ফুটবল জগতের একজন সুপরিচিত কোচ গাজায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের গণহত্যার নিন্দা করেছেন।
ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি গ্রহণ অনুষ্ঠানে “পেপ গার্দিওলা” গাজার মানবিক বিপর্যয় সম্পর্কে দুঃখ ভরা কণ্ঠে কথা বলেছেন। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত, এবার তিনি ফুটবল কৌশল নিয়ে নয়, বরং ফিলিস্তিনি শিশুদের বেদনার কথা বলেছেন এবং এই অন্যায়ের মুখে চুপ না থাকার জন্য বিশ্বকে আহ্বান জানিয়েছেন।
গার্দিওলা আরও বলেন: “যখন আমি গাজার ছবি দেখি, আমার পুরো অস্তিত্ব বেদনাকাতর হয়ে যায়। এটি এখন রাজনীতি বা আদর্শ নয় বরং মানবতার প্রশ্ন।”
গাজা উপত্যকায় বেসামরিক নাগরিকদের, বিশেষ করে ফিলিস্তিনি শিশুদের হত্যার কথা উল্লেখ করে, সুপরিচিত ফুটবল কোচ বলেন: “প্রতিদিন যখন তিনি ঘুম থেকে উঠে তার সন্তানদের দেখেন, তখন তিনি গাজার শিশুদের কথা মনে করেন; তারাই ভুক্তভোগী। যদি বিশ্ব নীরব থাকে, তাহলে আগামীকাল কার পালা হবে?”
গার্দিওলার বক্তব্যে কেবল নিন্দা নয় বরং সুপ্ত বিবেককে জাগ্রত করার আহ্বান ছিল।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, যে নিপীড়নের ব্যাপারে নীরবতা মানেই হচ্ছে নিপীড়কের সাথে থাকা এবং বিশ্বের যেকোনো স্থানে যে যেখানে আছে সবারই দায়িত্ব এই মানবিক বিপর্যয়ের অবসান ঘটাতে এগিয়ে আসা।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইল দুটি প্রধান লক্ষ্য নিয়ে গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে: হামাস আন্দোলনকে ধ্বংস করা এবং এই অঞ্চল থেকে ইসরাইলি বন্দীদের মুক্ত করা। কিন্তু তারা এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এবং বন্দী বিনিময়ের জন্য হামাস আন্দোলনের সাথে একমত হতে বাধ্য হয়।
চলতি বছর ১৯ জানুয়ারী, হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে একটি চুক্তির ভিত্তিতে, গাজা উপত্যকায় একটি যুদ্ধবিরতি হয় এবং বেশ কিছু বন্দী বিনিময় করা হয়। তবে, ইসরাইল যুদ্ধবিরতি আলোচনার দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং ১৮ মার্চ সকালে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক আগ্রাসন শুরু করে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় শহীদ ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ৫৪,৯২৭ জন এবং আহতের সংখ্যা ১,২৬,৬১৫ জনে পৌঁছেছে।
সূত্রঃ পার্সটুডে
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?