বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, “রাষ্ট্র সংস্কার যদি এবার না হয়, তাহলে আর কোনোদিন হবে না।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এই সময়েই রাষ্ট্র সংস্কার করতেই হবে। না হলে গণঅভ্যুত্থানের ফল আসবে না।”
বুধবার (১৮ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়বিচারভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে রাশেদ খানের নেতৃত্বে শতাধিক মোটরসাইকেলের শোভাযাত্রা ঝিনাইদহ কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
রাশেদ খান বলেন, “শেখ হাসিনা যদি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পালিয়েও যান, তার ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা এখনও কায়েম রয়েছে। এখনো সেই নির্বাচন-কারচুপির কারিগর ডিসি-এসপিরা রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “চাঁদাবাজ, মাফিয়া, দখলদারদের ভোট না দিয়ে ক্লিন ইমেজধারী প্রার্থীকে নির্বাচিত করুন। আমাদের দলে কেউ চাঁদাবাজি করলে প্রমাণ দিন, আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।” রাশেদ খান উল্লেখ করেন, জনগণ এখন আর দুই কেজি গোশত, ৫০০ টাকা বা ১০ কেজি চালের বিনিময়ে ভোট দিতে চায় না, তারা ভালো মানুষ চায় রাজনীতিতে।
গণঅধিকার পরিষদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিরূপ আচরণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমার ভুল থাকলে বলুন, কিন্তু দলকে প্রতিহত করতে ভিন্ন কৌশল নিলে তার ফল ভালো হবে না।”
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজন, শৈলকূপা উপজেলা সভাপতি মেহেদী হাসান এবং যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মিশন আলীসহ স্থানীয় নেতারা।