রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

খালেদা জিয়া হতে পারেন রাজনৈতিক সংকট উত্তরণের নিয়ামক

…যে যায় লঙ্কায়, সেই হয় রাবণ। দেশের মানুষ মনেপ্রাণে চায়, মিথ্যা হোক প্রাচীন মহাকাব্য ‘রামায়ণ’ থেকে আসা এই প্রবাদ। কারণ সত্য প্রমাণিত হলে আরো ভয়াবহ সংকটে পড়বে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হবে, বাড়বে সংঘাত-সহিংসতা। তখন বাংলাদেশ ঘিরে সক্রিয় হবে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা। রাজনীতির সমীকরণও বদলে যাবে জ্যামিতিক হারে। একসময় চড়া মূল্য গুনতে হবে সাধারণ মানুষকে।গত দুই […]

খালেদা জিয়া হতে পারেন রাজনৈতিক সংকট উত্তরণের নিয়ামক

খালেদা জিয়া

নিউজ ডেস্ক

২৬ মে ২০২৫, ১০:৪৭

…যে যায় লঙ্কায়, সেই হয় রাবণ।

দেশের মানুষ মনেপ্রাণে চায়, মিথ্যা হোক প্রাচীন মহাকাব্য ‘রামায়ণ’ থেকে আসা এই প্রবাদ। কারণ সত্য প্রমাণিত হলে আরো ভয়াবহ সংকটে পড়বে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হবে, বাড়বে সংঘাত-সহিংসতা।

তখন বাংলাদেশ ঘিরে সক্রিয় হবে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা। রাজনীতির সমীকরণও বদলে যাবে জ্যামিতিক হারে। একসময় চড়া মূল্য গুনতে হবে সাধারণ মানুষকে।
গত দুই দিন সংকট নিরসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রতিটি দলই নিজেদের অবস্থানে অনড়। এক দল আগে ভোট চায়, অন্যরা চায় সংস্কার। আবার কোনো দল চায় সংস্কার ও বিচার শেষ করে হোক জাতীয় নির্বাচন। বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি থাকলেও আশ্বাস মেলেনি নির্বাচনী রোডম্যাপের। ফলে সাধারণের আশাবাদী হওয়ার সুযোগ খুবই কম।
অথচ অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর মানুষ স্বপ্ন দেখেছিল, আশায় বুক বেঁধেছিলে ড. ইউনূস ম্যাজিকে বদলে যাবে বাংলাদেশ। ফ্যাসিবাদের বদলে প্রতিষ্ঠিত হবে সাম্য-সুন্দর-মানবিক এক কল্যাণ রাষ্ট্র, যেখানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকবে, আসবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি। সেই সঙ্গে মুক্তবাক-মুক্তচিন্তা নিশ্চিত হবে, ন্যায়বিচার পাবে মানুষ। সব মিলিয়ে ভোটাধিকার ফিরে পেয়ে গণতন্ত্রের পথে হাঁটবে লাল-সবুজের বাংলাদেশ।

স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতির ব্যাপারে বেশ সচেতন বাংলাদেশের মানুষ। সম্প্রতি গুজব-গুঞ্জন আর নানামুখী আলোচনা-সমালোচনায় এক ধরনের ভীতি আছে আবার মজা পাচ্ছে তারা। অন্যদিকে রাজনৈতিক সংকটে বড় বিপাকে পড়েছে কেউ কেউ। কারণ রাজনীতি ঘিরে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে, অস্থিরতায় অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে সব সেক্টরে।

কেবল রাজনীতি নয়, অর্থনীতির দশাও করুণ। আওয়ামী লুটপাটে ভঙ্গুর অর্থনীতিতে এখনো প্রাণ ফেরেনি, বরং নানা রকম হয়রানিতে আছেন দেশের ছোট-বড় ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা। মুদি দোকানি থেকে করপোরেট ব্যবসায়ী, ভালো নেই কেউ। এ ছাড়া নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও দেশি বিনিয়োগ কম, আগ্রহী না বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও। আর দেশি বিনিয়োগকারীরা যদি শঙ্কাহীন ব্যবসার পরিবেশ না পান, বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না, এটিই স্বাভাবিক। সব মিলিয়ে অর্থনীতিতেও এক ধরনের স্থবিরতা আছে। ভীষণ প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে কোনোভাবে টিকে আছেন সবাই।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা আরো ভয়াবহ। বিস্তারিত না বললেও এই খাত নিয়েই সাধারণ মানুষের অভিব্যক্তি ভালো না। কেন অল্পদিনেই সরকারের সমালোচনায় সরব হচ্ছে সাধারণ মানুষ, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বশীলরা সেটা খুব একটা আমলে নিচ্ছেন না। বৈষম্যবিরাধী ছাত্র আন্দোলন থেকে জন্ম নেওয়া এনসিপির জনপ্রিয়তার পারদ কেন নিম্নমুখী, বিবাদে জড়িয়ে সেই খবরও হয়তো রাখার সময় পান না তরুণ নেতারা। বিএনপি-জামায়াতও ক্ষমতার স্বপ্নে বিভোর হয়ে ভুলে যেতে বসেছে নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশে কী কী আমূল পরিবর্তন হয়েছে? কতটা বদলেছে রাজনৈতিক সংস্কৃতি? সাম্য আর ন্যায়বিচার পাচ্ছে মানুষ? নিরপরাধ মানুষের নামে কি মামলা হচ্ছে না? জামিন পেলেও কি আবার জেলগেট থেকে আটক করা হচ্ছে না? মানুষ কি রাস্তাঘাটে নিজেদের নিরাপদ অনুভব করছে? ঘুষ-অনিয়ম কি বন্ধ হয়েছে? নতুন নেতারা কি অনেক বিনয়ী আচরণ করছেন? তাঁদের ক্ষমতার দাপট কি খুব কম গেছে? দখল, চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে গেছে একেবারে? জনগণ কি তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে? ব্যবসায়ীরা কি নিরাপদে আছেন? বিনিয়োগ করতে পারছেন শঙ্কাহীনভাবে?

সাধারণ মানুষ মনে করে, এসব প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে ‘না’। তার মানে ৯ মাস পরও বিপ্লবের সুফল নিশ্চিত হয়নি। উল্টো ঐক্য কমেছে, বেড়েছে বিভক্তি। অংশীজনের বিভক্তি এমন পর্যায়ে গেছে, যা রাজনীতির স্বাভাবিক সীমা অতিক্রম করছে অনেক সময়। কারণ হচ্ছে, বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর গণ-অভ্যুত্থানের অংশীজনরা জনতার চেয়ে ক্ষমতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আন্দোলনের একক ক্রেডিট নেওয়ার প্রবণতা বিভক্তিকে আরো উসকে দিয়েছে। রাজনীতিতে পা রাখার কয়েক দিনের মাথায় সাধারণ জীবন ছেড়ে বিলাসী ও দাম্ভিক হয়ে উঠছেন অনেকে। এ ছাড়া দেশের যা-ই হোক, সবাই কেবল ক্ষমতায় যেতে চান, নয়তো ক্ষমতায় থাকতে চান; যেসব কারণে অনিবার্য হয়ে ওঠে রাজনৈতিক ক্যারিকেচার।

পরিস্থিতি উত্তরণে অন্তর্বর্তী সরকারকে অগ্রাধিকার তালিকা ঠিক করতে হবে। কেবল সুন্দরের স্বপ্ন দেখালে হবে না, স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। সরকারের নেওয়া ইতিবাচক পদক্ষেপগুলোকে সামনে আনতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে করণীয় ঠিক করে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় রাজনৈতিক বিভেদ হয় কালবৈশাখী, নয়তো ঘূর্ণিঝড় হয়ে আসবে সারা দেশে, লণ্ডভণ্ড করবে নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন।

১০ জন মিলে কোরাস গাইলে অবশ্যই হারমোনিয়ামসহ অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রের স্কেলের সঙ্গে সুর মেলাতে হবে। খালি গলায় গাইলেও অন্তত সুরে-তালে ঐক্য থাকতে হবে। না হলে তাল-লয় কাটা পড়বে, সৃষ্টি হবে হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি। এখন তা-ই হয়েছে। কয়েক মাস না যেতেই ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিগুলোতে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে। দল গঠনের কয়েক মাসের মাথায় নিজেদের জৌলুস হারাচ্ছে এনসিপি। দলটির সঙ্গে এক ইস্যুতে বিএনপির বিরোধ, তো অন্য ইস্যুতে আবার জামায়াতের। দীর্ঘদিনের মিত্র বিএনপি-জামায়াতের মধ্যেও সখ্যর বদলে বৈরিতা বাড়ছে। কেবল রাজনৈতিক দলের মধ্যে নয়, সরকারের সঙ্গেও দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। বলছি না, সব দলের নীতি-আদর্শ এক হবে। কিন্তু মৌলিক ইস্যুতে তো ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যেন জনগণের বৃহত্তর কল্যাণ নিশ্চিত হয়, রোধ হয় ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান।

বিশ্বাস-অবিশ্বাস আর চরম বিভক্তির রাজনীতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া হয়ে উঠতে পারেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। তাঁকে ঘিরেই আবর্তিত হতে পারে সংকটময় সময়ের সামগ্রিক ঐক্য প্রক্রিয়া। কারণ বহু বছর থেকেই সরাসরি দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেই তিনি। মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর প্রতিহিংসা আর প্রতিশোধের বদলে ভালোবাসার কথা বলেছেন, দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যের ডাক। এর বাইরে দ্বিধাহীনভাবেই বলা যায় বাংলাদেশের সংগ্রামী নেত্রীর নাম খালেদা জিয়া। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, পেয়েছেন আপসহীন উপাধি। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে বলিষ্ঠ ভূমিকা আছে খালেদা জিয়ার।

তাই টালমাটাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কোন উপায়ে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়াকে সম্পৃক্ত করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। সাধারণ মানুষ মনে করে, তুমুল জনপ্রিয়তার পাশাপাশি যেমন সাংগঠনিক দক্ষতা আছে খালেদা জিয়ার, তেমনি আছে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা। এ ছাড়া জেল-জুলুম আর নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করতে করতে দলীয় বলয়ের সীমা অতিক্রম করে অনেক আগেই সংগ্রামী-মহীয়সী নামের প্রতীক হয়ে উঠছেন খালেদা জিয়া। ফলে বিভক্তির রাজনীতিতে ঐক্য ফেরাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া হয়ে উঠতে পারেন জাদুর কাঠি।

লেখক : হেড অব নিউজ, নিউজ২৪

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬৩