবং আমাদের তরুণ ভোটাররা মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের যে ন্যারেটিভ ছিল তাদের যে অবস্থান ছিল সেটাকে কোনভাবেই এনডোর্স করে না।’

সাম্প্রতিক সময়ে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে মারাত্মক ব্যাকল্যাশের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘তারা মনে করেছে এই তরুণরা এত কিছু জানে না, ওরা হাসিনাকে ফেলেছে। হাসিনাকে ফেলা মানে মুক্তিযুদ্ধকে ডিনাউন্স করা, এগুলো ওরা বলার চেষ্টা করেছে এবং দেখল যেগুলো রিয়াকশন হয়েছে।

বিএনপির দিক থেকে অন্তত আগামী বেশ কিছু সময় জামা‍য়াতের আসলে ইউটিলিটি নাই। কাগজে-কলমে বলছে কোনো একদিন যদি দেখা যায় আওয়ামী লীগ ফিরে আসে বা আরেকটা দলের সাথে তার সে পাইপ তৈরি হয়, আবার যদি ভোটের অংক হয় তখন সে ইম্পর্টেন্ট হতে পারে। ফলে এখন জামায়াত যেহেতু দেখছে- বিএনপির তাকে প্রয়োজন নেই, সে এখন তার মত করে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। খানিকটা কনফিডেন্সও তার শেষ হয়ে গেছে। সে এখন এই অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই সে এখন বিএনপির বিরুদ্ধে দাঁড়াবে এটি স্বাভাবিক।’

অ্যাক্টিং চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক এখানে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিনষ্ট হয়েছে, এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংস্কৃতি না, জামা‍য়াতের স্টেটমেন্টটা আমি পড়েছি। অফিশিয়াল স্টেটমেন্টে বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, একটা দলের সাথে বৈঠক করে নির্বাচনের জন্য।

গতকালকেও এটা বলেছে তাদের ডক্টর এসএম হামিদুর রহমান আজাদ, বলছেন যে—লন্ডনে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতভাবে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের যৌথ বিবৃতি ও ব্রিফিং এর প্রতিবাদে আমরা ঐক্যমত কমিশনের এই প্রথম দিনের সংলাপ বয়কট করেছি।

তারা যেটা মনে করছে সেটা হলো নির্বাচনে তারই তো প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করে দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে আমি যেটা বুঝি- সবার সাথে আলোচনা না করে এটা শিফট করার ব্যাপারে নীতিগত এক ধরনের সিদ্ধান্ত একটা দলের সাথে হয়েছে। এই হচ্ছে তাদের অভিযোগ বলে আমি ধারণা করি। জামা‍য়াতের পক্ষ থেকে তো ওই দাবি ছিল যে মোটামুটি নির্বাচনটা হতে পারে রমজানের আগেই।

দুটো আগে এবং এপ্রিল দুটোই কিন্তু জামা‍য়াতেই প্রপোজাল ছিল। এটার মধ্যে পরে কিন্তু ওই যে বললাম আপনি তো রাজনীতি করবেন। এখন আপনাকে এখন রাজনীতি করতে হবে এবং আপনি সরকারকে আপনার গুরুত্ব দেখাবেন। এই যে বয়কট করে আমি মনে করি তারা হাসির পাত্র হয়েছেন। কিন্তু তারা মনে করেছেন এই বয়কটের মাধ্যমে তারা সরকারকে বার্তা দিতে চান। তারা এখন সেকেন্ড ফোর্স। গত কয়েক বছর ভোট টোট নাই আমরা জানি না।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াতের শক্তি কতটা একবার পরীক্ষা হয়েছিল। আমি এই সিচুয়েশন পাল্টেই পাল্টে গেছে হয়তো। ৯৬ সালে সে এককভাবে নির্বাচন করেছে। আমরা ২০০১ এ তা সিট দিয়ে বুঝব না জামা‍য়াতের শক্তি। কারণ ওর মধ্যে প্রচুর বিএনপির ভোট আছে। ৯৬ সালে তারা এককভাবে নির্বাচন করে দুটো সিট পেয়েছিল। এখন যে দলটা ওইরকম যার পপুলার ভোটের পারসেন্টেজ ছয়-সাত-আট পারসেন্ট তার সাথে আলোচনা না করে বিএনপির সাথে আলোচনা করা হতো এটা মেনে নেয়াই উচিত। আবার জামায়াত কিন্তু সরকারের কাছে আলাদা ট্রিটমেন্ট পাচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা কি নাগরিকত্বের সাথে গণসংহতির সাথে আলাদা বসেছেন? তো উনারা কি বলবেন- জামায়াতের সাথে এক আলাদা বসে তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন? না, রাজনীতি এরকমই জামা‍য়াতের ওজন আছে সেই ওজনটাকে সরকারও রেকগনাইজ করছে কিন্তু তার সাথে আলাদাভাবে বসছে একইভাবে বিএনপির সাথে আসলে আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়ে নির্বাচনের ডেট ঠিক হতে হবে। ইটস আ রিয়ালিটি।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৫২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৫২

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৫২

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৫২