বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মাঝপথে সমুদ্রে আপনি আমাদেরকে ফেলে চলে যাবেন না, জিতলে একসঙ্গে জিতব, ঠকলেও একসঙ্গে ঠকবো : চরমোনাইয়ের পীর

“আমরা জিতলে একসঙ্গে জিতব, ঠকলেও একসঙ্গে ঠকবো। কিন্তু মাঝপথে আপনি রণভঙ্গ দেবেন, আর মাঝপথে সমুদ্রে আপনি আমাদেরকে ফেলে চলে যাবেন এটা হতে পারে না।” এমন মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টাকে আশ্বস্ত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাইয়ের পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। রবিবার (২৫ মে) রাতে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার […]

মাঝপথে সমুদ্রে আপনি আমাদেরকে ফেলে চলে যাবেন না, জিতলে একসঙ্গে জিতব, ঠকলেও একসঙ্গে ঠকবো : চরমোনাইয়ের পীর

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ মে ২০২৫, ১১:২৬

“আমরা জিতলে একসঙ্গে জিতব, ঠকলেও একসঙ্গে ঠকবো। কিন্তু মাঝপথে আপনি রণভঙ্গ দেবেন, আর মাঝপথে সমুদ্রে আপনি আমাদেরকে ফেলে চলে যাবেন এটা হতে পারে না।” এমন মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টাকে আশ্বস্ত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাইয়ের পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

রবিবার (২৫ মে) রাতে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজন করা অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব।

তবে তারও আগে প্রয়োজনীয় ও মৌলিক সংস্কার, ফ্যাসিবাদের বিচার নিশ্চিত করা এই সরকারের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে আসার কোনো সুযোগ নেই।

চরমোনাই পীর বলেন, “জুনের একদিনের পরেও এই সরকার থাকবে না ২০২৬, এটা আপনার নিশ্চিত থাকেন। দেশের একটা ক্রান্তি লগ্নে আমরা এসেছিলাম সম্মানিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, আমাদের সম্মানিত ইউনূস সাহেবের সঙ্গে একান্ত আলোচনার জন্য।

আমরা তাকে বলেছিলাম যে, জুলাই-আগস্টের যে অভ্যুত্থান হয়েছে, সেখানে হাজার হাজার মায়ের কোল সন্তানহারা হয়েছে, উদীয়মান ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “অনেকে চোখ হারিয়েছে, অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। এতগুলো ত্যাগের পর আমরা এই দেশটাকে একটি সুন্দর রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাই। আমরা বলেছিলাম সম্মানিত উপদেষ্টাকে, আপনি তখন দেশে ছিলেন না।

কিন্তু দেশের প্রয়োজনে, জনগণের আহ্বানে আপনাকে নিয়ে এসেছিলাম আমরা। একসঙ্গে সুন্দর দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে চেয়েছিলাম।”

তিনি আরও বলেন, “মাঝপথে আপনি হয়তো কষ্ট পেয়েছেন বা কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। নানা কায়দায় মানসিক নির্যাতনও চলছে এটা আমরা অনুভব করছি। কিন্তু আমরা যারা রাজপথে আছি, যারা দেশ গড়ার জন্য যুদ্ধ করছি, তাদের পক্ষ থেকে বলছি, জিতলে একসঙ্গে জিতব, ঠকলেও একসঙ্গে ঠকবো। মাঝপথে রণভঙ্গ দিয়ে চলে যাওয়া চলবে না। এই চিন্তা যেন আপনার মাথায় না আসে, সে আশ্বাস আমরা দিয়েছি।”

সৈয়দ রেজাউল করীম বলেন, “আমার ভাই তো বলেছেনই, প্রয়োজনীয় সংস্কার না হলে জাতির প্রত্যাশিত একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। সেখানে পেশিশক্তি, কালো টাকার দৌরাত্ম্যসহ নানা ফাঁদে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”

তিনি বলেন, “যদি সংস্কার না হয়, তাহলে আবারও সেই কলঙ্কিত ইতিহাস ফিরে আসবে। ২৪ আগস্টের অভ্যুত্থানের পুনরাবৃত্তি আমরা চাই না। এজন্য আমরা বলেছি, সংস্কারগুলো দৃশ্যমান করতে হবে। আর যারা মায়েদের কোল খালি করেছে, যারা সন্তানহারা করেছে, পঙ্গু করেছে, যারা আয়নাঘর বানিয়েছে—তাদের বিচার করতে হবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী।”

চরমোনাইয়ের পীর স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গেও বলেন, “স্থানীয় নির্বাচন যদি আগে হয়, তাহলে কালো টাকা ও পেশিশক্তির প্রভাব ঠেকানো সম্ভব হবে। এর ফলে জনপ্রতিনিধিত্বের একটি সুন্দর প্ল্যাটফর্ম তৈরি হতে পারে।”

তিনি বলেন, “আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই, যেন আমরা এই দেশ গড়ার কাজে একসঙ্গে কাজ করতে পারি। অন্তর্বর্তী সরকার, রাজনৈতিক দল, যুব অভ্যুত্থানের যোদ্ধারা, প্রশাসন এবং সাংবাদিক বন্ধুরা সবাই মিলে একাকার হয়ে আমরা যেন দেশের উন্নয়নে কাজ করতে পারি।”

তিনি জানান, “আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। আমরা বলেছি, অনেকে দাবি করে ডিসেম্বর, কেউ রমজান, কেউ আবার অন্য সময় নির্বাচন চান। কিন্তু আপনি বলছেন, জুনের মধ্যে হবে। আজ প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘জুনের একদিনের পরেও এই সরকার থাকবে না ২০২৬।’ এটা পরিষ্কারভাবে তিনি বলেছেন। সুতরাং আমরা এতে আস্থা রাখতে পারি।”

আলোচনার একপর্যায়ে চরমোনাইয়ের পীর আরও বলেন, “যেসব বিষয়ে বিতর্ক তৈরি হয়, সেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যেন সরকার আরও সচেতন থাকে। প্রয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে স্পর্শকাতর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৪৬

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৪৬

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৪৬

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৪৬