বাংলাদেশে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে দ্রততম সময়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ভারত।
বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সকল পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
সংবাদ সম্মেলনে রণধীর জয়সওয়াল সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান। ড. ইউনূস কয়েক দিন আগে বলেছিলেন, নয়াদিল্লি নাকি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
এ প্রসঙ্গে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “বাংলাদেশের এসব অভিযোগ প্রকৃত সমস্যা থেকে দৃষ্টি সরানোর প্রচেষ্টা মাত্র।” তিনি আরও বলেন, “ভারত সবসময় প্রতিবেশী দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নকে সমর্থন করে এসেছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারতের হস্তক্ষেপের কোনো ইচ্ছা নেই।”
ভারতের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে, তারা চায় বাংলাদেশে এমন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চলুক, যেখানে সকল রাজনৈতিক পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের এই বার্তা শুধু কূটনৈতিক নয়, বরং বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে ভারতের অবস্থানকে স্পষ্ট করছে।
সংবাদ সম্মেলনে রণধীর জয়সওয়াল এও বলেন, “আমরা আশা করি বাংলাদেশ তার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।”
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?