মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুদ্ধকামী অবস্থানকে কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,
“নেতানিয়াহু ২০০২ সালে যেমন ভুল করেছিলেন, এখনও তিনি তেমনই ভয়াবহ ভুলের পথে হাঁটছেন।”
স্যান্ডার্স তাঁর বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০২ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ইরাক যুদ্ধের পক্ষে মত দেওয়ার সময় নেতানিয়াহু বলেছিলেন,
“সাদ্দাম হোসেন নিঃসন্দেহে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছেন। তাঁকে সরিয়ে দিলে গোটা অঞ্চলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।”
নেতানিয়াহুর এমন বক্তব্যের ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে আগ্রাসন চালায়—যার ফলে হাজার হাজার মার্কিন সেনা নিহত হন, লক্ষাধিক ইরাকি বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান এবং যুক্তরাষ্ট্রকে গুণতে হয় প্রায় তিন ট্রিলিয়ন ডলারের চড়া খরচ।
“তখনকার মতোই এখনো নেতানিয়াহু যুদ্ধ উসকে দিচ্ছেন—এবার ইরানকে লক্ষ্য করে,” বলেন বার্নি স্যান্ডার্স। “কিন্তু সেই ভুল আর করা যাবে না। আমাদের উচিত নয় নেতানিয়াহুর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া।”
বার্নি স্যান্ডার্সের বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের নীতির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে ডেমোক্র্যাট দলের একাংশ স্পষ্টভাবে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর যেমন জোরালো হচ্ছে, তেমনি বিশ্লেষকরাও বলছেন—ইসরায়েলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নয়, বরং কূটনীতি ও সহনশীলতা ভিত্তিক একটি টেকসই সমাধানই হতে হবে ভবিষ্যতের পথ।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?